‘এই কাঁদুনেরা ফ্যাসিস্ট জামানায় নির্যাতনে উৎসাহ জোগাত’ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১০ মে, ২০২৬

‘এই কাঁদুনেরা ফ্যাসিস্ট জামানায় নির্যাতনে উৎসাহ জোগাত’

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১০ মে, ২০২৬ |
ঢাকায় শনিবার থেকে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী সাংবাদিকতা বিষয়ক সম্মেলন। ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই) এ সম্মেলনের আয়োজন করেছে। এরই মধ্যে সম্মেলনে অংশগ্রহণ, সেশন বিন্যাস এবং প্রতিনিধিত্ব নিয়ে সাংবাদিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে। এমআরডিআইয়ের কার্যক্রম নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন প্রতিদিনের বাংলাদেশ সম্পাদক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান। তিনি বলেন, এমআরডিআইয়ের নাম শুনেছেন কখনো? তৎপরতা দেখেছেন? আমি দেখিনি, শুনিনি। অথচ ২০০১ সালে ঢাকায় জন্মেছে সাংবাদিকতা বিষয়ক এ বাংলাদেশি সংস্থাটি। এর আদল খানিকটা এনজিও ধাঁচের। এতে সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও অন্যান্য পেশাজীবী যারাই জড়িত তাদের সবাই- শতকরা একশ ভাগই আওয়ামী ঘরানার। অর্থাৎ এমআরডিআই হচ্ছে By

the Awami League, for the Awami League, of the Awami League. এই এমআরডিআই ঢাকার অভিজাত হোটেলে সাংবাদিকতা নিয়ে জমকালো অনুষ্ঠান করেছে। সেখানে পতিত ফ্যাসিবাদের সব মিডিয়া-দোসর মিলে নাকি কান্না কেঁদেছে। নালিশ করেছে, এখন তারা মজলুম। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা মানেই সাংবাদিকতার ওপর আঘাত। তারা কেঁদেকেটে বলেছে, আমাদের দোসর বলা হয়। অ্যা...অ্যা...অ্যা...! মারুফ কামাল আরও বলেন, এসব বেত্তান্ত আবার ফলাও করে প্রচার করা হচ্ছে। জামানা বদলের সঙ্গে ভূমিকা বদলের এই নিলাজ চিত্র আমাদের দেখতে হচ্ছে। এই কাঁদুনেরা ফ্যাসিস্ট জামানায় আমাদের ওপর নির্যাতনে উৎসাহ জোগাত। এদের মদতে হাসিনা রেজিম খুন, গুম, নির্যাতন, মিডিয়া বন্ধ, চাকরিচ্যুতি, দুর্নীতি, লোপাট, দলীয়করণ, অবিচার অবাধে করেছে। আমাদের শান্তি, স্বাভাবিক

পারিবারিক ও সামাজিক জীবন হাসিনা তছনছ করে দিয়েছেন। আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া দুঃখ, কষ্ট, যন্ত্রণা, চরিত্রহনন ও নির্যাতন নিয়ে সাংবাদিকতার মুখোশের আড়ালের এই নষ্ট লোকগুলো হাসি-তামাশা করত। অন্যায়ের বিরুদ্ধে একবিন্দু প্রতিবাদও তারা করেনি। এসব ভূমিকার বিনিময়ে ওরা ফুলেফেঁপে উঠেছে, বিত্তবৈভবের পাহাড় গড়েছে। তিনি বলেন, অতীত অপকর্মের জন্য ওদের কারো কোনো অনুশোচনা নেই। এখন তারা সাংবাদিকতার অধিকারের দাবির মোড়কে কুটিল রাজনৈতিক ক্যাম্পেইনে নেমেছে। এতকিছুর পরও ওরা যদি অনুশোচনা করে, ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চায় এবং আর কখনো এসব অপরাধের পুনরাবৃত্তি করবে না বলে অঙ্গীকার করে, তাহলে আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে ওদের ক্ষমা করে পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়ার পক্ষে দাঁড়াব। কথা দিলাম।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল! ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন? বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা ১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয় “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট টেলিটক ও নগদ ‘কিনতে’ চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন! অভিযুক্তের বাড়িতে উত্তেজিত জনতার আগুন, নিহত ৩ হাসপাতালে অসুস্থ শিশুর মাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর… বাজেট: যেসব পণ্যের দাম কমতে পারে বাজেট: যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ