ঈদের আগেই বিদ্যুৎ সংকটে চামড়া শিল্পনগরী: রপ্তানি বিপর্যয়ের শঙ্কায় ট্যানারি মালিকরা
আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সাভারের চামড়া শিল্পনগরীতে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার পরিবেশ বিরাজ করছে। কোরবানির মৌসুমে লক্ষাধিক পশুর কাঁচা চামড়া প্রক্রিয়াজাত করার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বিদ্যুৎ সংকট তীব্র হয়ে উঠেছে।
ট্যানারি মালিকরা বলছেন, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত না হলে এবারের কোরবানির চামড়া সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে, যার ধাক্কা সরাসরি লাগবে দেশের রপ্তানি আয়ে।
বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যে তৈরি পোশাকের ঠিক পরেই চামড়া শিল্পের অবস্থান। এ খাতের কাঁচামালের সিংহভাগই আসে কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে।
২০১৭ সালে চালু হওয়া সাভার চামড়া শিল্পনগরীতে বর্তমানে ১৪২টি ট্যানারি সক্রিয়ভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কিন্তু বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই মৌসুমে চলমান লোডশেডিং গোটা শিল্পটিকে গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
ট্যানারি মালিকরা জানিয়েছেন,
কোরবানির সময় স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কাঁচা চামড়ার চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এই বিপুল পরিমাণ চামড়া অত্যন্ত দ্রুত এবং সঠিক পদ্ধতিতে প্রক্রিয়াজাত করতে না পারলে তা নষ্ট হয়ে যায় — যা শুধু ব্যবসায়িক ক্ষতি নয়, দেশের রপ্তানি আয়েও সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এর পাশাপাশি শিল্পনগরীর কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার বা সিইটিপি (CETP) সচল রাখতেও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ অপরিহার্য। বিদ্যুৎ বিভ্রাটে সিইটিপি বন্ধ হয়ে গেলে পরিবেশগত বিপর্যয়ের পাশাপাশি উৎপাদন কার্যক্রমও স্থবির হয়ে পড়বে। মালিকরা বলছেন, এই সংকটের নেতিবাচক প্রভাব কেবল শিল্পখাতেই নয়, সামগ্রিক অর্থনীতিতেও পড়বে। বিশেষজ্ঞরা এই রপ্তানিমুখী শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে আলাদা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের তাগিদ দিচ্ছেন। বিশেষত কোরবানির মৌসুমে জাতীয় গ্রিডের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা
কমাতে সৌরশক্তিসহ বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। তাদের মতে, সময়মতো এই বিকল্প ব্যবস্থা না নেওয়া হলে প্রতি বছর কোরবানির মৌসুমে একই সংকট বারবার ফিরে আসবে। সাভার চামড়া শিল্পনগরীর কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেছে যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা এখনো একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তবে সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছে তারা। যদিও এই ‘আলোচনা’র বাইরে কার্যকর কোনো সমাধানের রূপরেখা এখন পর্যন্ত স্পষ্ট নয়, যা ট্যানারি মালিক ও সংশ্লিষ্ট মহলের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে তুলছে। শিল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোরবানির ঈদ আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ দূরে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ সমস্যার কার্যকর সমাধান না হলে এবারের মৌসুমে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে
না।
কোরবানির সময় স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কাঁচা চামড়ার চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এই বিপুল পরিমাণ চামড়া অত্যন্ত দ্রুত এবং সঠিক পদ্ধতিতে প্রক্রিয়াজাত করতে না পারলে তা নষ্ট হয়ে যায় — যা শুধু ব্যবসায়িক ক্ষতি নয়, দেশের রপ্তানি আয়েও সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এর পাশাপাশি শিল্পনগরীর কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার বা সিইটিপি (CETP) সচল রাখতেও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ অপরিহার্য। বিদ্যুৎ বিভ্রাটে সিইটিপি বন্ধ হয়ে গেলে পরিবেশগত বিপর্যয়ের পাশাপাশি উৎপাদন কার্যক্রমও স্থবির হয়ে পড়বে। মালিকরা বলছেন, এই সংকটের নেতিবাচক প্রভাব কেবল শিল্পখাতেই নয়, সামগ্রিক অর্থনীতিতেও পড়বে। বিশেষজ্ঞরা এই রপ্তানিমুখী শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে আলাদা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের তাগিদ দিচ্ছেন। বিশেষত কোরবানির মৌসুমে জাতীয় গ্রিডের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা
কমাতে সৌরশক্তিসহ বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। তাদের মতে, সময়মতো এই বিকল্প ব্যবস্থা না নেওয়া হলে প্রতি বছর কোরবানির মৌসুমে একই সংকট বারবার ফিরে আসবে। সাভার চামড়া শিল্পনগরীর কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেছে যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা এখনো একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তবে সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছে তারা। যদিও এই ‘আলোচনা’র বাইরে কার্যকর কোনো সমাধানের রূপরেখা এখন পর্যন্ত স্পষ্ট নয়, যা ট্যানারি মালিক ও সংশ্লিষ্ট মহলের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে তুলছে। শিল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোরবানির ঈদ আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ দূরে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ সমস্যার কার্যকর সমাধান না হলে এবারের মৌসুমে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে
না।



