ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিপিএলের ফিক্সিং কাণ্ডে জড়িত আসিফ মাহমুদ ও কেন্দ্রীয় এনসিপি নেতা!
পাকিস্তান দলে গণছাঁটাইয়ের পর নির্বাচক পদ ছাড়লেন মিসবাহ
ইনফান্তিনোকে বিশ্বাস করা ‘ভুল ছিল’, মেনে নিলেন ট্রাম্পের জামাতার ভাই
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন মেসি
২১ বছরের সম্পর্কের ইতি: লেস্টার ছেড়ে শেফিল্ড ইউনাইটেডে হামজা
আর্জেন্টিনাকে বিদায় বলে দিলেন মেসি
উজবেকিস্তানের কাছে হেরে এএফসি বাছাই শুরু বাংলাদেশের
বিপিএলে ফিক্সিং: সাবেক পরিচালক ও এনসিপি নেতাসহ আসিফ মাহমুদের বলয়ের তিনজন নিষিদ্ধ
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২তম আসরে ম্যাচ ফিক্সিং ও দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক বোর্ড পরিচালক মুহাম্মদ মুখলেসুর রহমান (শামীম) এবং এনসিপি নেতা ও বিসিবি কাউন্সিলর রাকিবুল ইসলাম সানিসহ তিনজনকে সাময়িক নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিব)। আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী কোড (২০২৪) ভঙ্গের দায়ে তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করা হয়েছে।
অভিযুক্তদের মধ্যে বিশেষ নজর কেড়েছে বিসিবির সাবেক কাউন্সিলর ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম সানির নাম। তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সুপারিশে বগুড়া জেলা থেকে বিসিবির কাউন্সিলরশিপ পেয়েছিলেন তিনি। একই সঙ্গে নিষিদ্ধ হওয়া মুহাম্মদ মুখলেসুর রহমান শামীমও ছিলেন বিসিবির সাবেক পরিচালক ও অডিট কমিটির সাবেক
চেয়ারম্যান, যার বিরুদ্ধে আগে থেকেই ফিক্সিংয়ের নানা গুঞ্জন ছিল। নিষিদ্ধ হওয়া তৃতীয় ব্যক্তি বিসিবির সাবেক সিকিউরিটি লিয়াঁজো অফিসার (এসএলও) জাকির হোসেন। বিসিবি অ্যান্টি-করাপশন ইউনিটের (বিসিবিআইইউ) দীর্ঘ তদন্তের পর বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কথা নিশ্চিত করে। চার্জ গঠন করা তিন অভিযুক্তকেই সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ (প্রোভিশনাল সাসপেনশন) করা হয়েছে এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য নোটিশ পাওয়ার দিন থেকে ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট যেসব অভিযোগ: মুহাম্মদ মুখলেসুর রহমান (শামীম): বিপিএলে সরাসরি ম্যাচ ফিক্সিং বা অনৈতিক প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা (ধারা ২.১.১), অন্যকে দুর্নীতিতে প্ররোচিত করা (ধারা ২.১.৪), ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়েও অ্যান্টি-করাপশন কর্মকর্তাকে (ডিএসিও) না জানানো (ধারা ২.৪.৪) এবং তথ্য বা মেসেজ
মুছে ফেলে তদন্তে বাধা দেওয়ার (ধারা ২.৪.৭) অভিযোগ আনা হয়েছে। জাকির হোসেন (সাবেক এসএলও): ম্যাচ ফিক্সিংয়ের চেষ্টা (ধারা ২.১.১), ফিক্সিংয়ে প্ররোচনা দেওয়া (ধারা ২.১.৪) এবং তদন্তে অসহযোগিতাসহ লিগ্যাল নোটিশের জবাব না দেওয়ার (ধারা ২.৪.৬) অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। রাকিবুল ইসলাম সানি (সাবেক বিসিবি কাউন্সিলর): দুর্নীতির প্রস্তাব পেয়েও যথাসময়ে ডিএসিও-কে না জানানো (ধারা ২.৪.৪) এবং তদন্তকাজে সহযোগিতা না করার (ধারা ২.৪.৬) অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে তাকে। বর্তমানে পুরো বিষয়টি বিসিবির ট্রাইব্যুনাল ও ডিসিপ্লিনারি প্রক্রিয়ার অধীন থাকায় এ বিষয়ে এখনই বাড়তি কোনো মন্তব্য করবে না বলে বিসিবি নিশ্চিত করেছে। বিপিএলকে দুর্নীতিমুক্ত করতে বর্তমান বিসিবি সভাপতির নেতৃত্বাধীন বোর্ড শেষ পর্যন্ত কী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়, সেটাই এখন
দেখার বিষয়।
চেয়ারম্যান, যার বিরুদ্ধে আগে থেকেই ফিক্সিংয়ের নানা গুঞ্জন ছিল। নিষিদ্ধ হওয়া তৃতীয় ব্যক্তি বিসিবির সাবেক সিকিউরিটি লিয়াঁজো অফিসার (এসএলও) জাকির হোসেন। বিসিবি অ্যান্টি-করাপশন ইউনিটের (বিসিবিআইইউ) দীর্ঘ তদন্তের পর বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কথা নিশ্চিত করে। চার্জ গঠন করা তিন অভিযুক্তকেই সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ (প্রোভিশনাল সাসপেনশন) করা হয়েছে এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য নোটিশ পাওয়ার দিন থেকে ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট যেসব অভিযোগ: মুহাম্মদ মুখলেসুর রহমান (শামীম): বিপিএলে সরাসরি ম্যাচ ফিক্সিং বা অনৈতিক প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা (ধারা ২.১.১), অন্যকে দুর্নীতিতে প্ররোচিত করা (ধারা ২.১.৪), ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়েও অ্যান্টি-করাপশন কর্মকর্তাকে (ডিএসিও) না জানানো (ধারা ২.৪.৪) এবং তথ্য বা মেসেজ
মুছে ফেলে তদন্তে বাধা দেওয়ার (ধারা ২.৪.৭) অভিযোগ আনা হয়েছে। জাকির হোসেন (সাবেক এসএলও): ম্যাচ ফিক্সিংয়ের চেষ্টা (ধারা ২.১.১), ফিক্সিংয়ে প্ররোচনা দেওয়া (ধারা ২.১.৪) এবং তদন্তে অসহযোগিতাসহ লিগ্যাল নোটিশের জবাব না দেওয়ার (ধারা ২.৪.৬) অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। রাকিবুল ইসলাম সানি (সাবেক বিসিবি কাউন্সিলর): দুর্নীতির প্রস্তাব পেয়েও যথাসময়ে ডিএসিও-কে না জানানো (ধারা ২.৪.৪) এবং তদন্তকাজে সহযোগিতা না করার (ধারা ২.৪.৬) অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে তাকে। বর্তমানে পুরো বিষয়টি বিসিবির ট্রাইব্যুনাল ও ডিসিপ্লিনারি প্রক্রিয়ার অধীন থাকায় এ বিষয়ে এখনই বাড়তি কোনো মন্তব্য করবে না বলে বিসিবি নিশ্চিত করেছে। বিপিএলকে দুর্নীতিমুক্ত করতে বর্তমান বিসিবি সভাপতির নেতৃত্বাধীন বোর্ড শেষ পর্যন্ত কী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়, সেটাই এখন
দেখার বিষয়।



