ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাংলাদেশের রপ্তানি-কনটেইনার বুকিং কমিয়ে ফ্রেইট রেট বাড়াল শিপিং কোম্পানি: লিড টাইম ও ব্যয় বাড়ল দ্বিগুণ
গ্যাস সংকটের মাঝেই এলপিজির দাম বাড়াল সরকার: মড়ার ওপর যেন খাঁড়ার ঘা
ইইউর ১৫ দেশে কমেছে বাংলাদেশি পোশাক রপ্তানি: গার্মেন্টস খাতে বড় বিপর্যয় আসন্ন
ইউনাইটেড গ্রুপের বিরুদ্ধে ৯৮১ কোটি টাকা আত্মসাতের সত্যতা পেয়েছে দুদক
ত্রিবেদী-গোরের বৈঠকে ক্ষুব্ধ শফিকুর: ‘গণতান্ত্রিক দেশে এমন বৈঠক কাম্য নয়’
সার্জিও গোর এর সাথে সাক্ষাতের পর পরই আকস্মিক ঝটিকা সফরে ভারত গেলেন দীনেশ ত্রিবেদী
দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির অধীনে সস্তায় এলএনজি না কিনে ৩৪% বেশি দামে ফের স্পট মার্কেট থেকে ২ কার্গো এলএনজি ক্রয়
আমন মৌসুমের শুরুতেই সারের কৃত্রিম সংকট: সিন্ডিকেটে জিম্মি কৃষক বড় লোকসানের শঙ্কায়
ভরা আমন মৌসুমে জমি প্রস্তুত ও চারা রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন দেশের কৃষকেরা। ঠিক এই গুরুত্বপূর্ণ সময়েই দেশের বিভিন্ন জেলায় দেখা দিয়েছে সারের তীব্র সংকট।
কৃষকদের অভিযোগ, অসাধু ডিলার ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে বাজারে তৈরি করা হয়েছে কৃত্রিম সংকট। অতিরিক্ত টাকা না দিলে মিলছে না প্রয়োজনীয় রাসায়নিক সার, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে আমনের উৎপাদন ও কৃষকের পকেটে।
কুষ্টিয়ার মাঠে মাঠে এখন আমনের চারা রোপণের ব্যস্ততা। কিন্তু চাষ শুরুর এই প্রাথমিক পর্বেই সারের চড়া দামে নাভিশ্বাস উঠেছে চাষিদের।
কৃষকদের স্পষ্ট অভিযোগ, ডিলাররা সিন্ডিকেট করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছেন এবং নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কেজিতে ৫ থেকে ৭ টাকা বেশি হাতিয়ে নিচ্ছেন।
যদিও ডিলাররা সব অভিযোগ
অস্বীকার করে দাবি করছেন, তারা সরকার নির্ধারিত দামেই সার বিক্রি করছেন। অনুরূপ চিত্র দেখা গেছে চুয়াডাঙ্গা ও ঠাকুরগাঁও জেলায়। চুয়াডাঙ্গার চাষিদের দাবি, সরকারি নির্ধারিত দামে বাজারে সার পাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তবে ডিলারদের বাড়তি টাকা দিলেই রাতারাতি উধাও হওয়া সার মিলে যাচ্ছে। এদিকে ঠাকুরগাঁওয়ের অবস্থা আরও আশঙ্কাজনক। সেখানে বস্তাপ্রতি অতিরিক্ত ২০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি দাম হাঁকানো হচ্ছে। ভরা মৌসুমে এভাবে অতিরিক্ত দামে সার কিনতে গিয়ে উৎপাদন খরচ একলাফে কয়েকগুণ বেড়ে যাচ্ছে। এতে করে ফসল ফলিয়ে লাভের মুখ দেখা তো দূরের কথা, বড় ধরনের লোকসানের শঙ্কা করছেন ঠাকুরগাঁওয়ের আমন চাষিরা। মাঠপর্যায়ে সার নিয়ে কৃষকদের হাহাকার ও ক্ষোভ যখন চরমে, তখন কৃষি বিভাগের দাবি
একেবারেই বিপরীত। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, দেশে সারের কোনো ঘাটতি বা সংকট নেই এবং পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। কৃষি বিভাগের এই সরকারি দাবির সাথে মাঠের বাস্তব চিত্রের আকাশ-পাতাল পার্থক্যে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী কৃষকেরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমন মৌসুমের শুরুতেই সারের এমন কৃত্রিম সংকট দ্রুত রোধ করা না গেলে কৃষকরা চাষাবাদে আগ্রহ হারাবেন এবং খাদ্য উৎপাদনে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
অস্বীকার করে দাবি করছেন, তারা সরকার নির্ধারিত দামেই সার বিক্রি করছেন। অনুরূপ চিত্র দেখা গেছে চুয়াডাঙ্গা ও ঠাকুরগাঁও জেলায়। চুয়াডাঙ্গার চাষিদের দাবি, সরকারি নির্ধারিত দামে বাজারে সার পাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তবে ডিলারদের বাড়তি টাকা দিলেই রাতারাতি উধাও হওয়া সার মিলে যাচ্ছে। এদিকে ঠাকুরগাঁওয়ের অবস্থা আরও আশঙ্কাজনক। সেখানে বস্তাপ্রতি অতিরিক্ত ২০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি দাম হাঁকানো হচ্ছে। ভরা মৌসুমে এভাবে অতিরিক্ত দামে সার কিনতে গিয়ে উৎপাদন খরচ একলাফে কয়েকগুণ বেড়ে যাচ্ছে। এতে করে ফসল ফলিয়ে লাভের মুখ দেখা তো দূরের কথা, বড় ধরনের লোকসানের শঙ্কা করছেন ঠাকুরগাঁওয়ের আমন চাষিরা। মাঠপর্যায়ে সার নিয়ে কৃষকদের হাহাকার ও ক্ষোভ যখন চরমে, তখন কৃষি বিভাগের দাবি
একেবারেই বিপরীত। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, দেশে সারের কোনো ঘাটতি বা সংকট নেই এবং পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। কৃষি বিভাগের এই সরকারি দাবির সাথে মাঠের বাস্তব চিত্রের আকাশ-পাতাল পার্থক্যে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী কৃষকেরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমন মৌসুমের শুরুতেই সারের এমন কৃত্রিম সংকট দ্রুত রোধ করা না গেলে কৃষকরা চাষাবাদে আগ্রহ হারাবেন এবং খাদ্য উৎপাদনে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।



