ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
১২ ঘণ্টার জন্য দীপু মনির প্যারোল অনুমতি, প্রশ্ন—‘কেন আগামীকাল, আজ নয় কেন?’
দ্য ইস্টার্ন হেরাল্ড || শেখ হাসিনাই বাংলাদেশ গড়েছেন- যে অবদান কোনো আদালত মুছে দিতে পারবে না
পুলিশ লাইন্সের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পণ্ড করতে উগ্রবাদীদের হামলা, পুলিশি প্রতিরোধে আহত ২০
প্রবাসে থাকা দলীয় কর্মীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার জেরে পদ গেল জামায়াত আমিরের
রাশান দূতাবাস: রাশিয়া থেকে গম আমদানিতে আওয়ামী লীগের মন্ত্রীর দুর্নীতির অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন
রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের নতুন কূটনৈতিক ফাঁদ?
শুক্রবার সন্ধ্যায় শপথ নেবেন নতুন রাষ্ট্রপতি: চিফ হুইপ
মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী সতীশ চন্দ্র রায় আর নেই
মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ সতীশ চন্দ্র রায় মারা গেছেন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং সাবেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৮ই আগস্ট, মঙ্গলবার রাত ১০টা ৫ মিনিটে বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় দিনাজপুরে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর। বাবার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বড় ছেলে অরবিন্দু রায়।
সতীশ চন্দ্র রায়ের শেষকৃত্য ও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ১৯শে আগস্টম বুধবার দুপুর ১২টায় দিনাজপুরের বিরল উপজেলার ৯ নম্বর মঙ্গলপুর ইউনিয়নের মোস্তফাবাদ গ্রামে তার পারিবারিক শ্মশানে অনুষ্ঠিত হয়।
সতীশ চন্দ্র রায় ১৯৪১ সালের ৩০শে নভেম্বর দিনাজপুরের বিরল উপজেলার মোস্তফাবাদ গ্রামে জন্মগ্রহণ
করেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। পেশাগত জীবনে শিক্ষকতা করলেও পরবর্তী সময়ে সক্রিয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় থেকে তৎকালীন দিনাজপুর-৭ এবং পরবর্তীতে দিনাজপুর-২ আসন থেকে দলটির মনোনয়নে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রিসভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান সতীশ চন্দ্র রায়। পরে তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি আওয়ামী লীগের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সতীশ চন্দ্র রায় স্ত্রী, তিন ছেলে ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য রাজনৈতিক সহযোদ্ধা, অনুসারী ও গুণগ্রাহী
রেখে গেছেন।
করেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। পেশাগত জীবনে শিক্ষকতা করলেও পরবর্তী সময়ে সক্রিয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় থেকে তৎকালীন দিনাজপুর-৭ এবং পরবর্তীতে দিনাজপুর-২ আসন থেকে দলটির মনোনয়নে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রিসভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান সতীশ চন্দ্র রায়। পরে তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি আওয়ামী লীগের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সতীশ চন্দ্র রায় স্ত্রী, তিন ছেলে ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য রাজনৈতিক সহযোদ্ধা, অনুসারী ও গুণগ্রাহী
রেখে গেছেন।



