ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চাঁদা না পেয়ে সরকারি নিয়মের অজুহাতে চেয়ারম্যানের ওপর বিএনপি নেতাদের মব
ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামি গ্রেপ্তারে এনসিপি-ইনকিলাব মঞ্চে আতঙ্ক
যে দেশে ফুল নিয়ে হাঁটা বিপজ্জনক : একটা ভাঙা বাড়ি, চারটা গ্রেপ্তার, একটা প্রশ্ন
অগ্নিঝরা ৮ মার্চ: বঙ্গবন্ধুর দর্শনে নারী-সমতা ও সোনার বাংলার প্রতিশ্রুতি
বিএনপির স্মৃতিশক্তি বড় অদ্ভুত, নিজের ঘোষিত সন্ত্রাসীকেই চিনতে পারে না!
মন্দিরে বোমা হামলা, পুরোহিত হাসপাতালে—সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা কোথায়?
৪ হাজার সদস্য নিয়ে সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর ঘিরে যৌথবাহিনীর অভিযান চলছে
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চাচতো ভাই শেখ কবির হোসেন এর মৃত্যুতে জননেত্রী শেখ হাসিনার শোক বার্তা
আমার গভীর শোক ও দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, টুঙ্গিপাড়ার ঐতিহ্যবাহী শেখ পরিবারের সন্তান, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চাচতো ভাই এবং আমার চাচা, শেখ কবির হোসেন আমাদের মাঝে নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)
১৪ ফেব্রুয়ারি, শনিবার সকাল দশটায় স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। তাঁর মৃত্যুতে আমরা একজন ত্যাগী, দেশপ্রেমিক ও সমাজসেবী ব্যক্তিত্বকে হারালাম।
মরহুম শেখ কবির হোসেন দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বীমা ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রেখেছেন। তিনি ছিলেন সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড, ন্যাশনাল টি কোম্পানি লিমিটেড, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন-এর চেয়ারপারসন। তিনি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল
কলেজ হাসপাতাল এবং খান সাহেব শেখ মোশাররফ হোসেন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, যা দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে অমোঘ অবদান রেখেছে। মরহুম শেখ কবির হোসেন মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবসময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন। তিনি দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সমাজসেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তিনি তিন সন্তান — দুই ছেলে ও এক মেয়ে — রেখে গেছেন। আমি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে ধৈর্য, সাহস ও সামর্থ্য প্রদানের আহ্বান জানাই।
কলেজ হাসপাতাল এবং খান সাহেব শেখ মোশাররফ হোসেন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, যা দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে অমোঘ অবদান রেখেছে। মরহুম শেখ কবির হোসেন মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবসময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন। তিনি দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সমাজসেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তিনি তিন সন্তান — দুই ছেলে ও এক মেয়ে — রেখে গেছেন। আমি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে ধৈর্য, সাহস ও সামর্থ্য প্রদানের আহ্বান জানাই।



