ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বগুড়ায় জিন তাড়ানোর নাম করে দাখিল পরীক্ষার্থীকে বারবার ধর্ষণ, ‘কোরআনিক চিকিৎসক’ গ্রেপ্তার
টঙ্গীতে বস্তির বিলাসবহুল এসি রুমে মাদক সেবন করেন নামিদামিরা
গজারিয়ায় পৃথক অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৩
‘ভুয়া ফটোকার্ড প্রথম কে আপলোড করেছে তা শনাক্ত সম্ভব’
১৩ লাখ টাকা দিলে পরীক্ষা ও পাস করা ছাড়াই জাতীয় জাদুঘরে চাকরির নিশ্চয়তা!
খুলনায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ২
রাউজানে টিলা কাটা নিয়ে বিরোধে বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যা
নেত্রকোনায় ১১ বছরের শিশু ধর্ষণঃ ধর্ষককে বাঁচাতে মাদ্রাসাপন্থী ও জামায়াতিদের মিথ্যা তথ্য প্রচার; ধর্ষক হুজুর র্যাব-এর হেফাজতে
নেত্রকোনার মদন উপজেলায় হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসার পরিচালক ও শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরের বিরুদ্ধে ১১ বছরের এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুসারে, গত বছরের অক্টোবর-নভেম্বর মাসে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে এবং শিশুটি বর্তমানে প্রায় সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এ ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র প্রতিবাদ চলছে।
শিশুটির মা গত ২৩ এপ্রিল মদন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর সাগর পলাতক ছিলেন। র্যাব-১৪ মঙ্গলবার (৫ মে) দিবাগত রাতে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে বুধবার (৬ মে) সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করে। অভিযুক্ত ধর্ষক মামলা হবার পর থেকেই একাধিক জায়গা পরিবর্তন করায় তাকে খুঁজে পাওয়া মুশকিল
হচ্ছিল আইনও শৃঙ্খলা বাহিনীর। যেই আইপি থেকে হুজুর সাগর ভিডিও দেয় সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই আইপি ট্রেস করেও তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরবর্তীতে সাগর স্থানীয় যেই জামায়াতি নেতার বুদ্ধি পরামর্শে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল, সেই নেতার মোবাইল এর কল লিস্ট আর লোকেশন ট্র্যাক করে ধর্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে ময়মনসিংহ থেকে গ্রেফতার করে। ধর্ষককে বাঁচাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ও অপতথ্যের ফ্লাডিং ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। জামায়াত-শিবির সংশ্লিষ্ট আইডি এবং কওমি মাদ্রাসা-সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসাপন্থী ইনফ্লুয়েন্সাররা অভিযুক্ত ধর্ষক মাদরাসা শিক্ষককে রক্ষা করতে ভিত্তিহীন গুজব ও অপতথ্য ছড়াচ্ছেন। তারা দাবি করছেন যে, শিশুটির ভ্রূণের ডিএনএ টেস্ট হয়েছে এবং তাতে সাগর নয়, বরং শিশুটির
নানা দায়ী। এই মিথ্যা তথ্য ভাইরাল হয়েছে বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও পেজ থেকে। র্যাব-১৪ এর কমান্ডিং অফিসার নায়মুল হাসান বুধবার ময়মনসিংহে সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্টভাবে জানান, শিশুটির ভ্রূণের কোনো ডিএনএ পরীক্ষা এখনও হয়নি। এটি সম্পূর্ণ গুজব। প্রয়োজন হলে আদালতের অনুমতি নিয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। অনলাইন ইনফ্লুয়েন্সার সালমান মুক্তাদিরসহ কয়েকজন পরিচিত ব্যক্তি এই গুজব ছড়াতে ভূমিকা রেখেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ডা. সায়মার উপর হামলা ও হুমকি এই অপতথ্য ছড়ানোর ফলে ঘটনাটি সামনে আনা ডা. সায়মা চৌধুরীর উপর মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা দলবদ্ধভাবে হামলা ও হুমকি দিয়েছে। তাকে মিডিয়া ট্রায়ালের শিকারও হতে হয়েছে। ফলে ডা. সায়মা বর্তমানে জীবনের নিরাপত্তায় শঙ্কায় রয়েছেন বলে
জানা গেছে। ঘটনার বিবরণ শিশুটি ওই মাদ্রাসায় আবাসিক ছাত্রী ছিল। অভিযোগে বলা হয়, আমান উল্লাহ সাগর শিশুটিকে ধর্ষণ করে হত্যার হুমকি দিয়ে চুপ থাকতে বলেন। শারীরিক পরিবর্তন দেখে পরিবার বিষয়টি জানতে পারে এবং চিকিৎসকের পরীক্ষায় অন্তঃসত্ত্বা নিশ্চিত হয়। শিশুটির বয়স ও শারীরিক অবস্থা দেখে চিকিৎসকরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এ ঘটনায় সারাদেশে নারী ও শিশু অধিকার কর্মী, সাধারণ মানুষ এবং বিভিন্ন সংগঠন তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। অনেকে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থায় নজরদারি ও শিশু সুরক্ষা জোরদারের দাবি তুলেছেন। র্যাব জানিয়েছে, তদন্ত চলছে এবং সত্য উদঘাটনে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আদালতের মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে প্রকৃত ঘটনা আরও স্পষ্ট হবে। সংশ্লিষ্টরা অপতথ্য ছড়ানো
থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, তথ্য যাচাই না করে শেয়ার করলে বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে এবং নিরীহদের ক্ষতি হতে পারে। শিশুর সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব।
হচ্ছিল আইনও শৃঙ্খলা বাহিনীর। যেই আইপি থেকে হুজুর সাগর ভিডিও দেয় সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই আইপি ট্রেস করেও তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরবর্তীতে সাগর স্থানীয় যেই জামায়াতি নেতার বুদ্ধি পরামর্শে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল, সেই নেতার মোবাইল এর কল লিস্ট আর লোকেশন ট্র্যাক করে ধর্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে ময়মনসিংহ থেকে গ্রেফতার করে। ধর্ষককে বাঁচাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ও অপতথ্যের ফ্লাডিং ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। জামায়াত-শিবির সংশ্লিষ্ট আইডি এবং কওমি মাদ্রাসা-সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসাপন্থী ইনফ্লুয়েন্সাররা অভিযুক্ত ধর্ষক মাদরাসা শিক্ষককে রক্ষা করতে ভিত্তিহীন গুজব ও অপতথ্য ছড়াচ্ছেন। তারা দাবি করছেন যে, শিশুটির ভ্রূণের ডিএনএ টেস্ট হয়েছে এবং তাতে সাগর নয়, বরং শিশুটির
নানা দায়ী। এই মিথ্যা তথ্য ভাইরাল হয়েছে বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও পেজ থেকে। র্যাব-১৪ এর কমান্ডিং অফিসার নায়মুল হাসান বুধবার ময়মনসিংহে সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্টভাবে জানান, শিশুটির ভ্রূণের কোনো ডিএনএ পরীক্ষা এখনও হয়নি। এটি সম্পূর্ণ গুজব। প্রয়োজন হলে আদালতের অনুমতি নিয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। অনলাইন ইনফ্লুয়েন্সার সালমান মুক্তাদিরসহ কয়েকজন পরিচিত ব্যক্তি এই গুজব ছড়াতে ভূমিকা রেখেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ডা. সায়মার উপর হামলা ও হুমকি এই অপতথ্য ছড়ানোর ফলে ঘটনাটি সামনে আনা ডা. সায়মা চৌধুরীর উপর মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা দলবদ্ধভাবে হামলা ও হুমকি দিয়েছে। তাকে মিডিয়া ট্রায়ালের শিকারও হতে হয়েছে। ফলে ডা. সায়মা বর্তমানে জীবনের নিরাপত্তায় শঙ্কায় রয়েছেন বলে
জানা গেছে। ঘটনার বিবরণ শিশুটি ওই মাদ্রাসায় আবাসিক ছাত্রী ছিল। অভিযোগে বলা হয়, আমান উল্লাহ সাগর শিশুটিকে ধর্ষণ করে হত্যার হুমকি দিয়ে চুপ থাকতে বলেন। শারীরিক পরিবর্তন দেখে পরিবার বিষয়টি জানতে পারে এবং চিকিৎসকের পরীক্ষায় অন্তঃসত্ত্বা নিশ্চিত হয়। শিশুটির বয়স ও শারীরিক অবস্থা দেখে চিকিৎসকরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এ ঘটনায় সারাদেশে নারী ও শিশু অধিকার কর্মী, সাধারণ মানুষ এবং বিভিন্ন সংগঠন তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। অনেকে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থায় নজরদারি ও শিশু সুরক্ষা জোরদারের দাবি তুলেছেন। র্যাব জানিয়েছে, তদন্ত চলছে এবং সত্য উদঘাটনে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আদালতের মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে প্রকৃত ঘটনা আরও স্পষ্ট হবে। সংশ্লিষ্টরা অপতথ্য ছড়ানো
থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, তথ্য যাচাই না করে শেয়ার করলে বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে এবং নিরীহদের ক্ষতি হতে পারে। শিশুর সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব।



