ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গৃহকর্মী থেকে প্রতিমন্ত্রী হয়ে কলিতা মাঝি পেলেন গৃহায়ণ মন্ত্রণালয়
মমতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়া সায়নী ঘোষ এবার বিদ্রোহী শিবিরে
ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির আভাস মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের
ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বদলে গেল মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণ, কীভাবে?
বিশ্লেষণ।। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র ট্রেড ডিল: কার স্বার্থে, কার বিনিময়ে?
যেসব জাহাজ হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করতে পারবে, জানাল ইরান
ইরান সরকার তাদের বন্দরগুলোতে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে রয়টার্স এই তথ্য জানিয়েছে।
একটি চিঠির উদ্ধৃতি দিয়ে তাসনিম জানিয়েছে, ইরানের বন্দর অভিমুখে আসা যেসব জাহাজ বর্তমানে ওমান উপসাগরে অবস্থান করছে, তারা নির্দিষ্ট নিরাপত্তা প্রোটোকল মেনে এবং কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় করে এই প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া মার্কিন-ইসরাইলি হামলার প্রতিবাদে ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছিল। উল্লেখ্য, এই প্রণালিটি বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিশ্বের মোট তেল বাণিজ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথেই সম্পন্ন হয়। দীর্ঘ
সময় ধরে চলা এই অচলাবস্থার পর অত্যাবশ্যকীয় পণ্যবাহী জাহাজের জন্য পথ খুলে দেওয়ার এই সিদ্ধান্তটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এই অনুমতির মানে এই নয় যে প্রণালিটি সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। তাসনিমের প্রতিবেদন জানায়, জাহাজগুলোকে অবশ্যই ইরানি কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত কঠোর নিয়মাবলী অনুসরণ করতে হবে। মূলত খাদ্য, ওষুধ ও অন্যান্য জরুরি সামগ্রী আমদানির ধারা সচল রাখতেই তেহরান এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। বর্তমান যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে জ্বালানি ও পণ্য সরবরাহ নিয়ে সৃষ্ট বৈশ্বিক উদ্বেগের মাঝেই ইরানের পক্ষ থেকে এই নতুন নির্দেশনা এল। সূত্র: রয়টার্স।
সময় ধরে চলা এই অচলাবস্থার পর অত্যাবশ্যকীয় পণ্যবাহী জাহাজের জন্য পথ খুলে দেওয়ার এই সিদ্ধান্তটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এই অনুমতির মানে এই নয় যে প্রণালিটি সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। তাসনিমের প্রতিবেদন জানায়, জাহাজগুলোকে অবশ্যই ইরানি কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত কঠোর নিয়মাবলী অনুসরণ করতে হবে। মূলত খাদ্য, ওষুধ ও অন্যান্য জরুরি সামগ্রী আমদানির ধারা সচল রাখতেই তেহরান এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। বর্তমান যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে জ্বালানি ও পণ্য সরবরাহ নিয়ে সৃষ্ট বৈশ্বিক উদ্বেগের মাঝেই ইরানের পক্ষ থেকে এই নতুন নির্দেশনা এল। সূত্র: রয়টার্স।



