ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শেখ হাসিনার সরকারের পতন পরবর্তী দুই বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতির হালচাল
রাষ্ট্রীয় স্থায়িত্ব ও রাষ্ট্রের প্রতি সেনাবাহিনীর আনুগত্য: ভারতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা
এলাকার সবচেয়ে ভালো ছেলেটা শিবির করে: জুবায়ের কেমন শিবির?
প্রোফাইল লাল করা নিয়ে জুলাই-আগস্টের রাজনীতি এবং বর্তমান বাস্তবতা
ক্যাডেট কলেজ: “কিল দ্য ইন্ডিয়ান ইন হিম অ্যান্ড সেভ দ্য ম্যান”
বেলুচিস্তানের নিপীড়িত জনগণের পাশে দাঁড়ানো কেন বাংলাদেশের নৈতিক ও ঐতিহাসিক দায়িত্ব?
মব এবং ব্যাঙ্কিং খাতের সংকট একই মেটিকুলাস প্ল্যানের অংশ
শেখ হাসিনা খাঁটি দেশপ্রেমিক, মানুষ ভুল বুঝতে পেরে তাঁকে ফেরত চাইবে’
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে নির্বাচন, গুম ও মানবাধিকার নিয়ে বিতর্ক থাকলেও তিনি একজন ‘খাঁটি দেশপ্রেমিক’ এবং তাঁর অসাধারণ নেতৃত্বেই বাংলাদেশ বিশ্বে স্বগৌরবে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন কলামিস্ট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক রিপন গাজী। তাঁর মতে, দেশের মানুষ একসময় নিজেদের ভুল বুঝতে পারবে এবং শেখ হাসিনাকে ফিরে আসার আহ্বান জানাবে।
সম্প্রতি এক মতামতে রিপন গাজী শেখ হাসিনার ১৬ বছরের শাসনামলের বিভিন্ন দিক ও বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে এসব কথা বলেন।
দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনামলে কিছু ভুলত্রুটি থাকা অস্বাভাবিক নয় উল্লেখ করে এই রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, নির্বাচন, গুম ও মানবাধিকার নিয়ে বিতর্ক থাকলেও শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে এমন এক উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন, যা সারা
বিশ্বকে অবাক করেছে। তাঁর দাবি, শেখ হাসিনা ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়ার মতো চারটি পরাশক্তিকে যে দুর্দান্ত দক্ষতার সঙ্গে সামলেছেন, তা দেশের অন্য কোনো রাষ্ট্রনায়কের পক্ষে সম্ভব নয়। শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করে রিপন গাজী বলেন, ‘তিনি (শেখ হাসিনা) চাইলেই দেশের সার্বভৌমত্ব বিসর্জন দিয়ে আমেরিকার সঙ্গে হাত মিলিয়ে বাকি জীবন ক্ষমতায় থাকতে পারতেন। কিন্তু তিনি দেশের স্বার্থে কোনো আপস করেননি, বরং শত্রুর চোখে চোখ রেখে লড়াই করেছেন।’ শেখ হাসিনার আমলেই বাংলাদেশের জলসীমা ও স্থলসীমা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আকাশসীমায় নিজেদের অবস্থান পোক্ত হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর আমলের অর্থনৈতিক ও কাঠামোগত ব্যবস্থাপনার কথা তুলে ধরে এই কলামিস্ট জানান, ওই সময়ে
দেশে খাদ্য, বিদ্যুৎ, জ্বালানি বা সারের কোনো ঘাটতি ছিল না। উল্টো তিন বছরের খাদ্য মজুত ছিল। দরিদ্রদের ভাতাসহ সাধারণ মানুষের সব চাহিদা তিনি দক্ষতার সঙ্গে পূরণ করেছিলেন। চলতি বছরের (২০২৬ সালের) এপ্রিলে বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার কথা ছিল উল্লেখ করে রিপন গাজী আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, দেশ এখন উন্নয়নশীল হওয়ার বদলে অনুন্নত হয়ে যাবে। শেখ হাসিনাকে যারা ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিয়েছেন, তাঁদের সমালোচনা করে রিপন গাজী বলেন, ‘আজ দেশের সাধারণ মানুষের বুকফাটা আর্তনাদ শুনতে পাচ্ছি।’ দেশের মানুষ একসময় নিজেদের ভুল বুঝতে পারবে—এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘সামনে সেই দিন বেশি দূরে নয়, যেদিন এ দেশের মানুষ নিজের মাথা নিজের
দেয়ালে ঠুকবে আর বলবে, আমরা ভুল করেছি, রত্ন চিনতে ভুল করেছি। আমাদের ক্ষমা করো, তুমি ফেরত আসো—আমরা ভালো নেই।’
বিশ্বকে অবাক করেছে। তাঁর দাবি, শেখ হাসিনা ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়ার মতো চারটি পরাশক্তিকে যে দুর্দান্ত দক্ষতার সঙ্গে সামলেছেন, তা দেশের অন্য কোনো রাষ্ট্রনায়কের পক্ষে সম্ভব নয়। শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করে রিপন গাজী বলেন, ‘তিনি (শেখ হাসিনা) চাইলেই দেশের সার্বভৌমত্ব বিসর্জন দিয়ে আমেরিকার সঙ্গে হাত মিলিয়ে বাকি জীবন ক্ষমতায় থাকতে পারতেন। কিন্তু তিনি দেশের স্বার্থে কোনো আপস করেননি, বরং শত্রুর চোখে চোখ রেখে লড়াই করেছেন।’ শেখ হাসিনার আমলেই বাংলাদেশের জলসীমা ও স্থলসীমা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আকাশসীমায় নিজেদের অবস্থান পোক্ত হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর আমলের অর্থনৈতিক ও কাঠামোগত ব্যবস্থাপনার কথা তুলে ধরে এই কলামিস্ট জানান, ওই সময়ে
দেশে খাদ্য, বিদ্যুৎ, জ্বালানি বা সারের কোনো ঘাটতি ছিল না। উল্টো তিন বছরের খাদ্য মজুত ছিল। দরিদ্রদের ভাতাসহ সাধারণ মানুষের সব চাহিদা তিনি দক্ষতার সঙ্গে পূরণ করেছিলেন। চলতি বছরের (২০২৬ সালের) এপ্রিলে বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার কথা ছিল উল্লেখ করে রিপন গাজী আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, দেশ এখন উন্নয়নশীল হওয়ার বদলে অনুন্নত হয়ে যাবে। শেখ হাসিনাকে যারা ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিয়েছেন, তাঁদের সমালোচনা করে রিপন গাজী বলেন, ‘আজ দেশের সাধারণ মানুষের বুকফাটা আর্তনাদ শুনতে পাচ্ছি।’ দেশের মানুষ একসময় নিজেদের ভুল বুঝতে পারবে—এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘সামনে সেই দিন বেশি দূরে নয়, যেদিন এ দেশের মানুষ নিজের মাথা নিজের
দেয়ালে ঠুকবে আর বলবে, আমরা ভুল করেছি, রত্ন চিনতে ভুল করেছি। আমাদের ক্ষমা করো, তুমি ফেরত আসো—আমরা ভালো নেই।’



