ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হামে তিন শতাধিক শিশুর মৃত্যু: ইউনূস ও নূরজাহান বেগমের বিচারের দাবি বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর
কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে কবরস্থান দখলের অভিযোগ
মেয়র পদে প্রার্থী ঘোষণা দেওয়া কে এই নীলা ইসরাফিল
ছাত্রলীগ থেকে পল্টি নিয়ে ছাত্রদলের পদে ১১ নেতা
নিষেধাজ্ঞাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাবির ১১ হলে কমিটি, ছাত্রলীগ বলছে — ‘আমরা সংগঠিত’
তোফায়েল আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা, আইনজীবী জানালেন ‘স্মৃতি শক্তি নেই’
ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘিরে তিন জেলায় তুলকালাম: সড়ক অবরোধ, ককটেল নিক্ষেপ ও ১৪৪ ধারা
সাঈদীর মৃত্যুতে ‘পাথর’ সেই অন্তু অরিন্দম ছাত্র ইউনিয়ন নেতা
একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, ‘দেইল্লা রাজাকার’ খ্যাত দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে নজিরবিহীন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের সভাপতি অন্তু অরিন্দম। ২০২৩ সালের ১৫ আগস্ট সাঈদীর মৃত্যুর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া তাঁর শোকবার্তাটি রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।
অন্তু অরিন্দম তাঁর পোস্টে সাঈদীকে ‘ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের প্রাণপুরুষ’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি লেখেন, সাঈদী নাকি এ দেশের মানুষের মন থেকে ‘ধর্মীয় কুসংস্কার দূরীকরণ’ ও ‘ধর্মীয় উগ্রতা প্রশমনে’ কাজ করেছেন। একজন বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের শীর্ষ পদে থেকে একজন দণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধীর প্রতি এমন গুণকীর্তন ছাত্র ইউনিয়নের মূল আদর্শের সঙ্গে চরম সাংঘর্ষিক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ
ছাত্র ইউনিয়ন ঐতিহাসিকভাবেই ধর্মনিরপেক্ষতা, প্রগতিশীলতা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে পরিচিত। সেই সংগঠনের একজন নেতা যখন সাঈদীর মতো উগ্র সাম্প্রদায়িক ও বিতর্কিত ব্যক্তির মৃত্যুতে ‘শোকে পাথর’ হয়ে যান, তখন সংগঠনের ভেতরে এবং বাইরে আদর্শিক ধস নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই পোস্টটি প্রকাশের পর থেকেই ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক ও বর্তমান নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন। সমালোচকরা বলছেন, যে ব্যক্তি একাত্তরে আলবদর-রাজাকার বাহিনীর হয়ে হত্যা, লুণ্ঠন ও ধর্ষণের মতো অপরাধে জড়িত ছিলেন, তাঁকে ‘উগ্রতা প্রশমনকারী’ বলা শহীদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি। অন্তু অরিন্দমের এই অবস্থান প্রমাণ করে যে, বর্তমানে ছাত্র রাজনীতির অনেক নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তিরা সংগঠনের ইতিহাস ও আদর্শ সম্পর্কে ন্যূনতম জ্ঞান রাখেন
না। ছাত্র ইউনিয়নের মতো একটি লড়াকু সংগঠনের নেতার মুখে রাজাকারের প্রশংসা শুনে হতবাক প্রগতিশীল সমাজ। প্রশ্ন উঠেছে, প্রগতিশীলতার সাইনবোর্ড ব্যবহার করে ভেতরে ভেতরে উগ্র সাম্প্রদায়িক চেতনার লালন হচ্ছে কি না। যদিও তৎকালীন সময়ে সংগঠনের পক্ষ থেকে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দাবি উঠেছিল, তবে এই ঘটনাটি ছাত্র ইউনিয়নের ইতিহাসে এক কালো অধ্যায় হিসেবেই চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
ছাত্র ইউনিয়ন ঐতিহাসিকভাবেই ধর্মনিরপেক্ষতা, প্রগতিশীলতা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে পরিচিত। সেই সংগঠনের একজন নেতা যখন সাঈদীর মতো উগ্র সাম্প্রদায়িক ও বিতর্কিত ব্যক্তির মৃত্যুতে ‘শোকে পাথর’ হয়ে যান, তখন সংগঠনের ভেতরে এবং বাইরে আদর্শিক ধস নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই পোস্টটি প্রকাশের পর থেকেই ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক ও বর্তমান নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন। সমালোচকরা বলছেন, যে ব্যক্তি একাত্তরে আলবদর-রাজাকার বাহিনীর হয়ে হত্যা, লুণ্ঠন ও ধর্ষণের মতো অপরাধে জড়িত ছিলেন, তাঁকে ‘উগ্রতা প্রশমনকারী’ বলা শহীদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি। অন্তু অরিন্দমের এই অবস্থান প্রমাণ করে যে, বর্তমানে ছাত্র রাজনীতির অনেক নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তিরা সংগঠনের ইতিহাস ও আদর্শ সম্পর্কে ন্যূনতম জ্ঞান রাখেন
না। ছাত্র ইউনিয়নের মতো একটি লড়াকু সংগঠনের নেতার মুখে রাজাকারের প্রশংসা শুনে হতবাক প্রগতিশীল সমাজ। প্রশ্ন উঠেছে, প্রগতিশীলতার সাইনবোর্ড ব্যবহার করে ভেতরে ভেতরে উগ্র সাম্প্রদায়িক চেতনার লালন হচ্ছে কি না। যদিও তৎকালীন সময়ে সংগঠনের পক্ষ থেকে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দাবি উঠেছিল, তবে এই ঘটনাটি ছাত্র ইউনিয়নের ইতিহাসে এক কালো অধ্যায় হিসেবেই চিহ্নিত হয়ে থাকবে।



