ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ১৫ কিলোমিটার যানজট
বগুড়ার প্রথম জুলাই শহীদের মা ১৬ মামলার আসামি হেরোইন ও বিভিন্ন মাদকসহ গ্রেপ্তার
হাটহাজারীতে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি বর্ষণ: আহত-১, এলাকায় চরম আতঙ্ক
ঝিনাইদহে ১৫ই আগস্টে শোকপালন: প্রবাসী সাবেক ছাত্রলীগ নেতাসহ মামলায় আসামি ১৫ নেতাকর্মী
কাশিয়ানীতে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ কর্মসূচি
সিলেটে ট্রিপল মার্ডার: গ্রেপ্তার বাবুলের ৪ দিনের রিমান্ড
সূত্রাপুরে শ্রমিক মিতুল হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ১০
হাত-পা ম্যাসাজের জন্য কক্ষে ডেকে নিয়ে ছাত্রকে ধর্ষণ, কোরান হাফেজ আটক
কুমিল্লার চান্দিনায় এক মাদ্রাসাছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে কোরান হাফেজ মো. মনির হোসেন (৩২) নামে এক শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ।
গতকাল ১৮ই আগস্ট, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনায় গ্রাম্য সালিশ চলাকালে তাকে আটক করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, সোমবার দিবাগত রাতে দোল্লাই নবাবপুর বাজার এলাকার নবাবপুর মারকাযুন নূর মাদ্রাসার নূরানী বিভাগের এক ছাত্রকে ধর্ষণ করেন শিক্ষক মনির হোসেন।
তিনি চান্দিনা উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার রাতে মাথা ও পা ম্যাসাজ করে দেওয়ার কথা বলে শিক্ষক মনির তাকে একটি কক্ষে ডেকে নেন। সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেছে ওই শিক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্র
জানায়, ঘটনার পর মঙ্গলবার সকালে বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের কাছে বিষয়টি জানায় শিক্ষার্থীটি। পরে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি ঘটনার কথা স্বীকার করেন। একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা তাকে মারধর করে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যায়। সন্ধ্যায় ইউনিয়ন পরিষদে বিষয়টি মীমাংসার উদ্দেশ্যে গ্রাম্য সালিশ বসানো হয়। সেখানে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মিঞাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। ধর্ষণের অভিযোগের মতো গুরুতর ঘটনায় গ্রাম্য সালিশ বসার বিষয়ে দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মিঞা বলেন, দুই পক্ষ তার পরিষদে এসে
বিষয়টি মীমাংসার অনুরোধ করায় তারা সালিশে বসেছিলেন। পরে পুলিশ এসে অভিযুক্ত শিক্ষককে নিয়ে যায়। চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান জানান, স্থানীয় সংবাদকর্মীদের কাছ থেকে বিষয়টি জানার পর পুলিশ দ্রুত ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় মামলা করবে বলে পুলিশকে জানিয়েছে।
জানায়, ঘটনার পর মঙ্গলবার সকালে বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের কাছে বিষয়টি জানায় শিক্ষার্থীটি। পরে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি ঘটনার কথা স্বীকার করেন। একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা তাকে মারধর করে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যায়। সন্ধ্যায় ইউনিয়ন পরিষদে বিষয়টি মীমাংসার উদ্দেশ্যে গ্রাম্য সালিশ বসানো হয়। সেখানে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মিঞাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। ধর্ষণের অভিযোগের মতো গুরুতর ঘটনায় গ্রাম্য সালিশ বসার বিষয়ে দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মিঞা বলেন, দুই পক্ষ তার পরিষদে এসে
বিষয়টি মীমাংসার অনুরোধ করায় তারা সালিশে বসেছিলেন। পরে পুলিশ এসে অভিযুক্ত শিক্ষককে নিয়ে যায়। চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান জানান, স্থানীয় সংবাদকর্মীদের কাছ থেকে বিষয়টি জানার পর পুলিশ দ্রুত ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় মামলা করবে বলে পুলিশকে জানিয়েছে।



