ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নৌযান-জেটি না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে মাঝ নদীতে লঞ্চে উঠছে যাত্রীরা
সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনায় ৬ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন
ফেনীতে চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি কর্মীর রেস্টুরেন্ট ভাঙচুর ও অর্থ লুটপাট যুবদলকর্মীদের
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১২ কিমিজুড়ে থেমে থেমে যানজট
আইজিপির বাসায় চুরির খবর গুজব: পুলিশ সদর দপ্তর
মাইক্রোবাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে চালকসহ নিহত ৩
চাল চুরির সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকের ওপর ছাত্রদল নেতার হামলা!
সিলেটে রেস্টুরেন্টে বসে আড্ডা নবীগঞ্জের ইউপি চেয়ারম্যানের, অতঃপর…
নবীগঞ্জ উপজেলার করগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্মলেন্দু দাশ রানাকে (৪৫) সিলেট নগরীতে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় ছাত্র-জনতা।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে সিলেট নগরীর ব্যস্ততম রিকাবীবাজার এলাকার ফাতেমা রেস্টুরেন্টে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই সময় রেস্টুরেন্টে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন নবীগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও করগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান নির্মলেন্দু দাশ রানা, নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ মিলু এবং বাংলাদেশ গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন জীবন।
এ সময় উপস্থিত ছাত্র-জনতার মধ্যে নবীগঞ্জের সাবেক ২-৩ জন ছাত্রনেতা নির্মলেন্দু দাশ রানাকে চিনে ফেলেন। তারা তাকে পাকড়াও করে আটক করার চেষ্টা করলে
উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। মোস্তাক আহমেদ মিলু ও আবুল হোসেন জীবন প্রাণপণ চেষ্টা করেও রানাকে ছাত্রদের হাত থেকে রক্ষা করতে ব্যর্থ হন। একপর্যায়ে ছাত্র-জনতা তাকে ঘিরে ধরে বেধড়ক মারধর ও গণপিটুনি দেন। খবর পেয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের লামাবাজার ফাঁড়ির এসআই আলী হোসেনের নেতৃত্বে একটি টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নির্মলেন্দু দাশ রানাকে উদ্ধার করে পুলিশের হেফাজতে নেয়। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় জামায়াতে ইসলামীর একটি মিছিলে হামলার অভিযোগে নির্মলেন্দু দাশ রানাকে প্রধান আসামি করে আওয়ামী লীগের আরও ২৬ নেতার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর নবীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন দলটির সদর ইউনিয়ন সভাপতি শাহ মো. আলাউদ্দিন। মামলার পর থেকেই আত্মগোপনে
চলে যান রানা। এছাড়া সম্প্রতি ঢাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্রদের ওপর হামলার অভিযোগে নির্মলেন্দু দাশ রানার বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা দায়ের হয়। নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামাল হোসেন এ বিষয়ে সাংবাদিকদের জানান, করগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্মলেন্দু দাশ রানাকে আটকের খবর পেয়েছি। বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য খোঁজখবর নিচ্ছি। ঘটনার পর থেকে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে জনমনে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এছাড়াও গণঅধিকার পরিষদ কেন্দ্রীয় নেতা আবুল হোসেন জীবনকে নিয়ে চলছে মুখরোচক আলোচনা। কেউ বলছেন সম্প্রতি সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ করা সংগঠন আওয়ামী লীগ নেতাদের নিয়ে কিসের গোপন বৈঠক ছিল তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। আবার কেউ বলছেন
আবুল হোসেন জীবনই কৌশলে রানা দাশকে ধরিয়ে দেন। ফলে এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে হইচই শুরু হয়েছে।
উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। মোস্তাক আহমেদ মিলু ও আবুল হোসেন জীবন প্রাণপণ চেষ্টা করেও রানাকে ছাত্রদের হাত থেকে রক্ষা করতে ব্যর্থ হন। একপর্যায়ে ছাত্র-জনতা তাকে ঘিরে ধরে বেধড়ক মারধর ও গণপিটুনি দেন। খবর পেয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের লামাবাজার ফাঁড়ির এসআই আলী হোসেনের নেতৃত্বে একটি টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নির্মলেন্দু দাশ রানাকে উদ্ধার করে পুলিশের হেফাজতে নেয়। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় জামায়াতে ইসলামীর একটি মিছিলে হামলার অভিযোগে নির্মলেন্দু দাশ রানাকে প্রধান আসামি করে আওয়ামী লীগের আরও ২৬ নেতার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর নবীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন দলটির সদর ইউনিয়ন সভাপতি শাহ মো. আলাউদ্দিন। মামলার পর থেকেই আত্মগোপনে
চলে যান রানা। এছাড়া সম্প্রতি ঢাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্রদের ওপর হামলার অভিযোগে নির্মলেন্দু দাশ রানার বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা দায়ের হয়। নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামাল হোসেন এ বিষয়ে সাংবাদিকদের জানান, করগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্মলেন্দু দাশ রানাকে আটকের খবর পেয়েছি। বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য খোঁজখবর নিচ্ছি। ঘটনার পর থেকে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে জনমনে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এছাড়াও গণঅধিকার পরিষদ কেন্দ্রীয় নেতা আবুল হোসেন জীবনকে নিয়ে চলছে মুখরোচক আলোচনা। কেউ বলছেন সম্প্রতি সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ করা সংগঠন আওয়ামী লীগ নেতাদের নিয়ে কিসের গোপন বৈঠক ছিল তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। আবার কেউ বলছেন
আবুল হোসেন জীবনই কৌশলে রানা দাশকে ধরিয়ে দেন। ফলে এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে হইচই শুরু হয়েছে।



