ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নেইমারকে নিয়ে রোনালদো— ‘যারা তাকে বিশ্বাস করেনি, তাদের মুখ বন্ধ করার সুযোগ এটা’
জাপান ম্যাচে ব্রাজিলিয়ানদের ‘মন বসছে না অফিসের টেবিলে’
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ৩ কোটি টাকা দিলেন নেইমার
আচমকা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেন স্টোকস
বাংলাদেশের ব্যাটিং বিপর্যয়, জিম্বাবুয়ের নিয়ন্ত্রণে ম্যাচ
আর্জেন্টিনা-জর্ডানের খেলা দেখতে উট বিক্রি!
আর্জেন্টিনার সামনে ফাইনালে খেলার সহজ সমীকরণ
টেকনিক নয়, টাইব্রেকারের ‘লটারি’ জিততে একটি দর্শনে বিশ্বাসী আনচেলত্তি
সবশেষ দুটি টাইব্রেকারের স্মৃতি ব্রাজিলের জন্য মোটেও সুখকর ছিল না—গত বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়া এবং ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকায় উরুগুয়ের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয়েছে সেলেসাওদের। এবারই তাই বেশ সতর্ক তারা। জাপানের বিপক্ষে নির্ধারিত ৯০ মিনিটেই বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করতে চায় ব্রাজিল। তবে সম্ভাব্য পেনাল্টি শুটআউটের জন্যও নিজেদের গুছিয়ে রাখছে কার্লো আনচেলত্তির দল।
টাইব্রেকারে ব্রাজিলের ব্যর্থতার কারণে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন দলটির তৎকালীন কোচরা। কাতারে নেইমারকে প্রথম পেনাল্টি টেকার হিসেবে না রাখার ভুলটি অকপটে স্বীকার করেছিলেন তিতে। সেবার শেষ শটটি নেওয়ার আগেই সেলেসাওদের হার নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় স্পট কিক নেওয়ার সুযোগই পাননি এ ‘নাম্বার টেন’।
অন্যদিকে, কোপা আমেরিকায় টাইব্রেকারের
আগে খেলোয়াড়দের রণকৌশল নির্ধারণের আলোচনা থেকে দূরত্ব বজায় রাখায় ব্যাপক সমালোচিত হয়েছিলেন দরিভাল জুনিয়র। এ দুটি ঘটনাই এখন একটি বড় প্রশ্ন সামনে নিয়ে আসছে: বর্তমান কোচ কার্লো আনচেলত্তি এই ধরণের কঠিন পরিস্থিতি কীভাবে সামলান? গত বছর তরুণ ফরোয়ার্ড এন্দ্রিককে নিয়ে ঘটা একটি ঘটনাই স্পষ্ট করে দেয়, এ ইতালিয়ান মাস্টারমাইন্ড আসলে কীভাবে ভাবেন এবং মাঠের সিদ্ধান্ত নেন। টেকনিকের চেয়ে মানসিকতাই বড় আনচেলত্তি ভালো করেই জানেন, পেনাল্টি শুটআউটের মতো স্নায়ুচাপের মুহূর্তে খেলোয়াড়দের টেকনিক্যাল স্কিল বা প্রতিভা যতই গুরুত্বপূর্ণ হোক না কেন, মনস্তাত্ত্বিক দিকটিই আসলে আসল। আর এ কারণেই ২০২৫ সালের মার্চে ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর ম্যাচে আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে তরুণ ফরোয়ার্ড এন্দ্রিককে পেনাল্টি নেওয়ার
সুযোগ দেননি তিনি। ম্যাচ শেষে সেই সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিয়ে ই ইতালিয়ান মাস্টারমাইন্ড বলেছিলেন, ‘পঞ্চম পেনাল্টি কে নেবেন, তা নিয়ে আমাদের মনে কিছুটা সংশয় ছিল। ঠিক তখনই আমি এন্দ্রিকের মুখের দিকে তাকাই এবং আমাদের মনে হয়—তার চেয়ে রুডিগারই এই চাপের জন্য বেশি প্রস্তুত।’ সেদিনের সিদ্ধান্ত নিয়ে কোচ আরও বলেন, ‘আমাদের মনে হয়েছিল ওই মুহূর্তে রুডিগার অনেক বেশি শান্ত ও সংযত ছিল।’ যে কোনো বড় ম্যাচের আগেই খেলোয়াড়দের পেনাল্টি অনুশীলন করানো এবং কার সাফল্যের হার কেমন, তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা আনচেলত্তির পুরোনো অভ্যাস। চলতি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে তেরেসোপোলিসের গ্রাঞ্জা কোমারিতে অনুশীলনের প্রথম সপ্তাহ থেকেই এ রুটিন মেনে কাজ করছে সেলেসাওরা। তবে পেনাল্টি শুটআউটে
কে শট নিতে যাবেন, সেই চূড়ান্ত তালিকাটি একদম শেষ মুহূর্তে খেলোয়াড়দের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা বিবেচনা করে তৈরি করা হয়। কারণ, এই অভিজ্ঞ কোচের মতে—পেনাল্টি শুটআউট হলো অনেকটা ‘লটারি বা টসের মতো ভাগ্য পরীক্ষা।’ এর আগে এক সাক্ষাৎকারে নিজের দর্শন পরিষ্কার করে আনচেলত্তি বলেছিলেন, ‘পেনাল্টি টেকার বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে আমি টেকনিকের চেয়ে মানসিক শক্তিকে বেশি প্রাধান্য দিই। আপনি যদি মানসিকভাবে প্রস্তুত না থাকেন, তবে পেনাল্টি নেওয়ার মতো টেকনিক্যাল কাজটি আপনার পক্ষে নিখুঁতভাবে করা সম্ভব নয়।’ নিজের অভিজ্ঞতার কথা টেনে আনচেলত্তি আরও বলেন, ‘আমি অনেক বিশ্বমানের পেনাল্টি টেকারকে দেখেছি, যারা টেকনিক্যালি দুর্দান্ত হওয়া সত্ত্বেও কেবল সঠিক মানসিক অবস্থায় না থাকার কারণে শট
নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।’ বর্তমান ব্রাজিল দলের প্রধান পেনাল্টি টেকারদের মধ্যে অন্যতম হলেন নেইমার, ইগর থিয়াগো এবং রাফিনিয়া (বর্তমানে চোটে ভুগছেন)।
আগে খেলোয়াড়দের রণকৌশল নির্ধারণের আলোচনা থেকে দূরত্ব বজায় রাখায় ব্যাপক সমালোচিত হয়েছিলেন দরিভাল জুনিয়র। এ দুটি ঘটনাই এখন একটি বড় প্রশ্ন সামনে নিয়ে আসছে: বর্তমান কোচ কার্লো আনচেলত্তি এই ধরণের কঠিন পরিস্থিতি কীভাবে সামলান? গত বছর তরুণ ফরোয়ার্ড এন্দ্রিককে নিয়ে ঘটা একটি ঘটনাই স্পষ্ট করে দেয়, এ ইতালিয়ান মাস্টারমাইন্ড আসলে কীভাবে ভাবেন এবং মাঠের সিদ্ধান্ত নেন। টেকনিকের চেয়ে মানসিকতাই বড় আনচেলত্তি ভালো করেই জানেন, পেনাল্টি শুটআউটের মতো স্নায়ুচাপের মুহূর্তে খেলোয়াড়দের টেকনিক্যাল স্কিল বা প্রতিভা যতই গুরুত্বপূর্ণ হোক না কেন, মনস্তাত্ত্বিক দিকটিই আসলে আসল। আর এ কারণেই ২০২৫ সালের মার্চে ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর ম্যাচে আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে তরুণ ফরোয়ার্ড এন্দ্রিককে পেনাল্টি নেওয়ার
সুযোগ দেননি তিনি। ম্যাচ শেষে সেই সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিয়ে ই ইতালিয়ান মাস্টারমাইন্ড বলেছিলেন, ‘পঞ্চম পেনাল্টি কে নেবেন, তা নিয়ে আমাদের মনে কিছুটা সংশয় ছিল। ঠিক তখনই আমি এন্দ্রিকের মুখের দিকে তাকাই এবং আমাদের মনে হয়—তার চেয়ে রুডিগারই এই চাপের জন্য বেশি প্রস্তুত।’ সেদিনের সিদ্ধান্ত নিয়ে কোচ আরও বলেন, ‘আমাদের মনে হয়েছিল ওই মুহূর্তে রুডিগার অনেক বেশি শান্ত ও সংযত ছিল।’ যে কোনো বড় ম্যাচের আগেই খেলোয়াড়দের পেনাল্টি অনুশীলন করানো এবং কার সাফল্যের হার কেমন, তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা আনচেলত্তির পুরোনো অভ্যাস। চলতি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে তেরেসোপোলিসের গ্রাঞ্জা কোমারিতে অনুশীলনের প্রথম সপ্তাহ থেকেই এ রুটিন মেনে কাজ করছে সেলেসাওরা। তবে পেনাল্টি শুটআউটে
কে শট নিতে যাবেন, সেই চূড়ান্ত তালিকাটি একদম শেষ মুহূর্তে খেলোয়াড়দের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা বিবেচনা করে তৈরি করা হয়। কারণ, এই অভিজ্ঞ কোচের মতে—পেনাল্টি শুটআউট হলো অনেকটা ‘লটারি বা টসের মতো ভাগ্য পরীক্ষা।’ এর আগে এক সাক্ষাৎকারে নিজের দর্শন পরিষ্কার করে আনচেলত্তি বলেছিলেন, ‘পেনাল্টি টেকার বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে আমি টেকনিকের চেয়ে মানসিক শক্তিকে বেশি প্রাধান্য দিই। আপনি যদি মানসিকভাবে প্রস্তুত না থাকেন, তবে পেনাল্টি নেওয়ার মতো টেকনিক্যাল কাজটি আপনার পক্ষে নিখুঁতভাবে করা সম্ভব নয়।’ নিজের অভিজ্ঞতার কথা টেনে আনচেলত্তি আরও বলেন, ‘আমি অনেক বিশ্বমানের পেনাল্টি টেকারকে দেখেছি, যারা টেকনিক্যালি দুর্দান্ত হওয়া সত্ত্বেও কেবল সঠিক মানসিক অবস্থায় না থাকার কারণে শট
নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।’ বর্তমান ব্রাজিল দলের প্রধান পেনাল্টি টেকারদের মধ্যে অন্যতম হলেন নেইমার, ইগর থিয়াগো এবং রাফিনিয়া (বর্তমানে চোটে ভুগছেন)।



