ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নেপালে বন্যায় প্রাণহানি-নিখোঁজের তথ্য প্রকাশ পেলেও চীনের চিত্র এখনও অস্পষ্ট
‘সবাই চিন্তিত’, লর্ডসে লজ্জার হারের পর বললেন পাকিস্তানের আব্বাস
হাঙ্গেরিতে চুরি করা বিমান নিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার চেষ্টা, রুখে দিল যুদ্ধবিমান
যুক্তরাষ্ট্রকে তেল-সম্পদ তুলে দেওয়ার পরেও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন থাকবে, দাবি ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্টের
ভেনেজুয়েলার তেল-সম্পদ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দিলেন অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট, ট্রাম্পের সন্তোষ প্রকাশ
রণধীর জয়সওয়াল: বাংলাদেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলায় উদ্বেগ, কড়া নজর রাখছে ভারত
ইমরান-পুত্রদের সাক্ষাৎকার নেওয়ায় স্কাই স্পোর্টসকে ম্যাচ বর্জনের হুমকি পাকিস্তানের
নিজ বাসভবনে মিললো মমতার ভাইঝির মরদেহ
পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমের রামপুরহাটে নিজ বাসভবন থেকে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইঝি বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়ের (৩১) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে রামপুরহাটের কুসুম্বা গ্রামে বাপের বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
বৃষ্টি মুখোপাধ্যায় রামপুরহাট-১ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামাতো ভাই নীহার মুখোপাধ্যায়ের মেয়ে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকি করেও তার কোনো সাড়া না পাওয়ায় থানায় খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
জানা গেছে, বৃষ্টি মুখোপাধ্যায় বোলপুর
হাইস্কুলে গ্রুপ-সি পদে চাকরি করতেন। তবে রাজ্য শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তার নিয়োগ অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত হওয়ায় আদালতের নির্দেশে প্রায় এক বছর আগে চাকরি হারান তিনি। নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত শুরুর পর থেকেই তিনি তদন্তকারীদের নজরদারিতে ছিলেন বলে জানা গেছে। চাকরি হারানোর পর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির পরিবারের সঙ্গে তার দূরত্ব তৈরি হয়। বর্তমানে তাদের মধ্যে বিয়েবিচ্ছেদের মামলাও চলছিল। এক সন্তানকে নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে তিনি বাপের বাড়িতে বসবাস করছিলেন। পরিবারের দাবি, চাকরিচ্যুতি, পারিবারিক টানাপোড়েন ও বিয়েবিচ্ছেদের কারণে কয়েক বছর ধরে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন এবং চিকিৎসাধীন ছিলেন। তবে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
হাইস্কুলে গ্রুপ-সি পদে চাকরি করতেন। তবে রাজ্য শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তার নিয়োগ অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত হওয়ায় আদালতের নির্দেশে প্রায় এক বছর আগে চাকরি হারান তিনি। নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত শুরুর পর থেকেই তিনি তদন্তকারীদের নজরদারিতে ছিলেন বলে জানা গেছে। চাকরি হারানোর পর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির পরিবারের সঙ্গে তার দূরত্ব তৈরি হয়। বর্তমানে তাদের মধ্যে বিয়েবিচ্ছেদের মামলাও চলছিল। এক সন্তানকে নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে তিনি বাপের বাড়িতে বসবাস করছিলেন। পরিবারের দাবি, চাকরিচ্যুতি, পারিবারিক টানাপোড়েন ও বিয়েবিচ্ছেদের কারণে কয়েক বছর ধরে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন এবং চিকিৎসাধীন ছিলেন। তবে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।



