ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শেখ হাসিনা ভারতের ‘মেহমান’, আওয়ামী লীগ রাজনীতির ‘বাস্তবতা’: গৌতম লাহিড়ী
প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক আরিফ রহমানের বিরুদ্ধে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ, মিয়াপাড়ায় তোলপাড়
আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত ‘আত্মঘাতী’: আনিস আলমগীর
‘ছাত্রদের নেপথ্যে ছিল জঙ্গিবাদীরা, শেখ হাসিনার কথাই সত্য হলো’
কালের কণ্ঠের বৈশাখী আড্ডায় বিশিষ্টজনেরা উঠে এল ‘মব সংস্কৃতি’ ও সাংবাদিক হয়রানির কথা
প্রতি মাসে গ্রেপ্তারের হুমকি পেতাম’
“তারেক রহমান এর মতন একটা লম্পট, বাটপার, হাওয়া ভবন করা, ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলার ঘটনা ঘটানো একটা লোক কি এখন কোন দায় নেয়
কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ: মাসদার হোসেনের আইনজীবী সনদ স্থগিত
মক্কেলের সোয়া কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক জেলা ও দায়রা জজ এবং অন্তর্বর্তী সরকারের বিচারবিভাগীয় সংস্কার কমিশনের সদস্য মো. মাসদার হোসেনের আইনজীবী সনদ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল।
গতকাল বুধবার বার কাউন্সিল ভবনে আয়োজিত এক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে সংস্থাটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বার কাউন্সিলের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পেশাগত অসদাচরণ ও অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা মেলায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, কেন তাঁর সনদ স্থায়ীভাবে বাতিল করা হবে না—আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তা কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। জবাব দেওয়ার এই সময়কাল পর্যন্ত তাঁর আইনজীবী সনদ সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ১২ এপ্রিল দৈনিক কালবেলা পত্রিকায়
প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইনজীবী মাসদার হোসেন তাঁর এক মক্কেলের কাছ থেকে সোয়া এক কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, মাসদার হোসেন বিষয়টি স্বীকারও করে নিয়েছেন। প্রতিবেদনটি বার কাউন্সিলের নজরে আসার পর তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার মতো যথেষ্ট প্রমাণ থাকায় এই শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হলো। মো. মাসদার হোসেন দেশের আইন ও বিচার অঙ্গনে অত্যন্ত সুপরিচিত একটি নাম। তিনি সরকারের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক্করণ–সংক্রান্ত ঐতিহাসিক ‘মাসদার হোসেন মামলা’র বাদী। ১৯৯৯ সালে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার লক্ষ্যে তাঁর দায়ের করা ওই মামলার রায়ের ভিত্তিতেই ২০০৭ সালে দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে আলাদা করা হয়। মাসদার হোসেন ১৯৮৩ সালে মুনসেফ
হিসেবে বিচার বিভাগে কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর ১৯৯৫ সালে তিনি বিসিএস বিচার অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। বিচার বিভাগ থেকে অবসরের পর তিনি উচ্চ আদালতে আইনজীবী হিসেবে আইন পেশায় (প্র্যাকটিস) যুক্ত হন। সর্বশেষ, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের বিচারবিভাগীয় সংস্কার কমিশনের অন্যতম সদস্য হিসেবে তাঁকে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে এবার আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগে তাঁর পেশাগত জীবন বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে পড়ল।
প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইনজীবী মাসদার হোসেন তাঁর এক মক্কেলের কাছ থেকে সোয়া এক কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, মাসদার হোসেন বিষয়টি স্বীকারও করে নিয়েছেন। প্রতিবেদনটি বার কাউন্সিলের নজরে আসার পর তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার মতো যথেষ্ট প্রমাণ থাকায় এই শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হলো। মো. মাসদার হোসেন দেশের আইন ও বিচার অঙ্গনে অত্যন্ত সুপরিচিত একটি নাম। তিনি সরকারের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক্করণ–সংক্রান্ত ঐতিহাসিক ‘মাসদার হোসেন মামলা’র বাদী। ১৯৯৯ সালে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার লক্ষ্যে তাঁর দায়ের করা ওই মামলার রায়ের ভিত্তিতেই ২০০৭ সালে দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে আলাদা করা হয়। মাসদার হোসেন ১৯৮৩ সালে মুনসেফ
হিসেবে বিচার বিভাগে কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর ১৯৯৫ সালে তিনি বিসিএস বিচার অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। বিচার বিভাগ থেকে অবসরের পর তিনি উচ্চ আদালতে আইনজীবী হিসেবে আইন পেশায় (প্র্যাকটিস) যুক্ত হন। সর্বশেষ, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের বিচারবিভাগীয় সংস্কার কমিশনের অন্যতম সদস্য হিসেবে তাঁকে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে এবার আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগে তাঁর পেশাগত জীবন বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে পড়ল।



