ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিএনপি সরকারের ক্যাঙ্গারু কোর্টে ছাত্রলীগ সভাপতি ও সম্পাদকসহ ৭ জনের ফাঁসির রায়
ইউনূস ও তার উপদেষ্টাদের মহা লুটপাট-অর্থ পাচারের খতিয়ান ক্রমশ প্রকাশ্যে
রাজধানীতে চলমান তল্লাশি ও গণগ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের
আত্মগোপন থেকে ২ বছর পর বাড়ি ফিরতেই পরিবারের সামনে যুবলীগ সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যা
ঘরে ঢুকে ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদককে পেটালেন ছাত্রলীগ নেতা
প্রশাসনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের মিছিল
রুমিন আপার মধ্যে হাসিনার ছায়া দেখা যায়: রাশেদ খাঁন
পক্ষপাতদুষ্ট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: সাত নেতার বিরুদ্ধে রায় প্রত্যাখ্যান আওয়ামী লীগের
বিএনপি সরকার পরিচালিত ক্যাঙ্গারু আদালতে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সাত নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায়কে ‘একপেশে, পক্ষপাতদুষ্ট ও বানোয়াট’ আখ্যা দিয়ে তা সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
আজ ১৫ই সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার দলটির পক্ষ থেকে দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় এ কথা জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন ও আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আইনের সর্বজনস্বীকৃত মৌলিক নীতিমালাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে তড়িঘড়ি করে এই বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে, যা আইনের শাসনের পরিবর্তে দায়মুক্তি ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার সংস্কৃতিকেই উৎসাহিত করছে।
দলটির ভাষ্য, শুধু আজকের রায় নয়, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের পর থেকে ট্রাইব্যুনালের সব কার্যক্রমই আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন।
আওয়ামী লীগের অভিযোগ, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার অধ্যাদেশের
মাধ্যমে ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধন করে পুরো প্রক্রিয়াটিকে দলটির বিরুদ্ধে পরিচালিত একটি প্রতিশোধমূলক ‘বিচারিক হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনায়’ রূপান্তরিত করেছে। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সরকার প্রসিকিউশন ও বিচারিক প্যানেল গঠনে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির পদধারী ও সক্রিয় কর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দায়ের করেছে। বিচারপ্রক্রিয়া প্রসঙ্গে দলটি বলেছে, অভিযুক্তদের আত্মপক্ষ সমর্থনের প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সময় ও সুযোগ দেওয়া আন্তর্জাতিক আইনের স্বীকৃত নীতি হলেও অভিযোগ গঠনের মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যেই বিচার শুরু হয়, যা কার্যকর আইনি প্রস্তুতির মৌলিক অধিকারকে সংকুচিত করেছে। প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত ডিজিটাল সাক্ষ্য আন্তর্জাতিক আদালতের বিধি ও
ইন্টারন্যাশনাল বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্দেশনা লঙ্ঘন করে দাখিল করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়। বিবৃতির ভাষ্যে, প্রসিকিউশন সাক্ষীদের জবানবন্দিতে একাধিক ক্ষেত্রে হুবহু অভিন্ন ভাষা ও অসংগতি পাওয়া গেছে, যা সাক্ষ্যের সত্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। দলটির অভিযোগ, ভীতি প্রদর্শন ও হুমকির মাধ্যমে আসামিপক্ষের আইনজীবীদের অধিকার ক্রমাগত সীমিত করা হয়েছে এবং সাক্ষীদের স্বাধীনভাবে জেরা করার ক্ষমতাও মারাত্মকভাবে খর্ব করা হয়েছে, যা নিরপেক্ষ বিচারব্যবস্থার মূল ধারণার পরিপন্থী। আজকের রায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত কেউই ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন না উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, অনুপস্থিতিতে বিচারের ক্ষেত্রেও নিজের পছন্দের আইনজীবী নিয়োগের অধিকারসহ ন্যূনতম আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক হলেও তা সম্পূর্ণ উপেক্ষিত হয়েছে। বিবৃতিতে জাতিসংঘের নির্বিচার আটকবিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপের বরাত দিয়ে
বলা হয়, সুনির্দিষ্ট ও বস্তুনিষ্ঠ প্রমাণ ছাড়াই প্রসিকিউটরদের গ্রেপ্তারের আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে এবং আটক ব্যক্তিদের মাসের পর মাস সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই বন্দি রাখা নিয়ে বিশেষজ্ঞ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো উদ্বেগ জানিয়েছে। অভিযুক্তদের পৃথক আদালতে অন্তর্বর্তী আপিলের অধিকার থেকেও বঞ্চিত করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আদেশ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ বলেছে, ১৯৭৩ সালের আইনে অভিযুক্তের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার কোনো বিধান না থাকা সত্ত্বেও ট্রাইব্যুনাল তার বিচারিক এখতিয়ার অতিক্রম করে অসাংবিধানিক ও বেআইনিভাবে এই আদেশ দিয়েছে, যা বিচারকদের প্রতিহিংসাপরায়ণ মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। বিবৃতিতে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ও জাতিসংঘসহ মানবাধিকার সংস্থাগুলো আগেই এই ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে গভীর উদ্বেগ
প্রকাশ করেছে। দলটির ভাষ্য, ১৯৭১ সালের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের মহৎ উদ্দেশ্যে গঠিত ট্রাইব্যুনালকে বর্তমান সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে ও আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করতে ব্যবহার করছে; ফলে ‘রাজনৈতিকভাবে অনুগত আদালতের’ এই রায়ের কোনো আইনি কর্তৃত্ব নেই। সবশেষে বিবৃতিতে বলা হয়, জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অদূর ভবিষ্যতে একটি গণতান্ত্রিক ও আইনানুগ সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে এবং সেদিন আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় জুলাই-আগস্টের সব হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করা হবে। ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানে শেষ হয় দলটির আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া।
মাধ্যমে ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধন করে পুরো প্রক্রিয়াটিকে দলটির বিরুদ্ধে পরিচালিত একটি প্রতিশোধমূলক ‘বিচারিক হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনায়’ রূপান্তরিত করেছে। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সরকার প্রসিকিউশন ও বিচারিক প্যানেল গঠনে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির পদধারী ও সক্রিয় কর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দায়ের করেছে। বিচারপ্রক্রিয়া প্রসঙ্গে দলটি বলেছে, অভিযুক্তদের আত্মপক্ষ সমর্থনের প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সময় ও সুযোগ দেওয়া আন্তর্জাতিক আইনের স্বীকৃত নীতি হলেও অভিযোগ গঠনের মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যেই বিচার শুরু হয়, যা কার্যকর আইনি প্রস্তুতির মৌলিক অধিকারকে সংকুচিত করেছে। প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত ডিজিটাল সাক্ষ্য আন্তর্জাতিক আদালতের বিধি ও
ইন্টারন্যাশনাল বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্দেশনা লঙ্ঘন করে দাখিল করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়। বিবৃতির ভাষ্যে, প্রসিকিউশন সাক্ষীদের জবানবন্দিতে একাধিক ক্ষেত্রে হুবহু অভিন্ন ভাষা ও অসংগতি পাওয়া গেছে, যা সাক্ষ্যের সত্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। দলটির অভিযোগ, ভীতি প্রদর্শন ও হুমকির মাধ্যমে আসামিপক্ষের আইনজীবীদের অধিকার ক্রমাগত সীমিত করা হয়েছে এবং সাক্ষীদের স্বাধীনভাবে জেরা করার ক্ষমতাও মারাত্মকভাবে খর্ব করা হয়েছে, যা নিরপেক্ষ বিচারব্যবস্থার মূল ধারণার পরিপন্থী। আজকের রায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত কেউই ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন না উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, অনুপস্থিতিতে বিচারের ক্ষেত্রেও নিজের পছন্দের আইনজীবী নিয়োগের অধিকারসহ ন্যূনতম আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক হলেও তা সম্পূর্ণ উপেক্ষিত হয়েছে। বিবৃতিতে জাতিসংঘের নির্বিচার আটকবিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপের বরাত দিয়ে
বলা হয়, সুনির্দিষ্ট ও বস্তুনিষ্ঠ প্রমাণ ছাড়াই প্রসিকিউটরদের গ্রেপ্তারের আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে এবং আটক ব্যক্তিদের মাসের পর মাস সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই বন্দি রাখা নিয়ে বিশেষজ্ঞ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো উদ্বেগ জানিয়েছে। অভিযুক্তদের পৃথক আদালতে অন্তর্বর্তী আপিলের অধিকার থেকেও বঞ্চিত করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আদেশ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ বলেছে, ১৯৭৩ সালের আইনে অভিযুক্তের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার কোনো বিধান না থাকা সত্ত্বেও ট্রাইব্যুনাল তার বিচারিক এখতিয়ার অতিক্রম করে অসাংবিধানিক ও বেআইনিভাবে এই আদেশ দিয়েছে, যা বিচারকদের প্রতিহিংসাপরায়ণ মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। বিবৃতিতে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ও জাতিসংঘসহ মানবাধিকার সংস্থাগুলো আগেই এই ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে গভীর উদ্বেগ
প্রকাশ করেছে। দলটির ভাষ্য, ১৯৭১ সালের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের মহৎ উদ্দেশ্যে গঠিত ট্রাইব্যুনালকে বর্তমান সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে ও আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করতে ব্যবহার করছে; ফলে ‘রাজনৈতিকভাবে অনুগত আদালতের’ এই রায়ের কোনো আইনি কর্তৃত্ব নেই। সবশেষে বিবৃতিতে বলা হয়, জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অদূর ভবিষ্যতে একটি গণতান্ত্রিক ও আইনানুগ সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে এবং সেদিন আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় জুলাই-আগস্টের সব হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করা হবে। ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানে শেষ হয় দলটির আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া।



