ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নেত্রকোনায় ১১ বছরের শিশু ধর্ষণঃ ধর্ষককে বাঁচাতে মাদ্রাসাপন্থী ও জামায়াতিদের মিথ্যা তথ্য প্রচার; ধর্ষক হুজুর র্যাব-এর হেফাজতে
টঙ্গীতে বস্তির বিলাসবহুল এসি রুমে মাদক সেবন করেন নামিদামিরা
গজারিয়ায় পৃথক অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৩
‘ভুয়া ফটোকার্ড প্রথম কে আপলোড করেছে তা শনাক্ত সম্ভব’
১৩ লাখ টাকা দিলে পরীক্ষা ও পাস করা ছাড়াই জাতীয় জাদুঘরে চাকরির নিশ্চয়তা!
খুলনায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ২
রাউজানে টিলা কাটা নিয়ে বিরোধে বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যা
বগুড়ায় জিন তাড়ানোর নাম করে দাখিল পরীক্ষার্থীকে বারবার ধর্ষণ, ‘কোরআনিক চিকিৎসক’ গ্রেপ্তার
বগুড়া শহরের নামাজগড় এলাকায় জিন তাড়ানোর কথা বলে এক দাখিল পরীক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে রেজাউল করিম (৪০) নামে ‘কোরআনিক চিকিৎসক’ উপাধি ব্যবহারকারী এক হেকিমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গতকাল ৫ই মে,মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযুক্ত রেজাউল করিম নামাজগড় এলাকায় ‘আশ-সিফা দাওয়াখানা’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান খুলে ‘কোরআনিক’ পদ্ধতিতে হেকিমি ও ঝাড়ফুঁকের ‘চিকিৎসা’ চালিয়ে আসছিলেন বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবার জানায়, তাদের মেয়ে রাজশাহীর একটি কওমি মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষার্থী। দীর্ঘদিনের মাথাব্যথা উপশমের জন্য গত ৩রা মে, রোববার পরিচিত এক ব্যক্তির মাধ্যমে মেয়েকে রেজাউলের দাওয়াখানায় নিয়ে যান তার বাবা।
সেখানে যাওয়ার পর অভিযুক্ত রেজাউল দাবি করেন, কিশোরীর ওপর ‘জিনের আসর’ রয়েছে। ‘কোরআনিক’ পদ্ধতিতে ঝাড়ফুঁকের
নামে চিকিৎসার নাম করে তিনি কিশোরীকে ভেতরের একটি নির্জন কক্ষে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন এবং পরিবারের সদস্যদের বাইরে অপেক্ষা করতে বলেন। সেখানেই কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, একই দিন বিকেলে আরও চিকিৎসার কথা বলে ১৬ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে পুনরায় আসতে বলা হয়। পরিবারের সদস্যরা টাকা নিয়ে গেলে আবারও একই কায়দায় কিশোরীকে ধর্ষণ করেন ওই ‘কোরআনিক চিকিৎসক’। পরে ভুক্তভোগী কিশোরী কাঁদতে কাঁদতে পরিবারের কাছে সব প্রকাশ করলে বিষয়টি জানাজানি হয়। বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ সক্রিয় হয় এবং দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। ওসি আরও জানান,
ইতিমধ্যেই ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এই জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। ‘কোরআনিক চিকিৎসা’র নাম করে এমন পাশবিক ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা এ ধরনের প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।
নামে চিকিৎসার নাম করে তিনি কিশোরীকে ভেতরের একটি নির্জন কক্ষে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন এবং পরিবারের সদস্যদের বাইরে অপেক্ষা করতে বলেন। সেখানেই কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, একই দিন বিকেলে আরও চিকিৎসার কথা বলে ১৬ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে পুনরায় আসতে বলা হয়। পরিবারের সদস্যরা টাকা নিয়ে গেলে আবারও একই কায়দায় কিশোরীকে ধর্ষণ করেন ওই ‘কোরআনিক চিকিৎসক’। পরে ভুক্তভোগী কিশোরী কাঁদতে কাঁদতে পরিবারের কাছে সব প্রকাশ করলে বিষয়টি জানাজানি হয়। বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ সক্রিয় হয় এবং দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। ওসি আরও জানান,
ইতিমধ্যেই ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এই জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। ‘কোরআনিক চিকিৎসা’র নাম করে এমন পাশবিক ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা এ ধরনের প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।



