ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সূচি প্রকাশিত
শচীনকে পেরিয়ে টেলরের নতুন বিশ্ব রেকর্ড
নারী এশিয়া কাপের ফাইনালেও চ্যাম্পিয়ন ভারত ও নকভির ট্রফি নাটক
ম্যানচেস্টার ডার্বিতে হলান্ডের গোল ভুল ছিল, স্বীকার করল প্রফেশনাল গেম রেফারিজ
শেলটনকে হারিয়ে ইউএস ওপেনের মুকুট জভেরেভের
উত্তর কোরিয়ার কাছে ১০-০ গোলে উড়ে গেল বাংলাদেশ, হারের নতুন রেকর্ড
ইউএস ওপেনে হেরে র্যাকেট ভাঙলেন সাবালেঙ্কা
বিশ্বকাপ বর্জন করে বাংলাদেশের ক্রিকেটের স্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত নেয় অন্তর্বর্তী সরকার: তদন্ত কমিটি
চলতি বছরের আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ না করার পেছনে তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারকে দায়ী করেছে এই ঘটনা তদন্তে গঠিত তিন সদস্যের কমিটি।
মঙ্গলবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত কমিটির সদস্য ও ক্রীড়া সংগঠক ব্যরিস্টার ফয়সাল দস্তগীর সাংবাদিকদের বলেন, ‘গণমাধ্যমের সংবাদ বিশ্লেষণ এবং বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে, সে সময় সরকারের দায়িত্বে থাকা ড. আসিফ নজরুল এর জন্য দায়ী ছিলেন এবং ওই সরকারও দায়ী ছিল।’
সংবাদ সম্মেলনে কমিটি তাদের ২২ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশ নিতে না পারার পেছনে সম্ভাব্য মূল কারণগুলো চিহ্নিত করা হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারত ও বাংলাদেশের
মধ্যকার রাজনৈতিক উত্তেজনা, আইসিসির ভেন্যু পরিবর্তন করতে অস্বীকৃতি জানানো এবং সরকারের হস্তক্ষেপের কারণে বিষয়টি মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হয়েছে। পাশাপাশি বিসিবি’র আলোচনা পরিচালনায় ব্যর্থতাকে উচ্চ প্রভাব এবং পারস্পরিক যোগাযোগের ঘাটতিকে মাঝারি প্রভাব হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কমিটি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, বাংলাদেশের অনুপস্থিতির কারণে সবচেয়ে বড় ক্ষতির শিকার হয়েছেন দেশের ক্রিকেটার ও সমর্থকেরা। ব্যরিস্টার ফয়সাল আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের অবশ্যই ওই টুর্নামেন্টে গিয়ে অংশগ্রহণ করা উচিত ছিল।’ ভবিষ্যতের জন্য কমিটি বেশ কিছু সুপারিশ প্রদান করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ক্রিকেটকে রাজনৈতিক বিরোধ থেকে দূরে রাখা, বিসিবি’র স্বায়ত্তশাসন জোরদার করা, সংকটকালীন যোগাযোগের উন্নতি ঘটানো, খেলোয়াড়দের কল্যাণ ও নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং একটি জাতীয় ক্রীড়া কূটনীতি রূপরেখা তৈরি
করা। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে অনুষ্ঠিত আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশ না নেওয়ার কারণ অনুসন্ধানে গত ১০ মে এই তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. এ কে এম অলি উল্লাহকে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটির অন্য দুই সদস্য ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ক্রীড়া সংগঠক ব্যরিস্টার ফয়সাল দস্তগীর। কমিটিকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে বিস্তারিত প্রতিবেদন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশনা এবং নিরাপত্তা শঙ্কার কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ভারতে দল
না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ফলে ২০ দলের ওই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের স্থলাভিষিক্ত করা হয় স্কটল্যান্ডকে। এর আগে মার্চ মাসে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ঘোষণা দিয়েছিলেন, বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ার পেছনের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। খেলোয়াড়দের টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও অন্তর্বর্তী সরকারের নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগের কারণে নেওয়া বিসিবি’র এই সিদ্ধান্তটি দেশের ক্রিকেট আঙিনায় তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি করেছিল। মূলত ঘটনার সূত্রপাত ঘটেছিল ৩ জানুয়ারি, যখন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) নির্দেশনায় কলকাতা নাইট রাইডার্স বাংলাদেশের ফাস্ট বোলার মোস্তাফিজুর রহমানকে দল থেকে মুক্তি দেয়। পরবর্তীতে বিসিবি ও আইসিসির মধ্যে টানা আলোচনা চললেও কোনো পক্ষই তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেনি। ফলে
সৃষ্টি হওয়া অচলবস্থায় শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপের মঞ্চ থেকে ছিটকে যায় বাংলাদেশ।
মধ্যকার রাজনৈতিক উত্তেজনা, আইসিসির ভেন্যু পরিবর্তন করতে অস্বীকৃতি জানানো এবং সরকারের হস্তক্ষেপের কারণে বিষয়টি মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হয়েছে। পাশাপাশি বিসিবি’র আলোচনা পরিচালনায় ব্যর্থতাকে উচ্চ প্রভাব এবং পারস্পরিক যোগাযোগের ঘাটতিকে মাঝারি প্রভাব হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কমিটি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, বাংলাদেশের অনুপস্থিতির কারণে সবচেয়ে বড় ক্ষতির শিকার হয়েছেন দেশের ক্রিকেটার ও সমর্থকেরা। ব্যরিস্টার ফয়সাল আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের অবশ্যই ওই টুর্নামেন্টে গিয়ে অংশগ্রহণ করা উচিত ছিল।’ ভবিষ্যতের জন্য কমিটি বেশ কিছু সুপারিশ প্রদান করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ক্রিকেটকে রাজনৈতিক বিরোধ থেকে দূরে রাখা, বিসিবি’র স্বায়ত্তশাসন জোরদার করা, সংকটকালীন যোগাযোগের উন্নতি ঘটানো, খেলোয়াড়দের কল্যাণ ও নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং একটি জাতীয় ক্রীড়া কূটনীতি রূপরেখা তৈরি
করা। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে অনুষ্ঠিত আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশ না নেওয়ার কারণ অনুসন্ধানে গত ১০ মে এই তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. এ কে এম অলি উল্লাহকে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটির অন্য দুই সদস্য ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ক্রীড়া সংগঠক ব্যরিস্টার ফয়সাল দস্তগীর। কমিটিকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে বিস্তারিত প্রতিবেদন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশনা এবং নিরাপত্তা শঙ্কার কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ভারতে দল
না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ফলে ২০ দলের ওই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের স্থলাভিষিক্ত করা হয় স্কটল্যান্ডকে। এর আগে মার্চ মাসে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ঘোষণা দিয়েছিলেন, বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ার পেছনের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। খেলোয়াড়দের টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও অন্তর্বর্তী সরকারের নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগের কারণে নেওয়া বিসিবি’র এই সিদ্ধান্তটি দেশের ক্রিকেট আঙিনায় তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি করেছিল। মূলত ঘটনার সূত্রপাত ঘটেছিল ৩ জানুয়ারি, যখন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) নির্দেশনায় কলকাতা নাইট রাইডার্স বাংলাদেশের ফাস্ট বোলার মোস্তাফিজুর রহমানকে দল থেকে মুক্তি দেয়। পরবর্তীতে বিসিবি ও আইসিসির মধ্যে টানা আলোচনা চললেও কোনো পক্ষই তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেনি। ফলে
সৃষ্টি হওয়া অচলবস্থায় শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপের মঞ্চ থেকে ছিটকে যায় বাংলাদেশ।



