ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কলকাতার অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশিদের জন্য হেল্পলাইন চালু
ইরানের সঙ্গে আলোচনার কোনো পরিকল্পনা নেই: ট্রাম্প
কলকাতায় নিউমার্কেট এলাকায় হোটেলে আগুন, ৯ বাংলাদেশি নিহত
নেপালের সেনাবাহিনীর জেনারেল হলেন ভারতীয় সেনাপ্রধান
ফিলিপাইনের স্কুলে শিক্ষার্থীর গুলিতে নিহত ৪
ওভাল অফিসে ট্রাম্পের কটাক্ষের মুখে নারী সাংবাদিক
প্রেমিকের সহায়তায় স্বামী-সন্তানকে হত্যা করলেন স্ত্রী
সরু সিঁড়ি, নেই জরুরি বহির্গমন পথ, কলকাতার হোটেল নিয়ে নানা প্রশ্ন
পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার তারাপীঠে হোটেলে আগুনের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার কলকাতায় ভয়াবহ আগুনে প্রাণ গেল অন্তত ৯ জনের। নিউমার্কেট এলাকার ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের পাঁচতলা একটি হোটেলে বুধবার (১৯ আগস্ট) গভীর রাতে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
নিহতদের সবাই বাংলাদেশি নাগরিক বলে ভারতীয় কয়েকটি গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে। তবে রয়টার্স বলছে, নিহতদের জাতীয়তা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া চলছিল।
ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গের ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের খুব কাছেই। ফলে ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তরের এত কাছে থাকা একটি হোটেলে কীভাবে এমন ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটল এবং ভবনটির অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা কেন কার্যকর ছিল না-তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, রাত প্রায় ২টার দিকে নিউমার্কেট থানা এলাকার ফ্রি
স্কুল স্ট্রিটের ওই ভবনের তৃতীয় তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে ঘন কালো ধোঁয়ায় ভবনের বিভিন্ন কক্ষ ভরে যায়। অধিকাংশ আবাসিক তখন ঘুমিয়ে থাকায় আগুনের বিষয়টি বুঝে ওঠার আগেই ধোঁয়ায় শ্বাস নিতে কষ্ট শুরু হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে ধোঁয়ার উৎস শনাক্ত করার চেষ্টা করেন এবং উদ্ধারকাজে হাত লাগান। পরে খবর দেওয়া হয় ফায়ার সার্ভিসকে। ঘটনাস্থলে কয়েকটি দমকলের গাড়ি, পুলিশ ও দুর্যোগ মোকাবিলা দলের সদস্যরা গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। ঘন ধোঁয়ার কারণে ওপরের তলায় পৌঁছাতে দমকলকর্মীদেরও বেগ পেতে হয়। উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর ৯ জনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। তাঁদের মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ছয়জন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে,
অধিকাংশের মৃত্যু হয়েছে ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে। অগ্নিকাণ্ডের পর হোটেলটির অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভবনটিতে জরুরি বের হওয়ার আলাদা পথ ছিল না। ছিল সরু সিঁড়ি এবং ঘিঞ্জি পরিবেশ। একই ভবনের বিভিন্ন তলায় একাধিক ছোট হোটেল পরিচালিত হচ্ছিল। আধুনিক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ও পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা ছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ফলে নিউমার্কেট থানা ও কলকাতা পৌরসভার এত কাছে থাকা ভবনে কীভাবে অগ্নিনিরাপত্তার এমন ঘাটতি ছিল, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বেআইনিভাবে হোটেল পরিচালনা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। অগ্নিকাণ্ডের কারণ এখনো নিশ্চিত নয়। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক ত্রুটি বা শর্ট সার্কিটের সম্ভাবনার কথা
বলা হলেও হোটেলের শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলেও প্রাথমিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এনডিটিভি জানিয়েছে, এসি বিস্ফোরণকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে দেখা হলেও তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। ঘটনার পর পুলিশ ভবনটি ঘিরে রেখেছে এবং হোটেলটি সিল করে দেওয়া হয়েছে। আগুনের প্রকৃত কারণ ও ভবনটির অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থলে গেছেন। কলকাতা পুলিশের কর্মকর্তারাও তদন্তে যুক্ত হয়েছেন। ভবনটির মালিকের অবস্থান নিয়েও পুলিশ খোঁজ করছে। মৃতদের পরিচয় শনাক্তের প্রক্রিয়াও চলছে। তাঁদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশি নাগরিকদের পরিচয় ও সংখ্যা যাচাইয়ে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষও তথ্য সংগ্রহ করছে। মাত্র কয়েক দিন আগে পশ্চিমবঙ্গের তারাপীঠে হোটেলে
অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির পর কলকাতার এই ঘটনা আবারও রাজ্যের হোটেল ও আবাসিক ভবনগুলোর অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বড় প্রশ্ন সামনে এনেছে। একের পর এক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পর্যাপ্ত নজরদারি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না হলে ভবিষ্যতে আরও প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। সূত্র: রয়টার্স,এনডিটিভি
স্কুল স্ট্রিটের ওই ভবনের তৃতীয় তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে ঘন কালো ধোঁয়ায় ভবনের বিভিন্ন কক্ষ ভরে যায়। অধিকাংশ আবাসিক তখন ঘুমিয়ে থাকায় আগুনের বিষয়টি বুঝে ওঠার আগেই ধোঁয়ায় শ্বাস নিতে কষ্ট শুরু হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে ধোঁয়ার উৎস শনাক্ত করার চেষ্টা করেন এবং উদ্ধারকাজে হাত লাগান। পরে খবর দেওয়া হয় ফায়ার সার্ভিসকে। ঘটনাস্থলে কয়েকটি দমকলের গাড়ি, পুলিশ ও দুর্যোগ মোকাবিলা দলের সদস্যরা গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। ঘন ধোঁয়ার কারণে ওপরের তলায় পৌঁছাতে দমকলকর্মীদেরও বেগ পেতে হয়। উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর ৯ জনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। তাঁদের মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ছয়জন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে,
অধিকাংশের মৃত্যু হয়েছে ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে। অগ্নিকাণ্ডের পর হোটেলটির অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভবনটিতে জরুরি বের হওয়ার আলাদা পথ ছিল না। ছিল সরু সিঁড়ি এবং ঘিঞ্জি পরিবেশ। একই ভবনের বিভিন্ন তলায় একাধিক ছোট হোটেল পরিচালিত হচ্ছিল। আধুনিক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ও পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা ছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ফলে নিউমার্কেট থানা ও কলকাতা পৌরসভার এত কাছে থাকা ভবনে কীভাবে অগ্নিনিরাপত্তার এমন ঘাটতি ছিল, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বেআইনিভাবে হোটেল পরিচালনা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। অগ্নিকাণ্ডের কারণ এখনো নিশ্চিত নয়। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক ত্রুটি বা শর্ট সার্কিটের সম্ভাবনার কথা
বলা হলেও হোটেলের শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলেও প্রাথমিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এনডিটিভি জানিয়েছে, এসি বিস্ফোরণকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে দেখা হলেও তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। ঘটনার পর পুলিশ ভবনটি ঘিরে রেখেছে এবং হোটেলটি সিল করে দেওয়া হয়েছে। আগুনের প্রকৃত কারণ ও ভবনটির অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থলে গেছেন। কলকাতা পুলিশের কর্মকর্তারাও তদন্তে যুক্ত হয়েছেন। ভবনটির মালিকের অবস্থান নিয়েও পুলিশ খোঁজ করছে। মৃতদের পরিচয় শনাক্তের প্রক্রিয়াও চলছে। তাঁদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশি নাগরিকদের পরিচয় ও সংখ্যা যাচাইয়ে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষও তথ্য সংগ্রহ করছে। মাত্র কয়েক দিন আগে পশ্চিমবঙ্গের তারাপীঠে হোটেলে
অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির পর কলকাতার এই ঘটনা আবারও রাজ্যের হোটেল ও আবাসিক ভবনগুলোর অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বড় প্রশ্ন সামনে এনেছে। একের পর এক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পর্যাপ্ত নজরদারি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না হলে ভবিষ্যতে আরও প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। সূত্র: রয়টার্স,এনডিটিভি



