ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জাতীয় স্মৃতিসৌধে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা নিবেদন
রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে মিলবে ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ
গণমাধ্যমে যৌন হয়রানি রোধে তিন প্রতিষ্ঠানের সমঝোতা স্মারক সই
গুজবের অবসান ও শেখ হাসিনার দূরদর্শিতা
বিনা বিচারে কারাবন্দি আর কতদিন?
স্বাধীনতার মাসে যুদ্ধাপরাধীদের নামে শোক প্রস্তাব, সংসদ কলুষিত করল বিএনপি-জামায়াত
এক কোটি টাকার রাস্তা, এক জীবনের ভিটা
নেপালে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি নির্দেশনা
নেপালে বর্তমানে অবস্থানরত বা আটকে পড়া বাংলাদেশি নাগরিকদের অযথা বাইরে বের না হতে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ সরকার। তাদের নিজ নিজ অবস্থান বা হোটেলে থাকতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
পোস্টে বলা হয়, নেপালে যাওয়ার উদ্দেশে যাত্রা করতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদেরও পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত নেপালের উদ্দেশে কোনো ফ্লাইট গ্রহণ না করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। বিদ্যমান নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির কারণে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
জরুরি প্রয়োজনে বাংলাদেশিদের +৯৭৭৯৮০৩৮৭২৭৫৯ অথবা +৯৭৭ ৯৮৫১১২৮৩৮১ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
এদিকে, নেপালে ৩৬ সদস্যের জাতীয় ফুটবল দলের পাশাপাশি মিরপুরের ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজের (ডিএসসিএসসি)
৫১ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলও আটকে পড়েছেন। তারা নেপালে একটি বিদেশভ্রমণমূলক শিক্ষা সফরের অংশ হিসেবে গিয়েছিলেন এবং বর্তমানে কাঠমান্ডুতে অবস্থান করছেন। তাদের সেখানকার নির্ধারিত কার্যক্রম বাতিল করা হয়েছে এবং আগামী ১২ সেপ্টেম্বর তাদের ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে। বাংলাদেশ দূতাবাস নিয়মিত তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছে বলেও সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ২৬টি সামাজিক মাধ্যমের সাইট বন্ধের জেরে রাজপথে নেমে এসেছিলেন নেপালের ছাত্র-জনতা। তাদের থামাতে সেখানকার নিরাপত্তা বাহিনী নির্বিচারে গুলি চালালে ১৯ জনের প্রাণহানি হয়। এরপর আন্দোলন নেপালজুড়ে ছড়িয়ে পড়লে দেশটিতে অচলাবস্থা তৈরি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পদত্যাগ করেছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি।
৫১ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলও আটকে পড়েছেন। তারা নেপালে একটি বিদেশভ্রমণমূলক শিক্ষা সফরের অংশ হিসেবে গিয়েছিলেন এবং বর্তমানে কাঠমান্ডুতে অবস্থান করছেন। তাদের সেখানকার নির্ধারিত কার্যক্রম বাতিল করা হয়েছে এবং আগামী ১২ সেপ্টেম্বর তাদের ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে। বাংলাদেশ দূতাবাস নিয়মিত তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছে বলেও সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ২৬টি সামাজিক মাধ্যমের সাইট বন্ধের জেরে রাজপথে নেমে এসেছিলেন নেপালের ছাত্র-জনতা। তাদের থামাতে সেখানকার নিরাপত্তা বাহিনী নির্বিচারে গুলি চালালে ১৯ জনের প্রাণহানি হয়। এরপর আন্দোলন নেপালজুড়ে ছড়িয়ে পড়লে দেশটিতে অচলাবস্থা তৈরি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পদত্যাগ করেছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি।



