ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অস্ট্রেলিয়ায় উগ্রবাদে জড়িত সন্দেহে বুলবুলপুত্রের বিরুদ্ধে তদন্ত: ইহুদি-খ্রিস্টান বিদ্বেষ প্রসারে আজহারির সাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগ
লাইসেন্স নবায়ন নামঞ্জুর, তবুও বিটিআরসির ছত্রছায়ায় চুটিয়ে চলছে মেট্রোনেটের ব্যবসা!
আবারও ভুয়া শহীদ ও ভুয়া জুলাইযোদ্ধার নাম তালিকায়, ব্যাপক ঘাপলা-অনিয়মের সন্ধান
ইউনূসের স্বাক্ষরিত মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিঃ অন্যান্য দেশের তুলনায় সবচেয়ে কম ছাড়, অথচ সবচেয়ে বেশী শর্ত
ট্টগ্রামে বার নির্বাচন: আওয়ামীপন্থি আইনজীবীদের বাধাদান: জেএমবিএফ-এর নিন্দা, জাতিসংঘ-ইইউর হস্তক্ষেপ দাবি
‘এই কাঁদুনেরা ফ্যাসিস্ট জামানায় নির্যাতনে উৎসাহ জোগাত’
আপিল বিভাগে আইভীর জামিন বহাল, মুক্তিতে বাধা নেই
‘হ্যাঁ’ ভোট প্রচারে ১৪২ কোটি টাকার অবৈধ ব্যয়: ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে আইনি নোটিশ
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারে রাষ্ট্রীয় তহবিল ও ব্যাংকের সিএসআর (কর্পোরেট সামাজিক দায়িত্ব) তহবিল থেকে আনুমানিক ১৪২ কোটি টাকা অবৈধভাবে ব্যয়ের অভিযোগে ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
বিডি ডাইজেস্ট-এর হাতে আসা নথি মোতাবেক এ তথ্য জানা গেছে।
গত ৭ই মে পাঠানো এই নোটিশে ক্যাবিনেট সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অর্থ বিভাগ, আইন মন্ত্রণালয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), বাংলাদেশ ব্যাংক এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ মোট আট কর্তৃপক্ষকে ১৫ দিনের মধ্যে যথাযথ তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
লিংকনস ইন, লন্ডন থেকে পাশ করা ব্যারিস্টার সানাউল্লাহ নূরী তার মক্কেল — সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আসলাম মিয়ার পক্ষে এই নোটিশ
পাঠিয়েছেন। অভিযোগের বিবরণ বিডি ডাইজেস্ট-এর হাতে আসা নোটিশের কপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিভিন্ন সংবাদপত্র, ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে যে অন্তর্বর্তী সরকার রেফারেন্ডামে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণায় দেশের বিভিন্ন ব্যাংক থেকে অবৈধভাবে অর্থ সংগ্রহ করেছে। এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোকে জোরপূর্বক ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালাতে বাধ্য করা হয়েছে এবং এ কাজে রাষ্ট্রীয় অর্থের অবৈধ ব্যবহার করা হয়েছে। নোটিশ অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) যৌথভাবে তিনটি সংগঠনকে মোট ৩.৭ কোটি টাকা প্রদান করেছে। সংগঠনগুলো হলো: সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন), স্টুডেন্টস অ্যাগেইনস্ট ডিসক্রিমিনেশন (এসএডি) ফাউন্ডেশন এবং ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি। নোটিশে বলা হয়েছে,
বিতর্কিত এই অর্থ বিতরণের ঘটনার সূত্রপাত ঘটে গত ১১ জানুয়ারি একটি ব্যাংকার্স সভায়, যেখানে রেফারেন্ডাম প্রচারণায় সহায়তার বিষয়টি নির্ধারিত আলোচ্যসূচিতে না থাকলেও হঠাৎ করেই উপস্থাপন করা হয়। সভায় আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারকের উপস্থিতি অস্বাভাবিক হিসেবে বিবেচিত হয়, কারণ এ ধরনের সভা সাধারণত কেবল ব্যাংকারদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। বিডি ডাইজেস্ট-এর প্রতিবেদকের হাতে আসা নোটিশের কপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সভায় তৎকালীন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর অংশগ্রহণকারীদের জানান যে একটি বিশেষ এজেন্ডা রয়েছে এবং সে কারণে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিবকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা পরিস্থিতিকে “বিরল” বলে উল্লেখ করে জানান, তাৎক্ষণিকভাবেই আপত্তি উত্থাপিত হয়েছিল। ওই কর্মকর্তার বরাত দিয়ে
নোটিশে বলা হয়েছে, “বিদ্যমান নীতিমালায় নিয়ন্ত্রক সংস্থার এ ধরনের কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার কোনো সুযোগ নেই।” নোটিশে এবিবি চেয়ারম্যান মাশরুর আরেফিনের বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়, গভর্নর এবিবি নেতাদের ডেকে বলেন যে ব্যাংকগুলোকে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারের জন্য বড় অঙ্কের অর্থ দিতে হবে। প্রাথমিকভাবে এবিবির নিজস্ব তহবিল থেকে তিনটি সংগঠনকে ২০–২৫ কোটি টাকা দেওয়ার অনুরোধ করা হয়। তবে এবিবি পুরো দাবি মেনে নিতে অস্বীকার করে, নোটিশের বরাতে জানতে পেরেছে বিডি ডাইজেস্ট। এসএডি ফাউন্ডেশনকে অর্থ দিতে অস্বীকার করার কারণ হিসেবে তখন বলা হয় যে সংগঠনটি নিবন্ধিত ছিল না। পরে সুজনকে ২.৫ কোটি এবং ডিবেট ফর ডেমোক্রেসিকে ২০–২৫ লাখ টাকা দিতে এবিবি সম্মত হয়। এবিবি চেয়ারম্যান নোটিশে উদ্ধৃত বক্তব্যে
আরও জানান, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে ব্যাংকগুলোকে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারে সহায়তার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল এবং ক্ষমতাসীন দলও এতে সমর্থন দিয়েছিল। অনিবন্ধিত সংগঠনকে কোটি টাকা — তদন্তে দেখা গেল সংস্থার কোনো অফিসই নেই নোটিশে জানানো হয়, ২৫শে জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ড সভায় এসএডি ফাউন্ডেশনকে ৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয়, তবে বোর্ড সদস্যরা তা নাকচ করে দেন। পরে ১ কোটি টাকা অনুমোদন দেওয়া হয়। বিস্ময়কর বিষয় হলো, নির্দেশনা আসার মাত্র ১০ দিনের মধ্যে সংগঠনটি নিবন্ধন পেয়ে যায় এবং এরপরই অর্থ ছাড় করা হয়। নোটিশে আরও বলা হয়, পরবর্তীতে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি পরিদর্শন দল তহবিলের ব্যবহার যাচাই করতে গিয়ে ফাউন্ডেশনের কোনো নিজস্ব কার্যালয় খুঁজে পায়নি। পরে
একটি রেস্টুরেন্টে সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে দেখা হলেও তারা পর্যাপ্ত কাগজপত্র দিতে ব্যর্থ হয়। কর্মকর্তারা পুরো পরিস্থিতিকে “সম্পূর্ণ অনিয়মিত” বলে বর্ণনা করেছেন। নোটিশে উদ্বেগজনকভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে ১১ই জানুয়ারির সভায় উত্থাপিত আপত্তিগুলো সরকারি কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যা নিয়ন্ত্রক প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার প্রশ্ন তুলে দেয়। বিদ্যমান নীতিমালার লঙ্ঘন নোটিশে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সিএসআর নীতিমালা অনুযায়ী এই তহবিলের ৩০% শিক্ষা খাতে, ৩০% স্বাস্থ্য খাতে, ২০% পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন-সংক্রান্ত কাজে এবং বাকি অংশ ক্রীড়া, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সাংস্কৃতিক উন্নয়ন ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আয়বর্ধক কাজে ব্যয় করার বিধান রয়েছে। রাজনৈতিক প্রচারণায় এই তহবিল ব্যবহার করা সুস্পষ্টভাবে বিদ্যমান নীতিমালার লঙ্ঘন এবং নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানের
নিরপেক্ষতা ও জনআস্থার পরিপন্থি। নোটিশে আরও জানানো হয়, ছয়টি মন্ত্রণালয় এবং নির্বাচন কমিশন মিলিয়ে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারে মোট আনুমানিক ১৪২ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। নোটিশে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় এই অর্থ ব্যয়ের কোনো আইনি কর্তৃত্ব অন্তর্বর্তী সরকারের ছিল না, ফলে এটি সম্পূর্ণ বেআইনি এবং কার্যত অকার্যকর। নোটিশে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, নোটিশ প্রাপ্তির ১৫ দিনের মধ্যে যদি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যথাযথ তদন্ত করে ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে আইনজীবী আসলাম মিয়া এ বিষয়ে আদালতে যাওয়াসহ আইনগতভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবেন এবং তার ফলে সৃষ্ট যাবতীয় ব্যয় ও পরিণতির দায় নোটিশ গ্রাহকদেরই বহন করতে হবে।
পাঠিয়েছেন। অভিযোগের বিবরণ বিডি ডাইজেস্ট-এর হাতে আসা নোটিশের কপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিভিন্ন সংবাদপত্র, ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে যে অন্তর্বর্তী সরকার রেফারেন্ডামে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণায় দেশের বিভিন্ন ব্যাংক থেকে অবৈধভাবে অর্থ সংগ্রহ করেছে। এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোকে জোরপূর্বক ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালাতে বাধ্য করা হয়েছে এবং এ কাজে রাষ্ট্রীয় অর্থের অবৈধ ব্যবহার করা হয়েছে। নোটিশ অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) যৌথভাবে তিনটি সংগঠনকে মোট ৩.৭ কোটি টাকা প্রদান করেছে। সংগঠনগুলো হলো: সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন), স্টুডেন্টস অ্যাগেইনস্ট ডিসক্রিমিনেশন (এসএডি) ফাউন্ডেশন এবং ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি। নোটিশে বলা হয়েছে,
বিতর্কিত এই অর্থ বিতরণের ঘটনার সূত্রপাত ঘটে গত ১১ জানুয়ারি একটি ব্যাংকার্স সভায়, যেখানে রেফারেন্ডাম প্রচারণায় সহায়তার বিষয়টি নির্ধারিত আলোচ্যসূচিতে না থাকলেও হঠাৎ করেই উপস্থাপন করা হয়। সভায় আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারকের উপস্থিতি অস্বাভাবিক হিসেবে বিবেচিত হয়, কারণ এ ধরনের সভা সাধারণত কেবল ব্যাংকারদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। বিডি ডাইজেস্ট-এর প্রতিবেদকের হাতে আসা নোটিশের কপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সভায় তৎকালীন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর অংশগ্রহণকারীদের জানান যে একটি বিশেষ এজেন্ডা রয়েছে এবং সে কারণে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিবকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা পরিস্থিতিকে “বিরল” বলে উল্লেখ করে জানান, তাৎক্ষণিকভাবেই আপত্তি উত্থাপিত হয়েছিল। ওই কর্মকর্তার বরাত দিয়ে
নোটিশে বলা হয়েছে, “বিদ্যমান নীতিমালায় নিয়ন্ত্রক সংস্থার এ ধরনের কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার কোনো সুযোগ নেই।” নোটিশে এবিবি চেয়ারম্যান মাশরুর আরেফিনের বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়, গভর্নর এবিবি নেতাদের ডেকে বলেন যে ব্যাংকগুলোকে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারের জন্য বড় অঙ্কের অর্থ দিতে হবে। প্রাথমিকভাবে এবিবির নিজস্ব তহবিল থেকে তিনটি সংগঠনকে ২০–২৫ কোটি টাকা দেওয়ার অনুরোধ করা হয়। তবে এবিবি পুরো দাবি মেনে নিতে অস্বীকার করে, নোটিশের বরাতে জানতে পেরেছে বিডি ডাইজেস্ট। এসএডি ফাউন্ডেশনকে অর্থ দিতে অস্বীকার করার কারণ হিসেবে তখন বলা হয় যে সংগঠনটি নিবন্ধিত ছিল না। পরে সুজনকে ২.৫ কোটি এবং ডিবেট ফর ডেমোক্রেসিকে ২০–২৫ লাখ টাকা দিতে এবিবি সম্মত হয়। এবিবি চেয়ারম্যান নোটিশে উদ্ধৃত বক্তব্যে
আরও জানান, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে ব্যাংকগুলোকে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারে সহায়তার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল এবং ক্ষমতাসীন দলও এতে সমর্থন দিয়েছিল। অনিবন্ধিত সংগঠনকে কোটি টাকা — তদন্তে দেখা গেল সংস্থার কোনো অফিসই নেই নোটিশে জানানো হয়, ২৫শে জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ড সভায় এসএডি ফাউন্ডেশনকে ৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয়, তবে বোর্ড সদস্যরা তা নাকচ করে দেন। পরে ১ কোটি টাকা অনুমোদন দেওয়া হয়। বিস্ময়কর বিষয় হলো, নির্দেশনা আসার মাত্র ১০ দিনের মধ্যে সংগঠনটি নিবন্ধন পেয়ে যায় এবং এরপরই অর্থ ছাড় করা হয়। নোটিশে আরও বলা হয়, পরবর্তীতে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি পরিদর্শন দল তহবিলের ব্যবহার যাচাই করতে গিয়ে ফাউন্ডেশনের কোনো নিজস্ব কার্যালয় খুঁজে পায়নি। পরে
একটি রেস্টুরেন্টে সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে দেখা হলেও তারা পর্যাপ্ত কাগজপত্র দিতে ব্যর্থ হয়। কর্মকর্তারা পুরো পরিস্থিতিকে “সম্পূর্ণ অনিয়মিত” বলে বর্ণনা করেছেন। নোটিশে উদ্বেগজনকভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে ১১ই জানুয়ারির সভায় উত্থাপিত আপত্তিগুলো সরকারি কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যা নিয়ন্ত্রক প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার প্রশ্ন তুলে দেয়। বিদ্যমান নীতিমালার লঙ্ঘন নোটিশে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সিএসআর নীতিমালা অনুযায়ী এই তহবিলের ৩০% শিক্ষা খাতে, ৩০% স্বাস্থ্য খাতে, ২০% পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন-সংক্রান্ত কাজে এবং বাকি অংশ ক্রীড়া, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সাংস্কৃতিক উন্নয়ন ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আয়বর্ধক কাজে ব্যয় করার বিধান রয়েছে। রাজনৈতিক প্রচারণায় এই তহবিল ব্যবহার করা সুস্পষ্টভাবে বিদ্যমান নীতিমালার লঙ্ঘন এবং নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানের
নিরপেক্ষতা ও জনআস্থার পরিপন্থি। নোটিশে আরও জানানো হয়, ছয়টি মন্ত্রণালয় এবং নির্বাচন কমিশন মিলিয়ে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারে মোট আনুমানিক ১৪২ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। নোটিশে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় এই অর্থ ব্যয়ের কোনো আইনি কর্তৃত্ব অন্তর্বর্তী সরকারের ছিল না, ফলে এটি সম্পূর্ণ বেআইনি এবং কার্যত অকার্যকর। নোটিশে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, নোটিশ প্রাপ্তির ১৫ দিনের মধ্যে যদি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যথাযথ তদন্ত করে ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে আইনজীবী আসলাম মিয়া এ বিষয়ে আদালতে যাওয়াসহ আইনগতভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবেন এবং তার ফলে সৃষ্ট যাবতীয় ব্যয় ও পরিণতির দায় নোটিশ গ্রাহকদেরই বহন করতে হবে।



