ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চীনা মুদ্রার কাছে কোণঠাসা মার্কিন ডলার
পরমাণু আলোচনার আগেই হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে চায় ইরান
যুক্তরাজ্যে মার্কিন নাগরিকদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে আবারও যুদ্ধ শুরু হতে পারে: ইরান
জার্মানিতে কেন মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে?
হরমুজে নিয়ন্ত্রণ দৃঢ় করতে সামরিক পদক্ষেপ নিচ্ছে ইরান
জার্মানিতে কেন মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে?
৭২ ঘণ্টায় মার্কিন অবরোধ ভেঙেছে ৫২ ইরানি জাহাজ
যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নৌ-অবরোধ উপেক্ষা করে গত ৭২ ঘণ্টায় ৫২টি ইরানি জাহাজ নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছেছে বলে দাবি করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।
স্যাটেলাইট ট্র্যাকিং ডেটার বরাত দিয়ে আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ জানিয়েছে, সোমবার স্থানীয় সময় রাত ১০টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী তিন দিনে এসব জাহাজ মার্কিন অবরোধ রেখা অতিক্রম করে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, অতিক্রম করা জাহাজগুলোর মধ্যে ৩১টি তেলবাহী ট্যাংকার এবং ২১টি পণ্যবাহী কার্গো জাহাজ রয়েছে। একই সময়ে ৩০টি জাহাজ কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে, যার মধ্যে ইরানের ৬টি ট্যাংকার ও ৫টি কার্গো জাহাজ অন্তর্ভুক্ত।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ১৩ এপ্রিল থেকে ইরানের বন্দরগুলোতে কঠোর নৌ-অবরোধ আরোপের ঘোষণা দেন। তবে তেহরানের দাবি, মার্কিন
নজরদারি ও হুমকি সত্ত্বেও তাদের জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এর আগে তেলবাহী ট্যাংকার ট্র্যাকিং সংস্থা ভর্টেক্সা জানায়, অন্তত ৩৪টি ইরানি ট্যাংকার অবরোধ ভেঙে প্রায় ১১ মিলিয়ন ব্যারেল তেল সরবরাহ করেছে। ইরান আরও জানিয়েছে, মার্কিন পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়ায় তারা হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ ও বিধিনিষেধ জোরদার করেছে। প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। পরদিন ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) হরমুজ প্রণালি জাহাজ চলাচলের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে। পরবর্তীতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। তবে ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কোনো স্থায়ী সমঝোতা হয়নি। সর্বশেষ ২১ এপ্রিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
জানান, পাকিস্তানের অনুরোধে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে এবং ইরানের পক্ষ থেকে নতুন প্রস্তাব না আসা পর্যন্ত তা বহাল থাকবে। সূত্র: ফারস নিউজ, মিডল ইস্ট মনিটর
নজরদারি ও হুমকি সত্ত্বেও তাদের জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এর আগে তেলবাহী ট্যাংকার ট্র্যাকিং সংস্থা ভর্টেক্সা জানায়, অন্তত ৩৪টি ইরানি ট্যাংকার অবরোধ ভেঙে প্রায় ১১ মিলিয়ন ব্যারেল তেল সরবরাহ করেছে। ইরান আরও জানিয়েছে, মার্কিন পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়ায় তারা হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ ও বিধিনিষেধ জোরদার করেছে। প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। পরদিন ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) হরমুজ প্রণালি জাহাজ চলাচলের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে। পরবর্তীতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। তবে ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কোনো স্থায়ী সমঝোতা হয়নি। সর্বশেষ ২১ এপ্রিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
জানান, পাকিস্তানের অনুরোধে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে এবং ইরানের পক্ষ থেকে নতুন প্রস্তাব না আসা পর্যন্ত তা বহাল থাকবে। সূত্র: ফারস নিউজ, মিডল ইস্ট মনিটর



