ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
১২ ঘণ্টার জন্য দীপু মনির প্যারোল অনুমতি, প্রশ্ন—‘কেন আগামীকাল, আজ নয় কেন?’
মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী সতীশ চন্দ্র রায় আর নেই
দ্য ইস্টার্ন হেরাল্ড || শেখ হাসিনাই বাংলাদেশ গড়েছেন- যে অবদান কোনো আদালত মুছে দিতে পারবে না
প্রবাসে থাকা দলীয় কর্মীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার জেরে পদ গেল জামায়াত আমিরের
রাশান দূতাবাস: রাশিয়া থেকে গম আমদানিতে আওয়ামী লীগের মন্ত্রীর দুর্নীতির অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন
রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের নতুন কূটনৈতিক ফাঁদ?
শুক্রবার সন্ধ্যায় শপথ নেবেন নতুন রাষ্ট্রপতি: চিফ হুইপ
পুলিশ লাইন্সের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পণ্ড করতে উগ্রবাদীদের হামলা, পুলিশি প্রতিরোধে আহত ২০
মাদ্রাসার উগ্রবাদীা শিক্ষার্থীদের বাধা ও ভাঙচুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পুলিশের আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পণ্ড হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে এতে অন্তত ২০ জন আহত হন।
১৮ই আগস্ট, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকায় জেলা পুলিশ লাইন্সে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরীর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আগমন উপলক্ষে পুলিশ লাইন্সে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জেলা পুলিশ।
ডিআইজি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে চলে যাওয়ার পরও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি চলছিল। পরে পার্শ্ববর্তী জামিয়া দারুল আরকাম আল-ইসলামিয়া মাদ্রাসার উগ্রবাদীা শিক্ষার্থীরা পুলিশ লাইন্সে গিয়ে আয়োজকদের গান-বাজনা বন্ধের হুমকি-ধমকি দেন।
এ নিয়ে দুই
পক্ষের মধ্যে তর্কবিতর্ক শুরু হয়। পরে শতাধিক উগ্রবাদী পুলিশ লাইন্সে জোরপূর্বক ঢুকে পড়লে সংঘাতময় পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। পুলিশ সদস্যদের ওপর চড়াও হওয়া উগ্রবাদীদের প্রতিহত করতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ তাদের ওপর লাঠিচার্জ করে। জামিয়া দারুল আরকাম আল-ইসলামিয়া মাদ্রাসার উগ্রবাদী শিক্ষার্থীদের দাবি, গান-বাজনার কারণে তাদের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটছিল। জানা যায়, গান-বাজনা নিয়ে আপত্তি করা হলে পুলিশ কর্তৃপক্ষ একদফা সাউন্ড সিস্টেমের শব্দ কমিয়ে দেন। কিন্তু এর পরেও তাদের ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করে উগ্রবাদীরা। গান-বাজনা নিয়ে আপত্তি তুলে উগ্রবাদীরা পুলিশ লাইন্সে ইট-পাটকেল ছোড়ে। একপর্যায়ে জোরপূর্বক ভেতরে ঢুকে হামলা চালালে পুলিশ উগ্রবাদীদের ওপর লাঠিচার্জ করে। এ ঘটনায় পুলিশদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন উগ্রবাদীরা। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি
দেন। এদিকে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাৎক্ষণিকভাবে জামিয়া দারুল আরকাম আল-ইসলামিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব সাজিদুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকে বসেন পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ। বৈঠকে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভবিষ্যতে পুলিশ লাইন্সে গান-বাজনার অনুষ্ঠান আয়োজন বন্ধ করা, আহত শিক্ষার্থীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে তারা কঠোর আন্দোলনে যাবেন। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এদিকে স্থানীয়রা এমন উগ্রবাদী আগ্রাসনে পুলিশের নমনীয় ভূমিকায় ক্ষুব্ধ। দেশকে উগ্রপন্থার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে বলে জানান স্থানীয় সংস্কৃতিকর্মীরা। রাতভর ওয়াজের মাইকের কারণে পরীক্ষার্থী, শিশু-বৃদ্ধ, অসুস্থ নাগরিকদের
যে পীড়াদায়ক পরিস্থিতিতে পড়তে হয়, সেসব নিয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ কখনো ভাবে না। গান-বাজনায় তাদের গাত্রদাহ হয়, মন্তব্য করেন একাধিক সংস্কৃতিকর্মী। পুলিশ নমনীয় অবস্থানে গেলে দেশে সংস্কৃতির পরিবেশ বিপন্ন হবে বলেও জানান তারা।
পক্ষের মধ্যে তর্কবিতর্ক শুরু হয়। পরে শতাধিক উগ্রবাদী পুলিশ লাইন্সে জোরপূর্বক ঢুকে পড়লে সংঘাতময় পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। পুলিশ সদস্যদের ওপর চড়াও হওয়া উগ্রবাদীদের প্রতিহত করতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ তাদের ওপর লাঠিচার্জ করে। জামিয়া দারুল আরকাম আল-ইসলামিয়া মাদ্রাসার উগ্রবাদী শিক্ষার্থীদের দাবি, গান-বাজনার কারণে তাদের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটছিল। জানা যায়, গান-বাজনা নিয়ে আপত্তি করা হলে পুলিশ কর্তৃপক্ষ একদফা সাউন্ড সিস্টেমের শব্দ কমিয়ে দেন। কিন্তু এর পরেও তাদের ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করে উগ্রবাদীরা। গান-বাজনা নিয়ে আপত্তি তুলে উগ্রবাদীরা পুলিশ লাইন্সে ইট-পাটকেল ছোড়ে। একপর্যায়ে জোরপূর্বক ভেতরে ঢুকে হামলা চালালে পুলিশ উগ্রবাদীদের ওপর লাঠিচার্জ করে। এ ঘটনায় পুলিশদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন উগ্রবাদীরা। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি
দেন। এদিকে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাৎক্ষণিকভাবে জামিয়া দারুল আরকাম আল-ইসলামিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব সাজিদুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকে বসেন পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ। বৈঠকে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভবিষ্যতে পুলিশ লাইন্সে গান-বাজনার অনুষ্ঠান আয়োজন বন্ধ করা, আহত শিক্ষার্থীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে তারা কঠোর আন্দোলনে যাবেন। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এদিকে স্থানীয়রা এমন উগ্রবাদী আগ্রাসনে পুলিশের নমনীয় ভূমিকায় ক্ষুব্ধ। দেশকে উগ্রপন্থার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে বলে জানান স্থানীয় সংস্কৃতিকর্মীরা। রাতভর ওয়াজের মাইকের কারণে পরীক্ষার্থী, শিশু-বৃদ্ধ, অসুস্থ নাগরিকদের
যে পীড়াদায়ক পরিস্থিতিতে পড়তে হয়, সেসব নিয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ কখনো ভাবে না। গান-বাজনায় তাদের গাত্রদাহ হয়, মন্তব্য করেন একাধিক সংস্কৃতিকর্মী। পুলিশ নমনীয় অবস্থানে গেলে দেশে সংস্কৃতির পরিবেশ বিপন্ন হবে বলেও জানান তারা।



