ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঘড়ি কিনতে গিয়ে পরিচয়, অতঃপর প্রতারণা ও ধর্ষণ: এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা
ছাত্রলীগের সাবেক ১৬ সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের যৌথ বিবৃতি: অবৈধ ক্যাঙ্গারু কোর্টের রায় ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান
৭ মাসে ১৫ হাজার শিশু নিখোঁজ || নিখোঁজ শিশুর অঙ্গ পাচার, ৭ মাস পর মাহফিলে ভিক্ষা করতে এসে বাবার সঙ্গে দেখা
ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনে এলো আরও ৪৭ লাখ লিটার ডিজেল
‘মা মাটি মোহনা বিদেশিদের দেব না’ স্লোগানে চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের কাছে ইজারা বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ
রায় বহাল, ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতেই হবে
আওয়ামী লীগের মিছিল মানেই পুলিশের গ্রেপ্তার বাণিজ্য রমরমা!
মানবাধিকার সংগঠন জেএমবিএফ-এর তীব্র নিন্দা: বিচারিক মানদণ্ড অনুসরণ না করেই আওয়ামী লীগের ৭ নেতার রায় ঘোষণা
আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ন্যূনতম বিচারিক মানদণ্ড অনুসরণ না করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাত শীর্ষ নেতাকে অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ফ্রান্সভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ)।
আজ ১৫ই সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানকে মৃত্যুদণ্ড দেন।
রায়ে তাদের মধ্যে পাঁচজনের সম্পত্তির অর্ধেক বাজেয়াপ্ত করে তা
জুলাইয়ের নিহতদের পরিবার ও আহত ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার আদেশও দেওয়া হয়েছে। জেএমবিএফের ভাষ্য অনুযায়ী, কার্যকর আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত না করে দেওয়া এই দণ্ড ন্যায়বিচারের প্রতিফলন নয়, বরং বিচারব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রতিশোধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের নজির। সংগঠনটি বলছে, সব আসামির অনুপস্থিতিতে বিচার সম্পন্ন করা, তাদের পছন্দের আইনজীবীর মাধ্যমে প্রতিরক্ষার সুযোগ না থাকা, প্রসিকিউশনের সাক্ষ্য-প্রমাণ অর্থপূর্ণভাবে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ নিয়ে প্রশ্ন এবং স্বাধীন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণের অনুপস্থিতি পুরো প্রক্রিয়ার গ্রহণযোগ্যতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। একই সঙ্গে সংগঠনটি স্পষ্ট করেছে, জুলাইয়ের সময় সংঘটিত হত্যা, নির্যাতন ও অন্যান্য গুরুতর অপরাধের নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের বিচার অবশ্যই হতে হবে এবং ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবার সত্য, ন্যায়বিচার
ও ক্ষতিপূরণের অধিকারী। তবে ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বাস্তবায়নের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা গ্রহণযোগ্য নয় বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। জেএমবিএফ মনে করে, জবাবদিহির নামে পক্ষপাতদুষ্ট বিচার প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের পথকেও দুর্বল করে দেয়; আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচার কখনোই বিজয়ীর বিচার বা বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিকে নিশ্চিহ্ন করার প্রক্রিয়ায় পরিণত হতে পারে না। সংগঠনটি দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘোষণা করেছে, প্রশ্নবিদ্ধ এই প্রক্রিয়ায় দেওয়া মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলে তা ন্যায়বিচার নয়, বরং রাষ্ট্রের কর্তৃত্বে সংঘটিত একটি অপরিবর্তনীয় বিচারিক হত্যাকাণ্ড হিসেবে গণ্য হবে। বিবৃতিতে মৃত্যুদণ্ডকে জীবনের অধিকারের চূড়ান্ত লঙ্ঘন এবং নিষ্ঠুর, অমানবিক ও অপমানজনক শাস্তি হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়, এটি বিচারিক ভুল সংশোধনের সব পথ স্থায়ীভাবে বন্ধ করে
দেয়। পাঁচ আসামির সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আদেশ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে সংগঠনটি বলেছে, রাজনৈতিক পরিচয় বা পারিবারিক সম্পর্কের ভিত্তিতে সম্পদ কেড়ে নেওয়া হলে তা সম্মিলিত শাস্তি ও রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের শামিল হবে।
জুলাইয়ের নিহতদের পরিবার ও আহত ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার আদেশও দেওয়া হয়েছে। জেএমবিএফের ভাষ্য অনুযায়ী, কার্যকর আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত না করে দেওয়া এই দণ্ড ন্যায়বিচারের প্রতিফলন নয়, বরং বিচারব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রতিশোধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের নজির। সংগঠনটি বলছে, সব আসামির অনুপস্থিতিতে বিচার সম্পন্ন করা, তাদের পছন্দের আইনজীবীর মাধ্যমে প্রতিরক্ষার সুযোগ না থাকা, প্রসিকিউশনের সাক্ষ্য-প্রমাণ অর্থপূর্ণভাবে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ নিয়ে প্রশ্ন এবং স্বাধীন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণের অনুপস্থিতি পুরো প্রক্রিয়ার গ্রহণযোগ্যতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। একই সঙ্গে সংগঠনটি স্পষ্ট করেছে, জুলাইয়ের সময় সংঘটিত হত্যা, নির্যাতন ও অন্যান্য গুরুতর অপরাধের নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের বিচার অবশ্যই হতে হবে এবং ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবার সত্য, ন্যায়বিচার
ও ক্ষতিপূরণের অধিকারী। তবে ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বাস্তবায়নের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা গ্রহণযোগ্য নয় বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। জেএমবিএফ মনে করে, জবাবদিহির নামে পক্ষপাতদুষ্ট বিচার প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের পথকেও দুর্বল করে দেয়; আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচার কখনোই বিজয়ীর বিচার বা বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিকে নিশ্চিহ্ন করার প্রক্রিয়ায় পরিণত হতে পারে না। সংগঠনটি দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘোষণা করেছে, প্রশ্নবিদ্ধ এই প্রক্রিয়ায় দেওয়া মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলে তা ন্যায়বিচার নয়, বরং রাষ্ট্রের কর্তৃত্বে সংঘটিত একটি অপরিবর্তনীয় বিচারিক হত্যাকাণ্ড হিসেবে গণ্য হবে। বিবৃতিতে মৃত্যুদণ্ডকে জীবনের অধিকারের চূড়ান্ত লঙ্ঘন এবং নিষ্ঠুর, অমানবিক ও অপমানজনক শাস্তি হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়, এটি বিচারিক ভুল সংশোধনের সব পথ স্থায়ীভাবে বন্ধ করে
দেয়। পাঁচ আসামির সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আদেশ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে সংগঠনটি বলেছে, রাজনৈতিক পরিচয় বা পারিবারিক সম্পর্কের ভিত্তিতে সম্পদ কেড়ে নেওয়া হলে তা সম্মিলিত শাস্তি ও রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের শামিল হবে।



