ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তদন্তের আগেই দুই কৃষি কর্মকর্তাকে বদলি, ডিএই’র ডিজি লাঞ্ছিত
পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক, ঝুঁকিতে হাজারো আমানতকারীর অর্থ
জুলাই গেজেট স্ক্যাম: ছাদ থেকে পড়ে যাওয়া আখতারুজ্জামান নাঈমকে বানানো হয় জুলাই শহীদ
থানা পোড়ানো, পুলিশ হত্যাকারী সেই সমন্বয়ক মাহদী এখন মবের ভয়ে থানায় আশ্রয়ের সন্ধানে
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
কালের কণ্ঠের বৈশাখী আড্ডায় বিশিষ্টজনেরা উঠে এল ‘মব সংস্কৃতি’ ও সাংবাদিক হয়রানির কথা
দৈনিক কালের কণ্ঠ–এর কার্যালয়ে আয়োজিত এক বৈশাখী আড্ডা পরিণত হয়েছিল সমসাময়িক রাজনীতি ও রাষ্ট্রচিন্তার এক অনানুষ্ঠানিক সংলাপে। উৎসব উদ্যাপনের পাশাপাশি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, ‘মব সংস্কৃতি’, সাংবাদিক হয়রানি এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনা করেছেন দেশের খ্যাতিমান রাজনৈতিক বিশ্লেষক, সাংবাদিক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বরা।
টক শোর টেবিলে সাধারণত যাঁরা যুক্তিতর্কে মেতে থাকেন, তাঁরাই এই আড্ডায় অংশ নেন। আড্ডার একপর্যায়ে আলোচনা গড়ায় বাঙালি সংস্কৃতির ওপর আঘাত ও তা প্রতিরোধের অঙ্গীকারের দিকে। সেখানে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার বিভিন্ন ঘটনার সমালোচনা করা হয়।
পয়লা বৈশাখ নিয়ে নিজের শৈশবের স্মৃতিচারণা করে রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি বলেন, ‘সেই স্মৃতি ড. মোহাম্মদ ইউনূসের জামানাতে এসে কী
হলো? সেই স্মৃতির সঙ্গে সাম্প্রদায়িকতা এল, সেই স্মৃতির সঙ্গে মাজার ভাঙা এল, সেই স্মৃতির সঙ্গে মব এল।’ সরকারের সমালোচনা করায় নিজের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আবদুন নূর তুষার। একজন উপদেষ্টাকে প্রত্যাখ্যান করার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘আমি বলেছিলাম যে আমি উপদেষ্টাটাকে প্রত্যাখ্যান করলাম। তো ওনার চামচারা সাথে সাথে আমার ওপরে আক্রমণ শুরু করল...একপর্যায়ে আমি প্রতি মাসে গ্রেপ্তারের হুমকি পেতাম।’ এমন পরিস্থিতির মধ্যেও সাহসিকতার সঙ্গে সত্য প্রকাশের জন্য তিনি কালের কণ্ঠের ভূমিকার প্রশংসা করেন। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মোস্তফা ফিরোজ বলেন, ‘গত ১৮টা মাস আমার কাছে মনে হয়েছে শেখ হাসিনার ১৫ বছরের বিভীষিকার থেকেও আরও
বড় বিভীষিকা।’ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা ও হয়রানির সমালোচনা ব্যতিক্রমী এই আড্ডায় কারানির্যাতিত সাংবাদিকদের প্রসঙ্গও গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা ও হয়রানির কড়া সমালোচনা করেন উপস্থিত রাজনৈতিক বিশ্লেষক, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা। ক্ষমতার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে কালের কণ্ঠ দেশ ও সাধারণ মানুষের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছে বলে মত দেন তাঁরা। অনুষ্ঠানে কালের কণ্ঠ–এর নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলী বলেন, দেশকে অবরুদ্ধ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের এই আয়োজনে অতিথিদের উপস্থিতি পত্রিকাটিকে সাহস জোগাবে। এই আড্ডা শুধু স্মৃতিচারণাতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং এটি একটি আনুষ্ঠানিক জাতীয় সংলাপে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। অনুষ্ঠানে কালের কণ্ঠ–এর সম্পাদক হাসান হাফিজ অতিথিদের
উদ্দেশে বলেন, ‘আপনাদের অংশগ্রহণ ও সম্পৃক্তি আমাদের আরও এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা দেবে। আমরা সম্মিলিতভাবে দেশের কল্যাণ চাই। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় লালিত ও বিকশিত হয়ে আমরা ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে সব সময় লড়াই করে যাব। মুক্তিযুদ্ধের প্রশ্নে কোনো আপস নেই।’
হলো? সেই স্মৃতির সঙ্গে সাম্প্রদায়িকতা এল, সেই স্মৃতির সঙ্গে মাজার ভাঙা এল, সেই স্মৃতির সঙ্গে মব এল।’ সরকারের সমালোচনা করায় নিজের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আবদুন নূর তুষার। একজন উপদেষ্টাকে প্রত্যাখ্যান করার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘আমি বলেছিলাম যে আমি উপদেষ্টাটাকে প্রত্যাখ্যান করলাম। তো ওনার চামচারা সাথে সাথে আমার ওপরে আক্রমণ শুরু করল...একপর্যায়ে আমি প্রতি মাসে গ্রেপ্তারের হুমকি পেতাম।’ এমন পরিস্থিতির মধ্যেও সাহসিকতার সঙ্গে সত্য প্রকাশের জন্য তিনি কালের কণ্ঠের ভূমিকার প্রশংসা করেন। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মোস্তফা ফিরোজ বলেন, ‘গত ১৮টা মাস আমার কাছে মনে হয়েছে শেখ হাসিনার ১৫ বছরের বিভীষিকার থেকেও আরও
বড় বিভীষিকা।’ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা ও হয়রানির সমালোচনা ব্যতিক্রমী এই আড্ডায় কারানির্যাতিত সাংবাদিকদের প্রসঙ্গও গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা ও হয়রানির কড়া সমালোচনা করেন উপস্থিত রাজনৈতিক বিশ্লেষক, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা। ক্ষমতার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে কালের কণ্ঠ দেশ ও সাধারণ মানুষের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছে বলে মত দেন তাঁরা। অনুষ্ঠানে কালের কণ্ঠ–এর নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলী বলেন, দেশকে অবরুদ্ধ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের এই আয়োজনে অতিথিদের উপস্থিতি পত্রিকাটিকে সাহস জোগাবে। এই আড্ডা শুধু স্মৃতিচারণাতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং এটি একটি আনুষ্ঠানিক জাতীয় সংলাপে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। অনুষ্ঠানে কালের কণ্ঠ–এর সম্পাদক হাসান হাফিজ অতিথিদের
উদ্দেশে বলেন, ‘আপনাদের অংশগ্রহণ ও সম্পৃক্তি আমাদের আরও এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা দেবে। আমরা সম্মিলিতভাবে দেশের কল্যাণ চাই। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় লালিত ও বিকশিত হয়ে আমরা ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে সব সময় লড়াই করে যাব। মুক্তিযুদ্ধের প্রশ্নে কোনো আপস নেই।’



