ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এখনই ১৮৩৭ টাকার সিলিন্ডার কিনছে ভোক্তারা ২৫০০-তে, নতুন প্রস্তাবে দাম ছাড়াতে পারে ৪ হাজার
অর্থনৈতিক জরুরি অবস্থায় বাংলাদেশ
পে ফিক্সেশনের পর এবার সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন সুখবর
পিঠা, পুরি, পেঁয়াজু থেকে রেস্তোরাঁ—খাদ্য ব্যবসায় লাইসেন্স বাধ্যতামূলক
জয়পুরহাটে আলুর পর কলায়ও লোকসান গুণছেন চাষিরা
স্বর্ণের দাম কমল
ইইউতে বাংলাদেশের পোশাকের বাজার দখলে নিচ্ছে চীন-ভিয়েতনাম
ফের মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯.০৪ শতাংশ
চলতি বছরের মার্চে মূল্যস্ফীতি কমে ৯ শতাংশের নিচে নামলেও ফের বেড়েছে। এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। গেল ২০২৫—এর সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে এলেও নভেম্বর থেকে তা আবার বাড়তে শুরু করে। তবে দেশে দ্রব্যমূল্যর উর্ধ্বগতির মাঝেও মার্চে মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৭১ শতাংশে নেমে এসেছিল।
বুধবার (৬ মে) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এপ্রিল মাসের মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশ করেছে। এতে দেখা যায়, জানুয়ারি মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ, ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। এর আগে গেল বছরের ডিসেম্বর মাসে ছিল ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ, নভেম্বরে ছিল ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ, অক্টোবরে ছিল ৮ দশমিক ১৭
শতাংশ এবং সেপ্টেম্বরে ছিল ৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ। পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত বছরের এপ্রিল মাসে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক ১৭ শতাংশ। বিবিএসের তথ্যানুসারে, ২০২৬ সালের এপ্রিল খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ হয়েছে। ২০২৫ সালের এপ্রিল খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এ ছাড়া খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশে। ২০২৫ সালের এপ্রিল এ হার ছিল ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ। বিবিএসের তথ্য অনুসারে শহর ও গ্রামে এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। এপ্রিলে গ্রামে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। যা মার্চে ছিল ৮ দশমিক ৭২ শতাংশ। অন্যদিকে শহরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক শূন্য ২
শতাংশ। মার্চে যা ছিল ৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ। একইসঙ্গে বেড়েছে শ্রমিকের মজুরির হার। মার্চে মজুরির হার ছিল ৮ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। যা এপ্রিলে বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ১৬ শতাংশ।
শতাংশ এবং সেপ্টেম্বরে ছিল ৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ। পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত বছরের এপ্রিল মাসে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক ১৭ শতাংশ। বিবিএসের তথ্যানুসারে, ২০২৬ সালের এপ্রিল খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ হয়েছে। ২০২৫ সালের এপ্রিল খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এ ছাড়া খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশে। ২০২৫ সালের এপ্রিল এ হার ছিল ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ। বিবিএসের তথ্য অনুসারে শহর ও গ্রামে এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। এপ্রিলে গ্রামে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। যা মার্চে ছিল ৮ দশমিক ৭২ শতাংশ। অন্যদিকে শহরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক শূন্য ২
শতাংশ। মার্চে যা ছিল ৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ। একইসঙ্গে বেড়েছে শ্রমিকের মজুরির হার। মার্চে মজুরির হার ছিল ৮ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। যা এপ্রিলে বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ১৬ শতাংশ।





