ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতি: লেবাননে যুদ্ধবিরতি দীর্ঘায়িত, তেহরানের জন্য কমল সময়
বাংলাদেশে তালেবান নেটওয়ার্কের বিস্তার: কূটনীতির নামে উগ্রবাদী তৎপরতা, উদ্বেগ ও বিবিধ প্রশ্ন
মিত্রদের জন্য হরমুজে ফি মওকুফ করল ইরান, কারা আছেন তালিকায়
ইরানে পারমাণবিক হামলা করবেন কি না, জানালেন ট্রাম্প
আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করল তেহরান
যুদ্ধবিরতির মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাল আরেকটি মার্কিন রণতরি
হামলা হলে ‘কঠোর জবাব’ দেবে ইরান, প্রস্তুত ইসরায়েল
বাংলাদেশ সরকারের অস্পষ্ট বিবৃতিতে কষ্ট পেয়েছি, কাম্য ছিল না: ইরানের রাষ্ট্রদূত জাহানাবাদি
ইরান ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকারের দেওয়া বিবৃতিতে সন্তুষ্ট নয় তেহরান।
আজ বুধবার ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহানাবাদি বলেছেন, একটি ভ্রাতৃপ্রতিম মুসলিম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ আগ্রাসী শক্তির বিরুদ্ধে আরও স্পষ্ট অবস্থান নেবে এবং সরাসরি নিন্দা জানাবে—এটাই ছিল ইরানের প্রত্যাশা।
ইরান দূতাবাসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত জাহানাবাদি বলেন, ‘ইরান ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকারের বিবৃতিতে আমরা কষ্ট পেয়েছি। এই বিবৃতি আরও স্পষ্ট হওয়া উচিত ছিল। বাংলাদেশ আমাদের ভাই হিসেবে ইরানে আগ্রাসী শক্তির বিরুদ্ধে নিন্দা করবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা ছিল, কিন্তু সেটা হয়নি। এটি আমাদের জন্য কষ্টের বিষয়।’
রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ জাতিসংঘ ও ওআইসির সদস্য রাষ্ট্র হওয়া সত্ত্বেও আগ্রাসী শক্তির বিরুদ্ধে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় নিন্দা
জানাতে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি তুলনা টেনে বলেন, ‘রাশিয়া ও চীন মুসলিম দেশ না হয়েও তারা এই আগ্রাসনের ব্যাপারে নিন্দা জানিয়েছে। সেখানে একটি মুসলিমপ্রধান দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান আরও জোরালো হওয়া উচিত ছিল।’ বাংলাদেশের এই বিবৃতির পরিপ্রেক্ষিতে ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিবাদলিপি বা চিঠি দেবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আপাতত কোনো চিঠি দেওয়া হবে না। তবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সুযোগ পেলে তিনি ব্যক্তিগতভাবে তেহরানের এই মনোভাব ও উদ্বেগের বিষয়টি তুলে ধরবেন। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করতেই ঢাকার ইরান দূতাবাস এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। রাষ্ট্রদূত ইঙ্গিত দেন, বর্তমান সংকটকালে মিত্র দেশগুলোর কাছ থেকে ইরান কেবল নৈতিক
সমর্থন নয়, বরং আন্তর্জাতিক ফোরামে জোরালো কূটনৈতিক অবস্থান প্রত্যাশা করে।
জানাতে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি তুলনা টেনে বলেন, ‘রাশিয়া ও চীন মুসলিম দেশ না হয়েও তারা এই আগ্রাসনের ব্যাপারে নিন্দা জানিয়েছে। সেখানে একটি মুসলিমপ্রধান দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান আরও জোরালো হওয়া উচিত ছিল।’ বাংলাদেশের এই বিবৃতির পরিপ্রেক্ষিতে ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিবাদলিপি বা চিঠি দেবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আপাতত কোনো চিঠি দেওয়া হবে না। তবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সুযোগ পেলে তিনি ব্যক্তিগতভাবে তেহরানের এই মনোভাব ও উদ্বেগের বিষয়টি তুলে ধরবেন। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করতেই ঢাকার ইরান দূতাবাস এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। রাষ্ট্রদূত ইঙ্গিত দেন, বর্তমান সংকটকালে মিত্র দেশগুলোর কাছ থেকে ইরান কেবল নৈতিক
সমর্থন নয়, বরং আন্তর্জাতিক ফোরামে জোরালো কূটনৈতিক অবস্থান প্রত্যাশা করে।



