ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শেখ হাসিনা ভারতের ‘মেহমান’, আওয়ামী লীগ রাজনীতির ‘বাস্তবতা’: গৌতম লাহিড়ী
প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক আরিফ রহমানের বিরুদ্ধে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ, মিয়াপাড়ায় তোলপাড়
আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত ‘আত্মঘাতী’: আনিস আলমগীর
কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ: মাসদার হোসেনের আইনজীবী সনদ স্থগিত
কালের কণ্ঠের বৈশাখী আড্ডায় বিশিষ্টজনেরা উঠে এল ‘মব সংস্কৃতি’ ও সাংবাদিক হয়রানির কথা
প্রতি মাসে গ্রেপ্তারের হুমকি পেতাম’
“তারেক রহমান এর মতন একটা লম্পট, বাটপার, হাওয়া ভবন করা, ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলার ঘটনা ঘটানো একটা লোক কি এখন কোন দায় নেয়
‘ছাত্রদের নেপথ্যে ছিল জঙ্গিবাদীরা, শেখ হাসিনার কথাই সত্য হলো’
#কালের সংলাপে জুলাই আন্দোলন নিয়ে মোহভঙ্গের কথা জানালেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর
#শিক্ষার্থীদের সামনে রেখে নেপথ্যে জঙ্গিবাদীরা কলকাঠি নেড়েছে বলে দাবি
#ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘ফটকাবাজ’ আখ্যা দিয়ে কড়া সমালোচনা
#একটি নির্দিষ্ট দল এখন আন্দোলনের সব কৃতিত্ব নিতে চাইছে বলে মন্তব্য
জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে সমর্থন করা ‘বোকামি’ ছিল বলে মন্তব্য করেছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর। তিনি বলেছেন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের সামনে রেখে এই আন্দোলনের নেপথ্যে কলকাঠি নেড়েছে জঙ্গিবাদীরা। আজ এটি দিবালোকের মতো স্পষ্ট যে, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যা বলে গিয়েছিলেন, সেটাই এখন সত্য প্রমাণিত হচ্ছে।
সম্প্রতি দৈনিক কালের কণ্ঠের নিয়মিত আয়োজন ‘কালের সংলাপ’ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে অংশ নিয়ে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও অন্তর্বর্তী সরকার নিয়ে তিনি এসব
কথা বলেন। কালের সংলাপে খোলামেলা আলোচনায় নিজের হতাশার কথা জানিয়ে আনিস আলমগীর বলেন, ‘জুলাইকে সমর্থন করাটা এক ধরনের বোকামি হয়েছিল। আমরা প্রতারিত হয়েছিলাম। আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের কথা বলে এখানে মূলত মুক্তিযুদ্ধকেই কবর দেওয়ার জন্য তারা এসেছে।’ একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল এখন এই আন্দোলনের পুরো কৃতিত্ব নিতে চাইছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। আন্দোলনের পেছনের শক্তি ও বর্তমান বাস্তবতা মূল্যায়ন করতে গিয়ে অনুষ্ঠানে তিনি অত্যন্ত কড়া ভাষায় বলেন, “ছাত্রদের সামনে রেখে নেপথ্যে ছিল জঙ্গিবাদীরা; আজ দিনের আলোতে এটাই ধ্রুব সত্য যে, শেখ হাসিনা যেটা বলে গেছিল সেটাই তো সত্য!” কালের সংলাপের আলোচনায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসেরও তীব্র সমালোচনা করেন
এই সাংবাদিক। ড. ইউনূসকে ‘ফটকাবাজ’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘সবদিক থেকে এই প্রতারণার ফলে যখন ড. ইউনূস এলেন, আমি খুব আশাবাদী হইনি। ইউনূস যে একটা ফটকাবাজ, এটা আমরা আগে থেকেই জানতাম। ওয়ান-ইলেভেনের সময়ও তিনি এই ফটকাবাজ রাজনীতি করার জন্য মাঠে নেমেছিলেন।’ তিনি দাবি করেন, সে সময় ড. ইউনূস রাজনীতিতে আসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলেও ক্ষমতা দখলের ‘গোপন খায়েশ’ তাঁর ভেতরে ঠিকই রয়ে গিয়েছিল। কারামুক্তি ও নিজের বর্তমান অবস্থা নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করে আনিস আলমগীর বলেন, ‘আমার জীবনের সবচেয়ে দুঃখজনক অধ্যায় হচ্ছে, যে যেভাবে পারছে আমাকে রাজনৈতিক ট্যাগ দিচ্ছে। কেউ আমাকে লাল বান্দর বলছে, কেউ কালা বান্দর বলছে।’ তবে কারামুক্তির পর মানুষের
ভালোবাসা পেয়েছেন এবং সরকারের উচ্চপর্যায়ের ‘রহমতে’ বড় কোনো মামলার প্যাঁচে পড়েননি বলেও তিনি স্বীকার করেন। আন্দোলনের সময় নিজে সরকারের সমালোচনা করলেও এখন সেই অবস্থানের জন্য অনুতাপ প্রকাশ করেছেন তিনি। তার মতে, বিরোধী দলও সেই সময় জাতীয় সম্পদ নষ্ট করেছিল এবং শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করার মতো কোনো যোগ্য নেতাই তারা তৈরি করতে পারেনি। সেদিন সমর্থন জানালেও আজকের দিনে এসে তার মনে হচ্ছে, ওই সমর্থনটা ভুল ছিল।
কথা বলেন। কালের সংলাপে খোলামেলা আলোচনায় নিজের হতাশার কথা জানিয়ে আনিস আলমগীর বলেন, ‘জুলাইকে সমর্থন করাটা এক ধরনের বোকামি হয়েছিল। আমরা প্রতারিত হয়েছিলাম। আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের কথা বলে এখানে মূলত মুক্তিযুদ্ধকেই কবর দেওয়ার জন্য তারা এসেছে।’ একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল এখন এই আন্দোলনের পুরো কৃতিত্ব নিতে চাইছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। আন্দোলনের পেছনের শক্তি ও বর্তমান বাস্তবতা মূল্যায়ন করতে গিয়ে অনুষ্ঠানে তিনি অত্যন্ত কড়া ভাষায় বলেন, “ছাত্রদের সামনে রেখে নেপথ্যে ছিল জঙ্গিবাদীরা; আজ দিনের আলোতে এটাই ধ্রুব সত্য যে, শেখ হাসিনা যেটা বলে গেছিল সেটাই তো সত্য!” কালের সংলাপের আলোচনায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসেরও তীব্র সমালোচনা করেন
এই সাংবাদিক। ড. ইউনূসকে ‘ফটকাবাজ’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘সবদিক থেকে এই প্রতারণার ফলে যখন ড. ইউনূস এলেন, আমি খুব আশাবাদী হইনি। ইউনূস যে একটা ফটকাবাজ, এটা আমরা আগে থেকেই জানতাম। ওয়ান-ইলেভেনের সময়ও তিনি এই ফটকাবাজ রাজনীতি করার জন্য মাঠে নেমেছিলেন।’ তিনি দাবি করেন, সে সময় ড. ইউনূস রাজনীতিতে আসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলেও ক্ষমতা দখলের ‘গোপন খায়েশ’ তাঁর ভেতরে ঠিকই রয়ে গিয়েছিল। কারামুক্তি ও নিজের বর্তমান অবস্থা নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করে আনিস আলমগীর বলেন, ‘আমার জীবনের সবচেয়ে দুঃখজনক অধ্যায় হচ্ছে, যে যেভাবে পারছে আমাকে রাজনৈতিক ট্যাগ দিচ্ছে। কেউ আমাকে লাল বান্দর বলছে, কেউ কালা বান্দর বলছে।’ তবে কারামুক্তির পর মানুষের
ভালোবাসা পেয়েছেন এবং সরকারের উচ্চপর্যায়ের ‘রহমতে’ বড় কোনো মামলার প্যাঁচে পড়েননি বলেও তিনি স্বীকার করেন। আন্দোলনের সময় নিজে সরকারের সমালোচনা করলেও এখন সেই অবস্থানের জন্য অনুতাপ প্রকাশ করেছেন তিনি। তার মতে, বিরোধী দলও সেই সময় জাতীয় সম্পদ নষ্ট করেছিল এবং শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করার মতো কোনো যোগ্য নেতাই তারা তৈরি করতে পারেনি। সেদিন সমর্থন জানালেও আজকের দিনে এসে তার মনে হচ্ছে, ওই সমর্থনটা ভুল ছিল।



