ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
পর্নোগ্রাফি কেলেঙ্কারির পর এবার দ্বিতীয় বিয়ে বিতর্কিত ‘শিশু বক্তা’ মাদানীর
ওয়াজে সাম্প্রদায়িক বিষোদগার এবং মোবাইল ফোনে পর্নোগ্রাফি রাখার দায়ে কারাবরণকারী সেই বিতর্কিত ‘শিশু বক্তা’ মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী আবারও নেতিবাচক আলোচনায়। এবার নিজের প্রথম স্ত্রীর ঘোর আপত্তি ও কান্নাকাটি উপেক্ষা করেই দ্বিতীয় বিয়ে সেরেছেন তিনি।
বুধবার (৬ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক দীর্ঘ পোস্ট দিয়ে তিনি নিজেই এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে ধর্মীয় দোহাই দিয়ে করা এই বিয়েকে কেন্দ্র করে নেটিজেনদের মধ্যে নতুন করে চরম ক্ষোভ ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
ফেসবুক পোস্টে মাদানী স্বীকার করেছেন যে, তাঁর এই সিদ্ধান্তে প্রথম স্ত্রীর মন ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। তিনি লিখেছেন, “আমার এই সিদ্ধান্তে আমার প্রথম আহলিয়ার কষ্ট হয়েছে… হচ্ছে। এটা ভাবলেই আমার বুকটা ভেঙে
যায়।” তবে স্ত্রীর এই কষ্টের চেয়েও নিজের ব্যক্তিগত ইচ্ছাকে বড় করে দেখেছেন তিনি। মাদানী দাবি করেছেন, তিনি ‘হারাম’ সম্পর্ক থেকে বাঁচতে এই ‘কঠিন সিদ্ধান্ত’ নিয়েছেন। নেটিজেনদের মতে, নিজের স্ত্রীর সম্মতি না থাকা সত্ত্বেও ধর্মের দোহাই দিয়ে এমন কাজ মাদানীর স্বার্থপর চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ। রফিকুল ইসলাম মাদানীর অতীত কর্মকাণ্ড বারবারই প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। ২০২১ সালে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর তাঁর মোবাইল ফোন তল্লাশি করে পুলিশ বিপুল পরিমাণ অশ্লীল ভিডিও (ব্লু ফিল্ম) খুঁজে পায়। একজন ধর্মীয় লেবাসধারী বক্তার ব্যক্তিগত ফোনে এমন কুরুচিপূর্ণ পর্নোগ্রাফি পাওয়ার ঘটনাটি সেই সময় দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করেছিল। তাঁর এই ‘দ্বিমুখী চরিত্র’ নিয়ে তখন থেকেই সাধারণ মানুষের মনে ঘৃণা
তৈরি হয়। মারকাযু শাহাবুদ্দিন আল ইসলামী মাদরাসার এই মুহতামিম তাঁর ওয়াজ মাহফিলগুলোতে প্রায়ই সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে থাকেন। ছোট গড়ন ও শিশুদের মতো কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে তিনি সহজ-সরল মানুষকে বিভ্রান্ত করে সমাজে বিভাজন তৈরির চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে একাধিকবার জেল খাটলেও তাঁর আচরণে কোনো পরিবর্তন আসেনি। মাদানীর দ্বিতীয় বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসার পর অনলাইন দুনিয়ায় সমালোচনার বন্যা বয়ে যাচ্ছে। অনেকে মন্তব্য করছেন, প্রথম স্ত্রীর প্রতি জুলুম করে ‘ইনসাফের’ বুলি ছড়ানো কেবল লোক দেখানো ভণ্ডামি ছাড়া আর কিছুই নয়। পর্নোগ্রাফি আসক্তি এবং সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ছড়ানোর পর এখন দ্বিতীয় বিয়ের মাধ্যমে তিনি আবারও প্রমাণ করলেন যে, ধর্মীয়
মূল্যবোধের চেয়ে ব্যক্তিগত লালসাই তাঁর কাছে মুখ্য। সচেতন নাগরিক সমাজ মনে করছেন, এই ধরনের বিতর্কিত ব্যক্তিদের উসকানিমূলক বক্তব্য ও ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ড সমাজের নৈতিক অবক্ষয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
যায়।” তবে স্ত্রীর এই কষ্টের চেয়েও নিজের ব্যক্তিগত ইচ্ছাকে বড় করে দেখেছেন তিনি। মাদানী দাবি করেছেন, তিনি ‘হারাম’ সম্পর্ক থেকে বাঁচতে এই ‘কঠিন সিদ্ধান্ত’ নিয়েছেন। নেটিজেনদের মতে, নিজের স্ত্রীর সম্মতি না থাকা সত্ত্বেও ধর্মের দোহাই দিয়ে এমন কাজ মাদানীর স্বার্থপর চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ। রফিকুল ইসলাম মাদানীর অতীত কর্মকাণ্ড বারবারই প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। ২০২১ সালে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর তাঁর মোবাইল ফোন তল্লাশি করে পুলিশ বিপুল পরিমাণ অশ্লীল ভিডিও (ব্লু ফিল্ম) খুঁজে পায়। একজন ধর্মীয় লেবাসধারী বক্তার ব্যক্তিগত ফোনে এমন কুরুচিপূর্ণ পর্নোগ্রাফি পাওয়ার ঘটনাটি সেই সময় দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করেছিল। তাঁর এই ‘দ্বিমুখী চরিত্র’ নিয়ে তখন থেকেই সাধারণ মানুষের মনে ঘৃণা
তৈরি হয়। মারকাযু শাহাবুদ্দিন আল ইসলামী মাদরাসার এই মুহতামিম তাঁর ওয়াজ মাহফিলগুলোতে প্রায়ই সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে থাকেন। ছোট গড়ন ও শিশুদের মতো কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে তিনি সহজ-সরল মানুষকে বিভ্রান্ত করে সমাজে বিভাজন তৈরির চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে একাধিকবার জেল খাটলেও তাঁর আচরণে কোনো পরিবর্তন আসেনি। মাদানীর দ্বিতীয় বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসার পর অনলাইন দুনিয়ায় সমালোচনার বন্যা বয়ে যাচ্ছে। অনেকে মন্তব্য করছেন, প্রথম স্ত্রীর প্রতি জুলুম করে ‘ইনসাফের’ বুলি ছড়ানো কেবল লোক দেখানো ভণ্ডামি ছাড়া আর কিছুই নয়। পর্নোগ্রাফি আসক্তি এবং সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ছড়ানোর পর এখন দ্বিতীয় বিয়ের মাধ্যমে তিনি আবারও প্রমাণ করলেন যে, ধর্মীয়
মূল্যবোধের চেয়ে ব্যক্তিগত লালসাই তাঁর কাছে মুখ্য। সচেতন নাগরিক সমাজ মনে করছেন, এই ধরনের বিতর্কিত ব্যক্তিদের উসকানিমূলক বক্তব্য ও ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ড সমাজের নৈতিক অবক্ষয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।



