ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
২৪ ঘন্টায় ৬ শিশুর মৃত্যু: হাম কেড়ে নিচ্ছে গরিবের সন্তান, সবার অলক্ষ্যে আর নীরবে দীর্ঘ হচ্ছে ছোট্ট কবরের সারি
কারও কোলজুড়ে আসেনি নতুন ঈদের জামা, কারও মা এখনও অপেক্ষায় আছেন সন্তান সুস্থ হয়ে ফিরবে বলে— কিন্তু হাম যেন থামছেই না। প্রতিদিনই একটু একটু করে লম্বা হচ্ছে ছোট্ট শিশুদের মৃত্যুমিছিল, অথচ এই মৃত্যুগুলো নিয়ে যেন নেই কোনো উদ্বেগ, নেই কোনো উৎকণ্ঠা।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের সবশেষ হিসাব বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও হামের উপসর্গে আরও ছয়টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে, নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২৫৬ জন। সোমবার (৩১ আগস্ট) হাম পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে সোমবার পর্যন্ত সারাদেশে হাম ও এর উপসর্গে মোট ৯৭৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পরীক্ষায়
নিশ্চিত হওয়া হামে মারা গেছে ৯৯ জন, আর হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৮৭৪ জনের। এই সংখ্যাগুলোর আড়ালে লুকিয়ে আছে অসংখ্য পরিবারের ভাঙা স্বপ্ন। যাদের সন্তান হাসপাতালের বিছানায় শেষ নিঃশ্বাস ফেলেছে, তাদের বেশিরভাগই নিম্ন আয়ের পরিবার— যারা সময়মতো টিকা দিতে পারেননি, কিংবা প্রথম লক্ষণ দেখেও ছুটে যেতে পারেননি চিকিৎসকের কাছে। আর যারা শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে পৌঁছেছেন, তাদের অনেকেই সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে বিক্রি করে দিয়েছেন সহায়-সম্বল, ধারদেনায় ডুবে গেছে গোটা পরিবার। গত সাড়ে পাঁচ মাসে প্রায় হাজার শিশুর প্রাণহানি আর প্রতিদিন গড়ে শতাধিক নতুন আক্রান্তের এই পরিসংখ্যান বলে দিচ্ছে, প্রতিটি সংখ্যার পেছনে লুকিয়ে আছে একটি মায়ের কান্না, একটি পরিবারের নিঃস্ব হয়ে যাওয়ার গল্প।
অথচ এই মৃত্যুমিছিল যেন এখন গা-সওয়া হয়ে গেছে সমাজের কাছে— না আছে ব্যাপক টিকাদানের তাগিদ, না আছে দরিদ্র পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনই ব্যাপকভিত্তিক টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা এবং নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত না করা গেলে, এই নীরব মহামারিতে আরও অনেক শিশুর প্রাণ ঝরে পড়বে— যাদের অধিকাংশই বেঁচে থাকার কথা ছিল একটি সাধারণ টিকার সৌজন্যে।
নিশ্চিত হওয়া হামে মারা গেছে ৯৯ জন, আর হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৮৭৪ জনের। এই সংখ্যাগুলোর আড়ালে লুকিয়ে আছে অসংখ্য পরিবারের ভাঙা স্বপ্ন। যাদের সন্তান হাসপাতালের বিছানায় শেষ নিঃশ্বাস ফেলেছে, তাদের বেশিরভাগই নিম্ন আয়ের পরিবার— যারা সময়মতো টিকা দিতে পারেননি, কিংবা প্রথম লক্ষণ দেখেও ছুটে যেতে পারেননি চিকিৎসকের কাছে। আর যারা শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে পৌঁছেছেন, তাদের অনেকেই সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে বিক্রি করে দিয়েছেন সহায়-সম্বল, ধারদেনায় ডুবে গেছে গোটা পরিবার। গত সাড়ে পাঁচ মাসে প্রায় হাজার শিশুর প্রাণহানি আর প্রতিদিন গড়ে শতাধিক নতুন আক্রান্তের এই পরিসংখ্যান বলে দিচ্ছে, প্রতিটি সংখ্যার পেছনে লুকিয়ে আছে একটি মায়ের কান্না, একটি পরিবারের নিঃস্ব হয়ে যাওয়ার গল্প।
অথচ এই মৃত্যুমিছিল যেন এখন গা-সওয়া হয়ে গেছে সমাজের কাছে— না আছে ব্যাপক টিকাদানের তাগিদ, না আছে দরিদ্র পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনই ব্যাপকভিত্তিক টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা এবং নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত না করা গেলে, এই নীরব মহামারিতে আরও অনেক শিশুর প্রাণ ঝরে পড়বে— যাদের অধিকাংশই বেঁচে থাকার কথা ছিল একটি সাধারণ টিকার সৌজন্যে।



