ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল
চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা
ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট
ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না
হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি
ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প
গাজা যুদ্ধে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরাইল
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টাকে তোয়াক্কা না করে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই গাজায় পুনরায় পূর্ণমাত্রায় সামরিক অভিযান শুরু করার পরিকল্পনা করছে ইসরাইল।
ইসরাইলি সম্প্রচারমাধ্যম ‘চ্যানেল ১২’জানায়, আগামী অক্টোবরের অভ্যন্তরীণ নির্বাচনের আগেই, অর্থাৎ আগামী দুই মাসের মধ্যে গাজায় নতুন করে সংঘাত শুরু হতে পারে বলে ধারণা করছেন দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তারা।
ইসরাইলি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেল আবিব আশা করছে মার্কিন নেতৃত্বাধীন ‘বোর্ড অব পিস’ আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে হামাসকে চুক্তি লঙ্ঘনের দায়ে অভিযুক্ত করবে।
ইসরাইলের দাবি, হামাস তাদের অস্ত্র সমর্পণে অস্বীকৃতি জানিয়ে যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করেছে। আন্তর্জাতিক এই বোর্ডের পক্ষ থেকে এমন কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলে, তা গাজার যেসব
এলাকা বর্তমানে ইসরাইলি নিয়ন্ত্রণের বাইরে রয়েছে, সেখানে নতুন করে বড় ধরনের সামরিক অভিযান ও আগ্রাসন চালানোর পথ সুগম করবে। চ্যানেল ১২ একটি রাজনৈতিক সূত্রের বরাতে আরও জানিয়েছে, এই বোর্ডের ডিরেক্টর-জেনারেল নিকোলে ম্লাদেনভ প্রায় দুই মাস আগেই হামাসকে চুক্তি ভঙ্গকারী হিসেবে ঘোষণা করার কথা বিবেচনা করেছিলেন। তবে মধ্যস্থতাকারীদের অনুরোধে তখন সেই সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা হয়। ওই সূত্রটি সতর্ক করে বলেছে, আগামী তিন মাসের মধ্যে পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন না হলে ম্লাদেনভ আনুষ্ঠানিকভাবে হামাসকে চুক্তি লঙ্ঘনকারী হিসেবে ঘোষণা করবেন। উল্লেখ্য, গাজা সংকটের একটি স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সভাপতিত্বে গত জানুয়ারিতে এই ‘বোর্ড অব পিস’ গঠিত হয়। এর আগে গাজায় দীর্ঘ দুই বছর
ধরে চলা ভয়াবহ ইসরায়েলি আগ্রাসন ও গণহত্যার অবসান ঘটাতে ২০২৫ সালের অক্টোবরে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ওই দীর্ঘমেয়াদি ইসরাইলি হামলায় প্রায় ৭২ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হন এবং গাজা উপত্যকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়ে বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ মানবিক সংকটের সৃষ্টি হয়। তবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকেই ইসরাইল ক্রমাগত চুক্তি লঙ্ঘন করে চলেছে। যুদ্ধবিরতির পর থেকে এখন পর্যন্ত তারা এক হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে, তথাকথিত বাফার জোন বা নিরাপদ অঞ্চলের সীমানা বাড়িয়েছে এবং গাজায় মানবিক সাহায্য প্রবেশের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা বজায় রেখেছে। অন্যদিকে হামাসের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ইসরাইল যতক্ষণ না পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপের সমস্ত বাধ্যবাধকতা পুরোপুরি
পূরণ করছে, ততক্ষণ তারা অস্ত্র সমর্পণের মতো কোনো বিষয়ে আলোচনাতেই অংশ নেবে না। সূত্র: মিডল ইস্ট আই।
এলাকা বর্তমানে ইসরাইলি নিয়ন্ত্রণের বাইরে রয়েছে, সেখানে নতুন করে বড় ধরনের সামরিক অভিযান ও আগ্রাসন চালানোর পথ সুগম করবে। চ্যানেল ১২ একটি রাজনৈতিক সূত্রের বরাতে আরও জানিয়েছে, এই বোর্ডের ডিরেক্টর-জেনারেল নিকোলে ম্লাদেনভ প্রায় দুই মাস আগেই হামাসকে চুক্তি ভঙ্গকারী হিসেবে ঘোষণা করার কথা বিবেচনা করেছিলেন। তবে মধ্যস্থতাকারীদের অনুরোধে তখন সেই সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা হয়। ওই সূত্রটি সতর্ক করে বলেছে, আগামী তিন মাসের মধ্যে পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন না হলে ম্লাদেনভ আনুষ্ঠানিকভাবে হামাসকে চুক্তি লঙ্ঘনকারী হিসেবে ঘোষণা করবেন। উল্লেখ্য, গাজা সংকটের একটি স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সভাপতিত্বে গত জানুয়ারিতে এই ‘বোর্ড অব পিস’ গঠিত হয়। এর আগে গাজায় দীর্ঘ দুই বছর
ধরে চলা ভয়াবহ ইসরায়েলি আগ্রাসন ও গণহত্যার অবসান ঘটাতে ২০২৫ সালের অক্টোবরে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ওই দীর্ঘমেয়াদি ইসরাইলি হামলায় প্রায় ৭২ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হন এবং গাজা উপত্যকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়ে বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ মানবিক সংকটের সৃষ্টি হয়। তবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকেই ইসরাইল ক্রমাগত চুক্তি লঙ্ঘন করে চলেছে। যুদ্ধবিরতির পর থেকে এখন পর্যন্ত তারা এক হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে, তথাকথিত বাফার জোন বা নিরাপদ অঞ্চলের সীমানা বাড়িয়েছে এবং গাজায় মানবিক সাহায্য প্রবেশের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা বজায় রেখেছে। অন্যদিকে হামাসের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ইসরাইল যতক্ষণ না পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপের সমস্ত বাধ্যবাধকতা পুরোপুরি
পূরণ করছে, ততক্ষণ তারা অস্ত্র সমর্পণের মতো কোনো বিষয়ে আলোচনাতেই অংশ নেবে না। সূত্র: মিডল ইস্ট আই।





