আমি কোনোদিনও তৃণমূলপন্থী ছিলাম না: কবীর সুমন – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৬ মে, ২০২৬

আমি কোনোদিনও তৃণমূলপন্থী ছিলাম না: কবীর সুমন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৬ মে, ২০২৬ |
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের নজিরবিহীন বিপর্যয় এবং ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) বিশাল জয়ের আবহে এক বিস্ফোরক সাক্ষাৎকারে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ফেলে দিলেন প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী কবীর সুমন। সংবাদ প্রতিদিনকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছেন, তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশেষ অনুরোধে তিনি নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন, তবে তিনি কখনোই এই দলের আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন না। সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে রাজ্যে ক্ষমতায় বিশাল পরিবর্তন এসেছে। ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিজেপি ২০৬টি আসন জিতে প্রথমবার সরকার গঠন করতে চলেছে, যেখানে তৃণমূলের ঝুলি নেমে এসেছে মাত্র ৮০-তে। খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর কেন্দ্রে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছেন। এই প্রেক্ষাপটে কবীর সুমনের এই

মন্তব্য রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সাক্ষাৎকারে কবীর সুমন স্পষ্ট জানান, তিনি কখনোই তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাথমিক সদস্য ছিলেন না। ২০০৯ সালে যখন তিনি যাদবপুর থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন, তা ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত অনুরোধের ফল। তাঁর ভাষায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাতে-পায়ে ধরে আমাকে নির্বাচনে দাঁড় করিয়েছিলেন। পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার পর আমি পদত্যাগ করি এবং রাজনীতির সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখিনি। রাজ্যে তৃণমূলের এই বিপর্যয়ের পেছনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণ চিহ্নিত করেছেন এই শিল্পী-রাজনীতিক। সুমনের মতে, রাজ্যে কর্মসংস্থানের ভয়াবহ অভাব এবং শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির মতো বিষয়গুলো সাধারণ মানুষের মনে তীব্র ক্ষোভ তৈরি করেছিল। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই অসন্তোষই ভোটের ফলাফলে প্রতিফলিত হয়েছে।

দলের বেশ কিছু প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং দীর্ঘ ১৫ বছরের একাধিপত্যের ফলে তৈরি হওয়া একঘেয়েমিকে তিনি পরাজয়ের কারণ হিসেবে দেখছেন। বিরোধী অবস্থানে থাকলেও মমতা সরকারের ‘সবুজ সাথী’ প্রকল্পের প্রশংসা করেছেন তিনি। তবে ক্ষমতা পরিবর্তনের এই সন্ধিক্ষণে তাঁর প্রধান চিন্তা রাজ্যের নারী নিরাপত্তা নিয়ে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সিপিএম বা তৃণমূল আমলের মতো নতুন বিজেপি সরকারও রাজ্যের মেয়েদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে ধোঁয়াশা বজায় রাখলেও সুমন ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ভবিষ্যতে যদি কোনো শক্তিশালী কমিউনিস্ট দল মাথা তুলে দাঁড়ায়, তবে তিনি তাদের সমর্থন দিতে পারেন। এমনকি তাদের জন্য গান বাঁধার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছেন তিনি। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ভোট দিতে হলে তিনি এখনো

তৃণমূলকেই বেছে নেবেন বলে জানান। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কবীর সুমনের মতো বুদ্ধিজীবীদের এই ভোলবদল প্রমাণ করে যে বাংলার রাজনীতি এখন এক ক্রান্তিকালের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। যেখানে পুরনো আনুগত্যের চেয়ে বর্তমান পরিস্থিতির রূঢ় বাস্তবতা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নতুন প্রেমে পড়েছেন প্রভা? হাম উপসর্গে ৮ জনের মৃত্যু মমতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়া সায়নী ঘোষ এবার বিদ্রোহী শিবিরে যেসব কারণে খালাস পেলেন ক্রিকেটার নাসির ও তার স্ত্রী তামিমা বিশ্বকাপে প্রথম মুখোমুখি হতে পারেন মেসি-রোনালদো সাইবার সুরক্ষা আইনে কন্টেন্ট অপসারণসহ যেসব বড় পরিবর্তন আসছে আ.লীগ ও ছাত্রলীগের দুই নেতা গ্রেফতার কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামির বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ জনই প্রতিবেশী বয়স, লিগ ও তারকার হিসাব-নিকাশে বিশ্বকাপের চিত্র যেমন তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল! ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন? বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা ১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয়