ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নিজ বাসভবনে মিললো মমতার ভাইঝির মরদেহ
নেপালে বন্যায় প্রাণহানি-নিখোঁজের তথ্য প্রকাশ পেলেও চীনের চিত্র এখনও অস্পষ্ট
‘সবাই চিন্তিত’, লর্ডসে লজ্জার হারের পর বললেন পাকিস্তানের আব্বাস
হাঙ্গেরিতে চুরি করা বিমান নিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার চেষ্টা, রুখে দিল যুদ্ধবিমান
যুক্তরাষ্ট্রকে তেল-সম্পদ তুলে দেওয়ার পরেও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন থাকবে, দাবি ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্টের
ভেনেজুয়েলার তেল-সম্পদ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দিলেন অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট, ট্রাম্পের সন্তোষ প্রকাশ
রণধীর জয়সওয়াল: বাংলাদেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলায় উদ্বেগ, কড়া নজর রাখছে ভারত
বিশকেকে পুতিন-মোদি বৈঠক: শান্তির আহ্বান, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার
কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে অনুষ্ঠিত সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে সোমবার (৩১ আগস্ট) বৈঠক করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধ, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি সহযোগিতাসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানের আহ্বান জানিয়ে পুতিনকে বলেন, “যুদ্ধে কাটানো প্রতিটি দিন মানবতাকে পিছিয়ে দেয়, আর শান্তির দিকে নেওয়া প্রতিটি পদক্ষেপ মানবতাকে নতুন আশা জোগায়। আমাদের দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ থেকে সরে এসে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে হবে।” তিনি আরও বলেন, ভারত শান্তি প্রতিষ্ঠার সব প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে যাবে। বুদ্ধ ও গান্ধীর দেশ হিসেবে ভারতের শান্তির বার্তা তুলে ধরে মোদি বলেন, দেশগুলোর
উচিত দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতে আবদ্ধ না থেকে মানবতার সামনে থাকা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করা। জবাবে পুতিন মোদির অবস্থানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, রাশিয়া শান্তির দিকেই এগোচ্ছে, তবে যুদ্ধ অবসানে মস্কোর নিজস্ব কিছু শর্ত বহাল থাকবে। এসসিওর মাধ্যমে গ্লোবাল সাউথ ও প্রাচ্যের সঙ্গে যোগাযোগ সম্প্রসারণ, আঞ্চলিক আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে সংগঠনটির ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি। অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কে অগ্রগতি পুতিন জানান, ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য লেনদেন ২ দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগের বছরের ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রেখেছে। তিনি উল্লেখ করেন, রাশিয়ায় উচ্চশিক্ষা নিতে যাওয়া বিদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভারত অন্যতম শীর্ষ উৎস দেশ—সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই সংখ্যা সাত গুণ বেড়ে
প্রায় ৪০ হাজারে পৌঁছেছে। এ ছাড়া দুই দেশের মধ্যে পর্যটন প্রবাহ বেড়েছে ১৬ শতাংশ, আর সাংস্কৃতিক উৎসব আয়োজন নিয়মিত চলছে—২০২৭ সালে ভারত পরবর্তী আসর আয়োজন করবে বলে জানানো হয়। দুই নেতা প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, মহাকাশ, চলাচল এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন এবং উভয় দেশের মধ্যে বিদ্যমান ‘বিশেষ ও সুবিধাপ্রাপ্ত কৌশলগত অংশীদারত্ব’-এর স্থিতিস্থাপকতা পুনর্ব্যক্ত করেন। জাতিসংঘ, ব্রিকস, জি-২০ ও এসসিওসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মঞ্চে নয়াদিল্লি ও মস্কোর মধ্যকার ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের কথাও তুলে ধরেন পুতিন। গত ২৪ আগস্ট মস্কোতে অনুষ্ঠিত ভারত-রাশিয়া আন্তঃসরকার বাণিজ্য, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কমিশনের ২৭তম বৈঠকের ফলাফলকেও স্বাগত জানান দুই নেতা। পাশাপাশি ২০২৬ সালে ভারতের ব্রিকস সভাপতিত্বের
অধীনে বহুপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়। সামনে ব্রিকস সম্মেলনে আবার সাক্ষাতের সম্ভাবনা প্রধানমন্ত্রী মোদি আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে পুতিনকে স্বাগত জানানোর অপেক্ষায় থাকার কথা জানান। দুই নেতা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার এবং বহুপাক্ষিক মঞ্চে সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে সম্মত হন। বৈঠক শেষে মোদি ও পুতিন একই গাড়িতে করে বিশকেক অ্যারেনায় বিশ্ব নোমাড গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন—যা দুই নেতার সম্পর্কের উষ্ণতা এবং ভারত-রাশিয়া সম্পর্ক আরও গভীর করার অভিন্ন প্রতিশ্রুতিকেই তুলে ধরে। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ ও পশ্চিম এশিয়ার অস্থির পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই নেতা বৈশ্বিক বাণিজ্য, জ্বালানি বাজার ও সামুদ্রিক নিরাপত্তার ওপর এসব সংঘাতের প্রভাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন
এবং প্রতিরক্ষা, জ্বালানি ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করেন।
উচিত দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতে আবদ্ধ না থেকে মানবতার সামনে থাকা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করা। জবাবে পুতিন মোদির অবস্থানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, রাশিয়া শান্তির দিকেই এগোচ্ছে, তবে যুদ্ধ অবসানে মস্কোর নিজস্ব কিছু শর্ত বহাল থাকবে। এসসিওর মাধ্যমে গ্লোবাল সাউথ ও প্রাচ্যের সঙ্গে যোগাযোগ সম্প্রসারণ, আঞ্চলিক আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে সংগঠনটির ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি। অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কে অগ্রগতি পুতিন জানান, ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য লেনদেন ২ দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগের বছরের ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রেখেছে। তিনি উল্লেখ করেন, রাশিয়ায় উচ্চশিক্ষা নিতে যাওয়া বিদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভারত অন্যতম শীর্ষ উৎস দেশ—সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই সংখ্যা সাত গুণ বেড়ে
প্রায় ৪০ হাজারে পৌঁছেছে। এ ছাড়া দুই দেশের মধ্যে পর্যটন প্রবাহ বেড়েছে ১৬ শতাংশ, আর সাংস্কৃতিক উৎসব আয়োজন নিয়মিত চলছে—২০২৭ সালে ভারত পরবর্তী আসর আয়োজন করবে বলে জানানো হয়। দুই নেতা প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, মহাকাশ, চলাচল এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন এবং উভয় দেশের মধ্যে বিদ্যমান ‘বিশেষ ও সুবিধাপ্রাপ্ত কৌশলগত অংশীদারত্ব’-এর স্থিতিস্থাপকতা পুনর্ব্যক্ত করেন। জাতিসংঘ, ব্রিকস, জি-২০ ও এসসিওসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মঞ্চে নয়াদিল্লি ও মস্কোর মধ্যকার ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের কথাও তুলে ধরেন পুতিন। গত ২৪ আগস্ট মস্কোতে অনুষ্ঠিত ভারত-রাশিয়া আন্তঃসরকার বাণিজ্য, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কমিশনের ২৭তম বৈঠকের ফলাফলকেও স্বাগত জানান দুই নেতা। পাশাপাশি ২০২৬ সালে ভারতের ব্রিকস সভাপতিত্বের
অধীনে বহুপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়। সামনে ব্রিকস সম্মেলনে আবার সাক্ষাতের সম্ভাবনা প্রধানমন্ত্রী মোদি আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে পুতিনকে স্বাগত জানানোর অপেক্ষায় থাকার কথা জানান। দুই নেতা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার এবং বহুপাক্ষিক মঞ্চে সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে সম্মত হন। বৈঠক শেষে মোদি ও পুতিন একই গাড়িতে করে বিশকেক অ্যারেনায় বিশ্ব নোমাড গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন—যা দুই নেতার সম্পর্কের উষ্ণতা এবং ভারত-রাশিয়া সম্পর্ক আরও গভীর করার অভিন্ন প্রতিশ্রুতিকেই তুলে ধরে। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ ও পশ্চিম এশিয়ার অস্থির পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই নেতা বৈশ্বিক বাণিজ্য, জ্বালানি বাজার ও সামুদ্রিক নিরাপত্তার ওপর এসব সংঘাতের প্রভাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন
এবং প্রতিরক্ষা, জ্বালানি ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করেন।



