ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
২০২৫-২৬ অর্থবছরে এডিপি বাস্তবায়নের হার সর্বনিম্ন
জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে যে সিদ্ধান্ত এলো
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে পতন
গ্যাস সংকটে অচল ট্যানারি: কোটি কোটি টাকার ক্ষতির মুখে দেশের চামড়া শিল্প
বাংলাদেশকে টনপ্রতি ১০ ডলার কমে সার বিক্রির প্রস্তাব রাশিয়ার, মার্কিন অনুমতি নিয়ে শঙ্কা
জ্বালানি সংকটে বিপর্যস্ত উৎপাদন, ঝুঁকিতে রপ্তানি ও লাখো শ্রমিকের কর্মসংস্থান
উৎপাদন কর্মসংস্থান ধরে রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ
বাজারের বেশিরভাগ সবজি শতক হাঁকালেও কাঁচা মরিচ একাই ৪০০ নট আউট
দেশের কাঁচাবাজারে আবারও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে তীব্র ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। টানা বর্ষণ ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জলাবদ্ধতার কারণে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার দাবি তুলে গত দুই সপ্তাহে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
এর ফলে বর্তমানে অধিকাংশ সবজির দামই কেজিপ্রতি ১০০ টাকার গণ্ডি পেরিয়েছে, যা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে।
আজ ৩১শে জুলাই, শুক্রবার রাজধানীর আগারগাঁও, মগবাজার ও কারওয়ান বাজারসহ কয়েকটি বড় কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১২০ থেকে ১৪০ টাকায়। করলা, বরবটি ও কাঁকরোলের দাম কেজিপ্রতি ১০০ থেকে ১২০ টাকা।
তুলনামূলক কম দামের তালিকায় থাকা ধুন্দুল, ঝিঙে, চিচিঙ্গা,
পটোল ও ঢ্যাঁড়শও বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজিতে। লাউয়ের দাম উঠেছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়, আর ব্যতিক্রম হিসেবে শুধু পেঁপে পাওয়া যাচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজিতে। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে কাঁচা মরিচের দাম। বাজারভেদে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকায়। ফলে মাত্র ২৫০ গ্রাম মরিচ কিনতেই ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে ১০০ টাকা। অনেক বিক্রেতা আবার ক্রেতাদের নিজেদের পছন্দমতো মরিচ বেছে নেওয়ার সুযোগও দিচ্ছেন না। অথচ মাত্র দুই সপ্তাহ আগেও প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম ছিল ১৪০ থেকে ১৬০ টাকার মধ্যে। বাজার সূত্রে জানা গেছে, কাঁচা মরিচের দাম ৫০০ ছুঁতে পারে। সবজির পাশাপাশি ডিম ও মুরগির বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে।
ফার্মের সাদা ডিম ডজনপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা এবং বাদামি ডিম ১৩৫ থেকে ১৪৫ টাকায়। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৩০ থেকে ৩৪০ টাকায়। তবে চাল ও ডালের বাজার আপাতত স্থিতিশীল রয়েছে। দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীদের দাবি, টানা বৃষ্টিতে মাঠের সবজি নষ্ট হয়েছে, বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পর্যাপ্ত সরবরাহ আসছে না এবং পরিবহন ব্যয়ও বেড়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে বাজার পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তারা। তবে এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নন ক্রেতারা। কারওয়ান বাজারে আসা কয়েকজন ক্রেতার অভিযোগ, বৃষ্টিকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে অসাধু সিন্ডিকেট ও কিছু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফা করছেন। তাদের মতে, বাজারে
কার্যকর তদারকির অভাব থাকায় এ ধরনের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। মাছ-মাংসের পর এখন নিত্যদিনের সবজিও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি সংকটে পড়েছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবার। বাজার নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভোক্তারা।
পটোল ও ঢ্যাঁড়শও বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজিতে। লাউয়ের দাম উঠেছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়, আর ব্যতিক্রম হিসেবে শুধু পেঁপে পাওয়া যাচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজিতে। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে কাঁচা মরিচের দাম। বাজারভেদে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকায়। ফলে মাত্র ২৫০ গ্রাম মরিচ কিনতেই ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে ১০০ টাকা। অনেক বিক্রেতা আবার ক্রেতাদের নিজেদের পছন্দমতো মরিচ বেছে নেওয়ার সুযোগও দিচ্ছেন না। অথচ মাত্র দুই সপ্তাহ আগেও প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম ছিল ১৪০ থেকে ১৬০ টাকার মধ্যে। বাজার সূত্রে জানা গেছে, কাঁচা মরিচের দাম ৫০০ ছুঁতে পারে। সবজির পাশাপাশি ডিম ও মুরগির বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে।
ফার্মের সাদা ডিম ডজনপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা এবং বাদামি ডিম ১৩৫ থেকে ১৪৫ টাকায়। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৩০ থেকে ৩৪০ টাকায়। তবে চাল ও ডালের বাজার আপাতত স্থিতিশীল রয়েছে। দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীদের দাবি, টানা বৃষ্টিতে মাঠের সবজি নষ্ট হয়েছে, বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পর্যাপ্ত সরবরাহ আসছে না এবং পরিবহন ব্যয়ও বেড়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে বাজার পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তারা। তবে এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নন ক্রেতারা। কারওয়ান বাজারে আসা কয়েকজন ক্রেতার অভিযোগ, বৃষ্টিকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে অসাধু সিন্ডিকেট ও কিছু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফা করছেন। তাদের মতে, বাজারে
কার্যকর তদারকির অভাব থাকায় এ ধরনের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। মাছ-মাংসের পর এখন নিত্যদিনের সবজিও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি সংকটে পড়েছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবার। বাজার নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভোক্তারা।



