ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাঙ্গেরিতে চুরি করা বিমান নিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার চেষ্টা, রুখে দিল যুদ্ধবিমান
যুক্তরাষ্ট্রকে তেল-সম্পদ তুলে দেওয়ার পরেও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন থাকবে, দাবি ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্টের
ভেনেজুয়েলার তেল-সম্পদ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দিলেন অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট, ট্রাম্পের সন্তোষ প্রকাশ
রণধীর জয়সওয়াল: বাংলাদেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলায় উদ্বেগ, কড়া নজর রাখছে ভারত
ইমরান-পুত্রদের সাক্ষাৎকার নেওয়ায় স্কাই স্পোর্টসকে ম্যাচ বর্জনের হুমকি পাকিস্তানের
নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৮৯, এখনো পর্যটকসহ নিখোঁজ অন্তত ৮২৬
যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার অস্ত্র চুক্তির সিদ্ধান্ত, কড়া হুঁশিয়ারি কিমের
‘সবাই চিন্তিত’, লর্ডসে লজ্জার হারের পর বললেন পাকিস্তানের আব্বাস
পাকিস্তানের টানা ব্যর্থতার ধারা যখন আরেকটু দীর্ঘ হলো, লর্ডসে তখন শেষ উইকেটের পতনের সময় অপর প্রান্তে অপরাজিত ছিলেন মোহাম্মদ আব্বাস। পুরো সিরিজে দলজুড়ে ছড়ানো ব্যর্থতার মাঝে একমাত্র তিনিই ইতিবাচক কিছু দিতে পেরেছেন, তাই হয়তো লর্ডসের এই দৃশ্যটি বেশ মানানসই দেখাচ্ছিল।
দিনের শুরুতেই লর্ডসের ঐতিহ্যবাহী অনার্স বোর্ডে নিজের নাম খোদাই করে নেন পাঁচ উইকেট তুলে নিয়ে। এই মাঠে আব্বাসের রেকর্ড এমনিতেই দারুণ—চার ইনিংসে ১২-র কম গড়ে ১৭টি উইকেট। বোলার আব্বাসকে নিয়ে চিন্তার কিছু নেই, তবে পুরো পাকিস্তান দল যে গভীর সঙ্কটে, তা তো এক প্রকার স্পষ্ট।
“আমাদের পারফরম্যান্স সবাইকে দুশ্চিন্তায় ফেলছে,” বলছিলেন আব্বাস। “সিলেকশন কমিটি থেকে শুরু করে এনসিএ—সবাই চিন্তিত। আমরা ভালো খেলছি
না, এটা সত্যি। আমাদের ব্যাটিং, বোলিং বা ফিল্ডিং—কোনোটাই ভালো হচ্ছে না এবং আমরা মিটিংয়ে নিয়মিত এগুলো নিয়ে কথা বলছি। সবাই চেষ্টা করছে, পরিস্থিতি বদলাতে এর কোনো বিকল্পও নেই।” হেডিংলিতে গত সপ্তাহের বিধ্বস্ত হওয়ার তুলনায় এই হার হয়তো অতটা লজ্জাজনক ছিল না, কিন্তু ম্যাচের কোনো মুহূর্তে পাকিস্তান যে লড়াইয়ে ছিল, তা বলাটা বাড়িয়ে বলা হবে। প্রথম ইনিংসে ১৮০ রানের লিড নেয় ইংল্যান্ড। এরপর থেকেই পাকিস্তানকে শুধু খাদের কিনারা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করতে দেখা গেছে। আব্বাস ম্যাচে নয় উইকেট পেলেও ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসের রানটাই পাকিস্তানের নাগালের বাইরে চলে যায়, বিশেষ করে ‘তাদের’ টেলএন্ডারদের কল্যাণে। ২২২ রানে ৮ উইকেট পড়ার পরও ৬৮ রান যোগ
করে ইংল্যান্ড। লেজের সারির ব্যাটারদের দ্রুত গুটিয়ে দিতে না পারার পুরোনো রোগ থেকে এবারও বের হতে পারেনি পাকিস্তান। এই ব্যর্থতার বড় দায় ফিল্ডিংয়েরও। এই টেস্টেও ফিল্ডিংয়ের অবস্থায় কোনো উন্নতি দেখা যায়নি। ক্যাচিংয়ের দিকটা তো আরও করুণ ছিল। বদলি ফিল্ডার হিসেবে স্লিপে সালমান আগার অসাধারণ ক্যাচ বাদ দিলে, প্রথম ইনিংসে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অন্তত চারটি ক্যাচ ফেলেছে পাকিস্তান। “আমরা ক্যাচ ফেলেছি আর ‘তাদের’ মূল ব্যাটাররা অতিরিক্ত ৭০-এর মতো রান করে ফেলেছে,” বলেন আব্বাস। “ম্যাচটা ওখানেই আমাদের হাত থেকে বের হয়ে যায়, কারণ আমরা ‘তাদের’ ২০০ রানেই গুটিয়ে দিতে পারতাম। এটা সত্যিই হতাশাজনক।” ব্যক্তিগত দিক দিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারের দারুণ এক সোনালী সময় কাটাচ্ছেন আব্বাস, আর তখনই
দলকে এমন হারের স্বাদ পেতে হচ্ছে। শেষ ছয় টেস্টে ১৯-এর নিচে গড়ে তিনি নিয়েছেন ২৮টি উইকেট। শাহীন শাহ আফ্রিদি ও নাসিম শাহর টেস্ট পারফরম্যান্সে ভাটা পড়ায় আব্বাসই এখন পাকিস্তানের পেস আক্রমণের প্রধান ভরসা। দল থেকে বাদ পড়া নিয়ে কোনো দিনই কোনো ক্ষোভ প্রকাশ করেননি তিনি। কিন্তু ব্যক্তিগত সাফল্য দল না জিতলে কোনো আনন্দ দেয় না তাকে, “ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স জরুরি, কিন্তু আমার চেষ্টা থাকে দলকে জেতাতে ভূমিকা রাখা। বেশ কয়েকটি ম্যাচে আমি ভালো করছি, কিন্তু দল জিততে পারছে না।” “আমার হাতে যা ছিল, আমি করেছি। ঘরোয়া ক্রিকেট ও কাউন্টিতে মন দিয়ে খেলেছি। ততকালীন ম্যানেজমেন্ট ‘তাদের’ জায়গায় যা ভালো মনে করেছে, তাই করেছে। দলে
সুযোগ পাওয়া বা না পাওয়া আমার নিয়ন্ত্রণে নেই।” হেডিংলিতে অসহায় আত্মসমর্পণের পর দেশে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। সিরিজ হেরে বসায় সেই ক্ষোভ এবার আরও বাড়ার কথা। শেষ ২০ টেস্টের ১৫টিতেই হেরেছে পাকিস্তান, যার মধ্যে বিদেশের মাটিতে ১১ ম্যাচের ১০টিই হার। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থাকা এই দলের ঘুরে দাঁড়ানোর উপায়ও এখন বেশ অস্পষ্ট। তবে চেষ্টার কোনো কমতি ছিল না বলে দাবি করেন আব্বাস, “এটা টেস্ট ক্রিকেট। প্রতিটি রান আর উইকেট ক্যারিয়ারের খাতায় যোগ হয়। দায়িত্বটা সবাই বোঝে আর চেষ্টা করছে। আমরা ৩৫ থেকে ৫০ ওভারের মধ্যে অলআউট হয়ে যাচ্ছি, তবে এই দলটা এখনো পুরোপুরি গুছিয়ে উঠতে পারেনি।” “বাংলাদেশ সিরিজে আমাদের বোলিং
কম্বিনেশন আর এখানে এক নয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজে আমরা টেস্ট জিতেছিলাম। ছেলেরা নতুন কন্ডিশনে মানিয়ে নিচ্ছে, তবে টেস্টে অভিজ্ঞতার কোনো বিকল্প নেই। আমি ৩২টি টেস্ট খেলেছি, কিন্তু আমার সঙ্গে যারা বোলিং করছে, তারা টেস্টের মঞ্চে নতুন। তবে উন্নতি করার চেষ্টা সবাই করছে।” অভিজ্ঞতার অভাবের পাশাপাশি পেসের ঘাটতি নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। পাকিস্তান পেস আক্রমণের মধ্যে আব্বাসের গতি সবচেয়ে কম হলেও টেকনিক ও স্কিলে তিনি বহুদূর এগিয়ে। গতি কম হওয়াটা তার পারফরম্যান্সে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি, ঠিক যেমনটা দাঁড়ায়নি ইংল্যান্ডের মিডিয়াম-ফাস্ট বোলার ওলি রবিনসনের ক্ষেত্রে। তবে রবিনসনের সঙ্গী হিসেবে জফরা আর্চার বা জশ টাংয়ের মতো ঘণ্টায় ৯০ মাইলের বেশি গতিতে বল করার মানুষ আছে, কিন্তু
আব্বাসের দুই সঙ্গী সেই তুলনায় বেশ মন্থর। খুররম শাহজাদের পাশাপাশি মোহাম্মদ আলীও দু-একবার ৮৬ মাইল ছুঁলেও মূলত ৭৮ থেকে ৮২ মাইল গতিতেই বল করেন। “সব বোলারের নিজস্ব সামর্থ্য থাকে,” আব্বাস ব্যাখ্যা করেন। “আমি জীবনে কখনো ১৪০ কিলোমিটার গতিতে বল করিনি, তাই নিজের স্কিল অনুযায়ী বল করি। ব্যাটিংয়ের মতো বোলিংয়েও জুটি দরকার হয়। লিডসে আমরা ভালো বোলিং করতে পারিনি, তবে এখানে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। কন্ডিশন মানিয়ে নিয়ে ভালো করার চেষ্টা চলছে, ধীরে ধীরে উন্নতি আসবে।” তবে এই উন্নতির ছোঁয়া পেতে পেতে সিরিজ হাতছাড়া হয়ে গেছে, যেখানে পাঁচ দিনের খেলাতেই হার মেনে নিতে হলো পাকিস্তানকে। আপাতত স্বল্প সময়ে এই সংকট থেকে উত্তরণের পথ দেখাও কঠিন, তবে বাকি সবকিছুর মতো এই বিষয়গুলোও আব্বাসের নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
না, এটা সত্যি। আমাদের ব্যাটিং, বোলিং বা ফিল্ডিং—কোনোটাই ভালো হচ্ছে না এবং আমরা মিটিংয়ে নিয়মিত এগুলো নিয়ে কথা বলছি। সবাই চেষ্টা করছে, পরিস্থিতি বদলাতে এর কোনো বিকল্পও নেই।” হেডিংলিতে গত সপ্তাহের বিধ্বস্ত হওয়ার তুলনায় এই হার হয়তো অতটা লজ্জাজনক ছিল না, কিন্তু ম্যাচের কোনো মুহূর্তে পাকিস্তান যে লড়াইয়ে ছিল, তা বলাটা বাড়িয়ে বলা হবে। প্রথম ইনিংসে ১৮০ রানের লিড নেয় ইংল্যান্ড। এরপর থেকেই পাকিস্তানকে শুধু খাদের কিনারা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করতে দেখা গেছে। আব্বাস ম্যাচে নয় উইকেট পেলেও ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসের রানটাই পাকিস্তানের নাগালের বাইরে চলে যায়, বিশেষ করে ‘তাদের’ টেলএন্ডারদের কল্যাণে। ২২২ রানে ৮ উইকেট পড়ার পরও ৬৮ রান যোগ
করে ইংল্যান্ড। লেজের সারির ব্যাটারদের দ্রুত গুটিয়ে দিতে না পারার পুরোনো রোগ থেকে এবারও বের হতে পারেনি পাকিস্তান। এই ব্যর্থতার বড় দায় ফিল্ডিংয়েরও। এই টেস্টেও ফিল্ডিংয়ের অবস্থায় কোনো উন্নতি দেখা যায়নি। ক্যাচিংয়ের দিকটা তো আরও করুণ ছিল। বদলি ফিল্ডার হিসেবে স্লিপে সালমান আগার অসাধারণ ক্যাচ বাদ দিলে, প্রথম ইনিংসে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অন্তত চারটি ক্যাচ ফেলেছে পাকিস্তান। “আমরা ক্যাচ ফেলেছি আর ‘তাদের’ মূল ব্যাটাররা অতিরিক্ত ৭০-এর মতো রান করে ফেলেছে,” বলেন আব্বাস। “ম্যাচটা ওখানেই আমাদের হাত থেকে বের হয়ে যায়, কারণ আমরা ‘তাদের’ ২০০ রানেই গুটিয়ে দিতে পারতাম। এটা সত্যিই হতাশাজনক।” ব্যক্তিগত দিক দিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারের দারুণ এক সোনালী সময় কাটাচ্ছেন আব্বাস, আর তখনই
দলকে এমন হারের স্বাদ পেতে হচ্ছে। শেষ ছয় টেস্টে ১৯-এর নিচে গড়ে তিনি নিয়েছেন ২৮টি উইকেট। শাহীন শাহ আফ্রিদি ও নাসিম শাহর টেস্ট পারফরম্যান্সে ভাটা পড়ায় আব্বাসই এখন পাকিস্তানের পেস আক্রমণের প্রধান ভরসা। দল থেকে বাদ পড়া নিয়ে কোনো দিনই কোনো ক্ষোভ প্রকাশ করেননি তিনি। কিন্তু ব্যক্তিগত সাফল্য দল না জিতলে কোনো আনন্দ দেয় না তাকে, “ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স জরুরি, কিন্তু আমার চেষ্টা থাকে দলকে জেতাতে ভূমিকা রাখা। বেশ কয়েকটি ম্যাচে আমি ভালো করছি, কিন্তু দল জিততে পারছে না।” “আমার হাতে যা ছিল, আমি করেছি। ঘরোয়া ক্রিকেট ও কাউন্টিতে মন দিয়ে খেলেছি। ততকালীন ম্যানেজমেন্ট ‘তাদের’ জায়গায় যা ভালো মনে করেছে, তাই করেছে। দলে
সুযোগ পাওয়া বা না পাওয়া আমার নিয়ন্ত্রণে নেই।” হেডিংলিতে অসহায় আত্মসমর্পণের পর দেশে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। সিরিজ হেরে বসায় সেই ক্ষোভ এবার আরও বাড়ার কথা। শেষ ২০ টেস্টের ১৫টিতেই হেরেছে পাকিস্তান, যার মধ্যে বিদেশের মাটিতে ১১ ম্যাচের ১০টিই হার। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থাকা এই দলের ঘুরে দাঁড়ানোর উপায়ও এখন বেশ অস্পষ্ট। তবে চেষ্টার কোনো কমতি ছিল না বলে দাবি করেন আব্বাস, “এটা টেস্ট ক্রিকেট। প্রতিটি রান আর উইকেট ক্যারিয়ারের খাতায় যোগ হয়। দায়িত্বটা সবাই বোঝে আর চেষ্টা করছে। আমরা ৩৫ থেকে ৫০ ওভারের মধ্যে অলআউট হয়ে যাচ্ছি, তবে এই দলটা এখনো পুরোপুরি গুছিয়ে উঠতে পারেনি।” “বাংলাদেশ সিরিজে আমাদের বোলিং
কম্বিনেশন আর এখানে এক নয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজে আমরা টেস্ট জিতেছিলাম। ছেলেরা নতুন কন্ডিশনে মানিয়ে নিচ্ছে, তবে টেস্টে অভিজ্ঞতার কোনো বিকল্প নেই। আমি ৩২টি টেস্ট খেলেছি, কিন্তু আমার সঙ্গে যারা বোলিং করছে, তারা টেস্টের মঞ্চে নতুন। তবে উন্নতি করার চেষ্টা সবাই করছে।” অভিজ্ঞতার অভাবের পাশাপাশি পেসের ঘাটতি নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। পাকিস্তান পেস আক্রমণের মধ্যে আব্বাসের গতি সবচেয়ে কম হলেও টেকনিক ও স্কিলে তিনি বহুদূর এগিয়ে। গতি কম হওয়াটা তার পারফরম্যান্সে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি, ঠিক যেমনটা দাঁড়ায়নি ইংল্যান্ডের মিডিয়াম-ফাস্ট বোলার ওলি রবিনসনের ক্ষেত্রে। তবে রবিনসনের সঙ্গী হিসেবে জফরা আর্চার বা জশ টাংয়ের মতো ঘণ্টায় ৯০ মাইলের বেশি গতিতে বল করার মানুষ আছে, কিন্তু
আব্বাসের দুই সঙ্গী সেই তুলনায় বেশ মন্থর। খুররম শাহজাদের পাশাপাশি মোহাম্মদ আলীও দু-একবার ৮৬ মাইল ছুঁলেও মূলত ৭৮ থেকে ৮২ মাইল গতিতেই বল করেন। “সব বোলারের নিজস্ব সামর্থ্য থাকে,” আব্বাস ব্যাখ্যা করেন। “আমি জীবনে কখনো ১৪০ কিলোমিটার গতিতে বল করিনি, তাই নিজের স্কিল অনুযায়ী বল করি। ব্যাটিংয়ের মতো বোলিংয়েও জুটি দরকার হয়। লিডসে আমরা ভালো বোলিং করতে পারিনি, তবে এখানে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। কন্ডিশন মানিয়ে নিয়ে ভালো করার চেষ্টা চলছে, ধীরে ধীরে উন্নতি আসবে।” তবে এই উন্নতির ছোঁয়া পেতে পেতে সিরিজ হাতছাড়া হয়ে গেছে, যেখানে পাঁচ দিনের খেলাতেই হার মেনে নিতে হলো পাকিস্তানকে। আপাতত স্বল্প সময়ে এই সংকট থেকে উত্তরণের পথ দেখাও কঠিন, তবে বাকি সবকিছুর মতো এই বিষয়গুলোও আব্বাসের নিয়ন্ত্রণের বাইরে।



