ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অস্ট্রেলিয়ায় স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা করে পুলিশে খবর দিলেন বাংলাদেশি
পর্তুগালে ট্রেনের ধাক্কায় এক বাংলাদেশি নিহত, আহত ৪
৯৯ অবৈধ অভিবাসীকে দেশে ফেরাল মালয়েশিয়া, তালিকায় বাংলাদেশিরাও
মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি যুবক নিহত
সিনেমাপ্রেমীদের নজর এখন ফ্রান্সে
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি
উদ্ধার হওয়া সেই লাশ বৃষ্টির, লিমনের লাশ দেশে আসবে ৪ মে
ত্রিভুজ প্রেমের ফাঁদে প্রাণ গেল প্রবাসীর
ত্রিভুজ প্রেমের ফাঁদে পড়ে প্রাণ গেল এক প্রবাসীর। এ ঘটনায় প্রেমিকা ফিরোজা খাতুন ও তার অপর প্রেমিক জামাল উদ্দিন ওরফে সোনা মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মির্জাপুর থানার ওসি মুহাম্মদ রাসেদুল ইসলাম বিষযুটি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে সোমবার (২১ জুলাই) টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার তরফপুর ইউনিয়নের তরফপুর মাটিয়াগাড়া এলাকায় এ খুনের ঘটনা ঘটে। নিহত ফিরোজ আল মামুন তরফপুর মাটিয়াগাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘ দিন মালেশিয়া প্রবাসী ছিলেন। সম্প্রতি তিনি ছুটিতে দেশে আসেন।
স্থানীয়রা জানান, অবিবাহিত ফিরোজ প্রবাসে থাকা অবস্থায় নিজ এলাকার এক গৃবধূর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। ওই নারী তার স্বামী বিদেশে থাকায় তার অবর্তমানে ফিরোজ ছাড়া আরও দুজনের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন।
এ নিয়ে এলাকায় বিচার শালিসও হয়েছে। সর্বশেষ ত্রিভুজ প্রেমের বলি হলেন প্রবাসী ফিরোজ আল মামুন। স্থানীয় অন্তত ১০ জন নারী-পুরুষ জানান, সোমবার রাতে ফিরোজা বেগম টেলিফোনে বাড়িতে প্রেমিক ফিরোজ আল মামুনকে আসতে বলেন। এর একটু পরে অপর প্রেমিক জামাল উদ্দিন ওরফে সোনা মিয়া বাড়িতে প্রবেশ করে। এ নিয়ে ফিরোজা খাতুন ও দুই প্রেমিকের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে জামাল উদ্দিন ওরফে সোনা মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে ফিরোজ আল মামুনের মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটে পড়ে। ফিরোজের লাশ গুম করার জন্য ফিরোজা খাতুন ও প্রেমিক জামাল উদ্দিন ওরফে সোনা মিয়া বাড়ির পাশে পাশের ক্ষেতের আইলে ফেলে বাড়ি চলে আসে। পরে
কৃষকরা ফিরোজের লাশ দেখে পুলিশকে খবর দেয়। এদিকে ফিরোজ আল মামুনের খুনের ঘটনায় তার ভগ্নিপতি ফরহাদ মোল্লা বাদী হয়ে মির্জাপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর মির্জাপুর থানা পুলিশ হত্যার সঙ্গে জড়িত প্রেমিকা ফিরোজা খাতুন ও অপর প্রেমিক জামাল উদ্দিন ওরফে সোনা মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) জুয়েল রানা বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যার কথা স্বীকার করেছে। ত্রিভুজ প্রেমের কারণেই ফিরোজ আল মামুন খুন হয়েছেন। মামলার বাদী ফরহাদ মোল্লা, ফিরোজের মা জরিনা খাতুন, বোন শিল্পী ও কল্পনা আক্তার হত্যাকারীদের ফাঁসিসহ দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। মির্জাপুর থানার ওসি মুহাম্মদ রাসেদুল ইসলাম বলেন, ত্রিভুজ প্রেমঘটিত কারণেই ফিরোজ আল মামুন খুন হয়েছেন।
ত্রিভুজ প্রেমের বলি ফিরোজ আল মামুনের খুনের রহস্য উৎঘাটনসহ প্রেমিকা ফিরোজা খাতুন এবং তার অপর প্রেমিক জামাল উদ্দিন ওরফে সোনা মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এ নিয়ে এলাকায় বিচার শালিসও হয়েছে। সর্বশেষ ত্রিভুজ প্রেমের বলি হলেন প্রবাসী ফিরোজ আল মামুন। স্থানীয় অন্তত ১০ জন নারী-পুরুষ জানান, সোমবার রাতে ফিরোজা বেগম টেলিফোনে বাড়িতে প্রেমিক ফিরোজ আল মামুনকে আসতে বলেন। এর একটু পরে অপর প্রেমিক জামাল উদ্দিন ওরফে সোনা মিয়া বাড়িতে প্রবেশ করে। এ নিয়ে ফিরোজা খাতুন ও দুই প্রেমিকের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে জামাল উদ্দিন ওরফে সোনা মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে ফিরোজ আল মামুনের মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটে পড়ে। ফিরোজের লাশ গুম করার জন্য ফিরোজা খাতুন ও প্রেমিক জামাল উদ্দিন ওরফে সোনা মিয়া বাড়ির পাশে পাশের ক্ষেতের আইলে ফেলে বাড়ি চলে আসে। পরে
কৃষকরা ফিরোজের লাশ দেখে পুলিশকে খবর দেয়। এদিকে ফিরোজ আল মামুনের খুনের ঘটনায় তার ভগ্নিপতি ফরহাদ মোল্লা বাদী হয়ে মির্জাপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর মির্জাপুর থানা পুলিশ হত্যার সঙ্গে জড়িত প্রেমিকা ফিরোজা খাতুন ও অপর প্রেমিক জামাল উদ্দিন ওরফে সোনা মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) জুয়েল রানা বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যার কথা স্বীকার করেছে। ত্রিভুজ প্রেমের কারণেই ফিরোজ আল মামুন খুন হয়েছেন। মামলার বাদী ফরহাদ মোল্লা, ফিরোজের মা জরিনা খাতুন, বোন শিল্পী ও কল্পনা আক্তার হত্যাকারীদের ফাঁসিসহ দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। মির্জাপুর থানার ওসি মুহাম্মদ রাসেদুল ইসলাম বলেন, ত্রিভুজ প্রেমঘটিত কারণেই ফিরোজ আল মামুন খুন হয়েছেন।
ত্রিভুজ প্রেমের বলি ফিরোজ আল মামুনের খুনের রহস্য উৎঘাটনসহ প্রেমিকা ফিরোজা খাতুন এবং তার অপর প্রেমিক জামাল উদ্দিন ওরফে সোনা মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।



