ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্র কেন জাপানি মুদ্রার পতন ঠেকাতে চাইছে?
মার্কিন স্যাংশন ও ট্যারিফের রাজনীতিতে রাজনীতি নেই, আছে শোষণ ও বিশ্বগ্রাসের বাসনা
ভারতে চাকরির পরীক্ষা যেভাবে ক্ষোভের কারণ
ইরানকে শাস্তি দিতে ‘সৃজনশীল উপায়’ খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ইসলামীকরন: কোরআন-উদ্ধৃতি দিয়ে ভারত-আফগানদের কাফের আখ্যা সেনাবাহিনীর মূখপাত্রের
তেলের দামে মহাবিপর্যয়ের শঙ্কা
স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ ও বিয়েতে বাধা দেওয়া যাবে না: ভারতীয় হাইকোর্ট
হলুদ সাংবাদিকতার দায়ে পাকিস্তানে নিষিদ্ধ হলো আলজাজিরা
আজাদ কাশ্মিরের বিধানসভা নির্বাচন এবং সাম্প্রতিক সংঘাতের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে ‘হলুদ সাংবাদিকতা’ করার অভিযোগে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে পাকিস্তানে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
যদিও প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেনি, তবে সোমবার থেকে পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকা থেকে আলজাজিরার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা যাচ্ছে না বলে জানা গেছে।
একই দিনে পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে আলজাজিরার প্রতিবেদনের সমালোচনা করে।
সেখানে দাবি করা হয়, মুজাফফরাবাদের সীমিত কয়েকটি ভোটকেন্দ্রের তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদমাধ্যমটি চলমান বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে ‘মনগড়া’ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
পাশাপাশি নির্বাচিত কয়েকজন ব্যক্তির বক্তব্যকে প্রাধান্য দিয়ে পরিস্থিতিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরও বলা
হয়, চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এ ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশের পেছনে বিশেষ উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলে সরকারের ধারণা। প্রসঙ্গত, ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসনের অবসানের পর জম্মু-কাশ্মির অঞ্চলের মুজাফফরাবাদসহ ১০টি জেলা এবং গিলগিট-বাল্টিস্তান পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণে আসে। পরবর্তীতে মুজাফফরাবাদ ও সংলগ্ন অঞ্চলকে ‘আজাদ জম্মু-কাশ্মির’ নামে অভিহিত করা হয়। আজাদ কাশ্মিরের বিধানসভায় মোট ৫৩টি আসন রয়েছে। এর মধ্যে ৩৩টি সাধারণ আসনে স্থানীয় প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। অবশিষ্ট ২০টি আসনের মধ্যে ১২টি ভারতের জম্মু-কাশ্মির থেকে আসা শরণার্থীদের জন্য এবং ৮টি নারী, উলেমা ও টেকনোক্র্যাটদের জন্য সংরক্ষিত। এদিকে ‘শরণার্থী কোটা’ বাতিলের দাবিতে গত কয়েক মাস ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছে আজাদ কাশ্মিরভিত্তিক রাজনৈতিক সংগঠন জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি (জেএএকে)। আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে গত
জুনে সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার। এরই মধ্যে পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন তিন ধাপে বিধানসভা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ২৭শে জুলাই, ২রা আগস্ট ও ১০ই আগস্ট তিন দিনে তিনটি জেলায় ভোটগ্রহণের কথা রয়েছে। ভোটগ্রহণের প্রথম দিন, ২৭ জুলাই, নিরাপত্তা বাহিনী ও স্থানীয় জনতার মধ্যে সংঘর্ষে ৩০ জন নিহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে, আলজাজিরার বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপের বিষয়ে সংবাদমাধ্যমটির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সাংবাদিকদের আন্তর্জাতিক সংগঠন Committee to Protect Journalists (CPJ)। সংগঠনটির এক বিবৃতিতে বলা হয়, চলমান বিক্ষোভের মধ্যে পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মিরে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ সেবা
বন্ধ রাখা, সংবাদ সংগ্রহে বাধা, সাংবাদিকদের আটক এবং গুমের অভিযোগকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে সিপিজে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের প্রতি অবিলম্বে এসব পদক্ষেপ বন্ধ, তথ্যপ্রবাহ স্বাভাবিক করা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।
হয়, চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এ ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশের পেছনে বিশেষ উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলে সরকারের ধারণা। প্রসঙ্গত, ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসনের অবসানের পর জম্মু-কাশ্মির অঞ্চলের মুজাফফরাবাদসহ ১০টি জেলা এবং গিলগিট-বাল্টিস্তান পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণে আসে। পরবর্তীতে মুজাফফরাবাদ ও সংলগ্ন অঞ্চলকে ‘আজাদ জম্মু-কাশ্মির’ নামে অভিহিত করা হয়। আজাদ কাশ্মিরের বিধানসভায় মোট ৫৩টি আসন রয়েছে। এর মধ্যে ৩৩টি সাধারণ আসনে স্থানীয় প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। অবশিষ্ট ২০টি আসনের মধ্যে ১২টি ভারতের জম্মু-কাশ্মির থেকে আসা শরণার্থীদের জন্য এবং ৮টি নারী, উলেমা ও টেকনোক্র্যাটদের জন্য সংরক্ষিত। এদিকে ‘শরণার্থী কোটা’ বাতিলের দাবিতে গত কয়েক মাস ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছে আজাদ কাশ্মিরভিত্তিক রাজনৈতিক সংগঠন জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি (জেএএকে)। আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে গত
জুনে সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার। এরই মধ্যে পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন তিন ধাপে বিধানসভা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ২৭শে জুলাই, ২রা আগস্ট ও ১০ই আগস্ট তিন দিনে তিনটি জেলায় ভোটগ্রহণের কথা রয়েছে। ভোটগ্রহণের প্রথম দিন, ২৭ জুলাই, নিরাপত্তা বাহিনী ও স্থানীয় জনতার মধ্যে সংঘর্ষে ৩০ জন নিহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে, আলজাজিরার বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপের বিষয়ে সংবাদমাধ্যমটির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সাংবাদিকদের আন্তর্জাতিক সংগঠন Committee to Protect Journalists (CPJ)। সংগঠনটির এক বিবৃতিতে বলা হয়, চলমান বিক্ষোভের মধ্যে পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মিরে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ সেবা
বন্ধ রাখা, সংবাদ সংগ্রহে বাধা, সাংবাদিকদের আটক এবং গুমের অভিযোগকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে সিপিজে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের প্রতি অবিলম্বে এসব পদক্ষেপ বন্ধ, তথ্যপ্রবাহ স্বাভাবিক করা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।



