ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
থানা পোড়ানো, পুলিশ হত্যাকারী সেই সমন্বয়ক মাহদী এখন মবের ভয়ে থানায় আশ্রয়ের সন্ধানে
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শেখ হাসিনা ভারতের ‘মেহমান’, আওয়ামী লীগ রাজনীতির ‘বাস্তবতা’: গৌতম লাহিড়ী
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান এবং আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে অত্যন্ত কড়া ও তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেছেন ভারতের প্রবীণ সাংবাদিক গৌতম লাহিড়ী। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, শেখ হাসিনা ভারতের মাটিতে একজন সম্মানিত ‘মেহমান’ এবং তাঁর নেতৃত্ব বা দলের ভাগ্য নির্ধারণ করার দায়িত্ব অন্য কারও নয়, বরং তাঁর নিজ দলের।
সম্প্রতি সাংবাদিক ফজলুল বারীর সাথে এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপদেষ্টার দিল্লি সফরের প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
মেহমান হিসেবে শেখ হাসিনা: ভারতের মাটিতে শেখ হাসিনাকে ভারতের রাষ্ট্রীয় অতিথি বা ‘মেহমান’ হিসেবে অভিহিত করেছেন গৌতম লাহিড়ী।
হস্তক্ষেপ করবে না ভারত: শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়া কিংবা
আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত ভারত নেবে না। এটি সম্পূর্ণ আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ বিষয়। অনস্বীকার্য বাস্তবতা: বাংলাদেশের রাজনৈতিক মানচিত্রে আওয়ামী লীগকে একটি ‘অনস্বীকার্য বাস্তবতা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন তিনি। সমালোচকদের হুঁশিয়ারি: যারা বাইরে বসে শেখ হাসিনাকে মাইনাস করার বা আওয়ামী লীগকে শেষ করে দেওয়ার কথা বলছেন, তাদের বাস্তব পরিস্থিতি বোঝার পরামর্শ দিয়েছেন এই বিশ্লেষক। সাক্ষাৎকারে গৌতম লাহিড়ী বলেন, “শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়া বা তাঁর নেতৃত্ব পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত ভারত নেবে না, সেটা নেবে তাঁর দল। বাইরে বসে যারা বড় বড় কথা বলছেন, তারা মনে রাখবেন—ভারতের মাটিতে শেখ হাসিনা ভারতের মেহমান, আর তাঁর দল বাংলাদেশের রাজনীতির এক অনস্বীকার্য বাস্তবতা।” গৌতম লাহিড়ী মনে করেন, আওয়ামী লীগের বাংলাদেশে
একটি গভীর রাজনৈতিক ভিত্তি রয়েছে। কোনো বিশেষ পরিস্থিতির কারণে তারা বর্তমানে কোণঠাসা থাকলেও, জামায়াতে ইসলামীর মতো চরমপন্থী শক্তিকে মোকাবিলা করার জন্য আওয়ামী লীগই বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তি। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, শেখ হাসিনাকে সরিয়ে অন্য কাউকে নেতৃত্বে আনা হবে কি না, তা নির্ধারণের ক্ষমতা শেখ হাসিনার নিজের এবং তাঁর দলের নেতাকর্মীদের। এ ক্ষেত্রে ভারতের ওপর চাপ সৃষ্টি করে কোনো লাভ হবে না। বাংলাদেশের নতুন সরকারের প্রতিনিধিরা দিল্লি সফরের সময় আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নিয়ে যে আলাপ করেছেন, তার প্রেক্ষিতেই গৌতম লাহিড়ীর এই মন্তব্যগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাঁর বক্তব্যে পরিষ্কার ফুটে উঠেছে যে, প্রতিবেশীর বিপদে পাশে দাঁড়ানো এবং শেখ
হাসিনার প্রতি ভারতের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দিল্লি এক চুলও সরেনি।
আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত ভারত নেবে না। এটি সম্পূর্ণ আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ বিষয়। অনস্বীকার্য বাস্তবতা: বাংলাদেশের রাজনৈতিক মানচিত্রে আওয়ামী লীগকে একটি ‘অনস্বীকার্য বাস্তবতা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন তিনি। সমালোচকদের হুঁশিয়ারি: যারা বাইরে বসে শেখ হাসিনাকে মাইনাস করার বা আওয়ামী লীগকে শেষ করে দেওয়ার কথা বলছেন, তাদের বাস্তব পরিস্থিতি বোঝার পরামর্শ দিয়েছেন এই বিশ্লেষক। সাক্ষাৎকারে গৌতম লাহিড়ী বলেন, “শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়া বা তাঁর নেতৃত্ব পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত ভারত নেবে না, সেটা নেবে তাঁর দল। বাইরে বসে যারা বড় বড় কথা বলছেন, তারা মনে রাখবেন—ভারতের মাটিতে শেখ হাসিনা ভারতের মেহমান, আর তাঁর দল বাংলাদেশের রাজনীতির এক অনস্বীকার্য বাস্তবতা।” গৌতম লাহিড়ী মনে করেন, আওয়ামী লীগের বাংলাদেশে
একটি গভীর রাজনৈতিক ভিত্তি রয়েছে। কোনো বিশেষ পরিস্থিতির কারণে তারা বর্তমানে কোণঠাসা থাকলেও, জামায়াতে ইসলামীর মতো চরমপন্থী শক্তিকে মোকাবিলা করার জন্য আওয়ামী লীগই বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তি। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, শেখ হাসিনাকে সরিয়ে অন্য কাউকে নেতৃত্বে আনা হবে কি না, তা নির্ধারণের ক্ষমতা শেখ হাসিনার নিজের এবং তাঁর দলের নেতাকর্মীদের। এ ক্ষেত্রে ভারতের ওপর চাপ সৃষ্টি করে কোনো লাভ হবে না। বাংলাদেশের নতুন সরকারের প্রতিনিধিরা দিল্লি সফরের সময় আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নিয়ে যে আলাপ করেছেন, তার প্রেক্ষিতেই গৌতম লাহিড়ীর এই মন্তব্যগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাঁর বক্তব্যে পরিষ্কার ফুটে উঠেছে যে, প্রতিবেশীর বিপদে পাশে দাঁড়ানো এবং শেখ
হাসিনার প্রতি ভারতের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দিল্লি এক চুলও সরেনি।



