ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নিজের এআই ছবি নিয়ে বিপাকে ইতালির প্রধানমন্ত্রী
হরমুজ মিশনে যোগ দিতে দক্ষিণ কোরিয়াকে ট্রাম্পের চাপ
আমি ভোটে হারিনি, পদত্যাগ কেন করব : মমতা
চীনে আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১
গুপ্তচরবৃত্তির সন্দেহে ৩ রুশ কূটনীতিক বহিষ্কার
পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির ৫ কারণ
পদত্যাগ না করার ঘোষণা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতার
আমি কোনোদিনও তৃণমূলপন্থী ছিলাম না: কবীর সুমন
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের নজিরবিহীন বিপর্যয় এবং ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) বিশাল জয়ের আবহে এক বিস্ফোরক সাক্ষাৎকারে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ফেলে দিলেন প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী কবীর সুমন। সংবাদ প্রতিদিনকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছেন, তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশেষ অনুরোধে তিনি নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন, তবে তিনি কখনোই এই দলের আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন না।
সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে রাজ্যে ক্ষমতায় বিশাল পরিবর্তন এসেছে। ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিজেপি ২০৬টি আসন জিতে প্রথমবার সরকার গঠন করতে চলেছে, যেখানে তৃণমূলের ঝুলি নেমে এসেছে মাত্র ৮০-তে। খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর কেন্দ্রে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছেন। এই প্রেক্ষাপটে কবীর সুমনের এই
মন্তব্য রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সাক্ষাৎকারে কবীর সুমন স্পষ্ট জানান, তিনি কখনোই তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাথমিক সদস্য ছিলেন না। ২০০৯ সালে যখন তিনি যাদবপুর থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন, তা ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত অনুরোধের ফল। তাঁর ভাষায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাতে-পায়ে ধরে আমাকে নির্বাচনে দাঁড় করিয়েছিলেন। পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার পর আমি পদত্যাগ করি এবং রাজনীতির সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখিনি। রাজ্যে তৃণমূলের এই বিপর্যয়ের পেছনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণ চিহ্নিত করেছেন এই শিল্পী-রাজনীতিক। সুমনের মতে, রাজ্যে কর্মসংস্থানের ভয়াবহ অভাব এবং শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির মতো বিষয়গুলো সাধারণ মানুষের মনে তীব্র ক্ষোভ তৈরি করেছিল। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই অসন্তোষই ভোটের ফলাফলে প্রতিফলিত হয়েছে।
দলের বেশ কিছু প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং দীর্ঘ ১৫ বছরের একাধিপত্যের ফলে তৈরি হওয়া একঘেয়েমিকে তিনি পরাজয়ের কারণ হিসেবে দেখছেন। বিরোধী অবস্থানে থাকলেও মমতা সরকারের ‘সবুজ সাথী’ প্রকল্পের প্রশংসা করেছেন তিনি। তবে ক্ষমতা পরিবর্তনের এই সন্ধিক্ষণে তাঁর প্রধান চিন্তা রাজ্যের নারী নিরাপত্তা নিয়ে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সিপিএম বা তৃণমূল আমলের মতো নতুন বিজেপি সরকারও রাজ্যের মেয়েদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে ধোঁয়াশা বজায় রাখলেও সুমন ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ভবিষ্যতে যদি কোনো শক্তিশালী কমিউনিস্ট দল মাথা তুলে দাঁড়ায়, তবে তিনি তাদের সমর্থন দিতে পারেন। এমনকি তাদের জন্য গান বাঁধার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছেন তিনি। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ভোট দিতে হলে তিনি এখনো
তৃণমূলকেই বেছে নেবেন বলে জানান। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কবীর সুমনের মতো বুদ্ধিজীবীদের এই ভোলবদল প্রমাণ করে যে বাংলার রাজনীতি এখন এক ক্রান্তিকালের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। যেখানে পুরনো আনুগত্যের চেয়ে বর্তমান পরিস্থিতির রূঢ় বাস্তবতা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
মন্তব্য রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সাক্ষাৎকারে কবীর সুমন স্পষ্ট জানান, তিনি কখনোই তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাথমিক সদস্য ছিলেন না। ২০০৯ সালে যখন তিনি যাদবপুর থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন, তা ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত অনুরোধের ফল। তাঁর ভাষায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাতে-পায়ে ধরে আমাকে নির্বাচনে দাঁড় করিয়েছিলেন। পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার পর আমি পদত্যাগ করি এবং রাজনীতির সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখিনি। রাজ্যে তৃণমূলের এই বিপর্যয়ের পেছনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণ চিহ্নিত করেছেন এই শিল্পী-রাজনীতিক। সুমনের মতে, রাজ্যে কর্মসংস্থানের ভয়াবহ অভাব এবং শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির মতো বিষয়গুলো সাধারণ মানুষের মনে তীব্র ক্ষোভ তৈরি করেছিল। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই অসন্তোষই ভোটের ফলাফলে প্রতিফলিত হয়েছে।
দলের বেশ কিছু প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং দীর্ঘ ১৫ বছরের একাধিপত্যের ফলে তৈরি হওয়া একঘেয়েমিকে তিনি পরাজয়ের কারণ হিসেবে দেখছেন। বিরোধী অবস্থানে থাকলেও মমতা সরকারের ‘সবুজ সাথী’ প্রকল্পের প্রশংসা করেছেন তিনি। তবে ক্ষমতা পরিবর্তনের এই সন্ধিক্ষণে তাঁর প্রধান চিন্তা রাজ্যের নারী নিরাপত্তা নিয়ে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সিপিএম বা তৃণমূল আমলের মতো নতুন বিজেপি সরকারও রাজ্যের মেয়েদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে ধোঁয়াশা বজায় রাখলেও সুমন ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ভবিষ্যতে যদি কোনো শক্তিশালী কমিউনিস্ট দল মাথা তুলে দাঁড়ায়, তবে তিনি তাদের সমর্থন দিতে পারেন। এমনকি তাদের জন্য গান বাঁধার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছেন তিনি। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ভোট দিতে হলে তিনি এখনো
তৃণমূলকেই বেছে নেবেন বলে জানান। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কবীর সুমনের মতো বুদ্ধিজীবীদের এই ভোলবদল প্রমাণ করে যে বাংলার রাজনীতি এখন এক ক্রান্তিকালের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। যেখানে পুরনো আনুগত্যের চেয়ে বর্তমান পরিস্থিতির রূঢ় বাস্তবতা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।



