ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জামালপুরে ৭ দিনে ৫ মরদেহ উদ্ধার, আতঙ্কে জেলাবাসী
নেত্রকোনায় ফসলরক্ষা বাঁধের দুই হাজারের বেশি ব্লক লুটের অভিযোগ, লুটপাটে পিছিয়ে নেই কেউই-দেখারও নেই কেউ
আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যায় ডেইলি স্টারের সাংবাদিককে পেটালেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা
নারায়ণগঞ্জে হারিয়ে যাচ্ছে একের পর কিশোরী, নিখোঁজ অর্ধ শতাধিক
যাত্রাবাড়ী থানা থেকে পালাল রিমান্ডে থাকা নারী আসামি, ৫ পুলিশ সাসপেন্ড
পুকুর থেকে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার, পানিতে ডোবার লক্ষণ মেলেনি
রংপুরে চার খুন: ‘পুলিশ ভুল সুইচ চাপায় পানিতে সব ধুয়ে যায়, কোনো ষড়যন্ত্র নেই’—ডিবি
চকরিয়ায় পুলিশ পরিচয়ে বাড়িতে ঢুকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট
কক্সবাজারের চকরিয়ায় তল্লাশির নামে বাড়ি ঢুকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটের এক অভিনব ঘটনা ঘটেছে। ডাকাত দলটি নিজেদের ‘পুলিশ’ পরিচয় দিয়ে ঘরে অবৈধ মালামাল থাকার অজুহাতে তল্লাশির নাটক সাজায় এবং কৌশলে পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে মূল্যবান জিনিসপত্র হাতিয়ে নেয়।
গতকাল ২৮শে আগস্ট, শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পাগলীর বিল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী নুরুল আমিন চট্টগ্রাম শহরের একজন মাছ ও মুরগির খাদ্য ব্যবসায়ী।
নুরুল আমিন জানান, রাত সাড়ে তিনটার দিকে দরজায় শব্দ শুনে ঘর থেকে বের হলে তিনি ৫-৬ জন মুখোশ পরা সশস্ত্র ব্যক্তিকে দেখতে পান। অস্ত্রধারীরা নিজেদের পুলিশ
সদস্য দাবি করে জানায়, ‘বসতঘরে অবৈধ অস্ত্র ও মালামাল আছে, আমরা তল্লাশি করব। এর আগে মূল্যবান জিনিসপত্র নিজেদের হেফাজতে নিয়ে নিন।’ পুলিশের কথা বিশ্বাস করে নুরুল আমিন আলমারি খুলে নগদ ১ লাখ ৭ হাজার টাকা ও দেড় ভরি স্বর্ণালংকার বের করে আনেন। টাকা ও গহনা বের করার পরপরই ডাকাত দল নিজেদের রূপ ধারণ করে। অস্ত্রের মুখে নুরুল আমিন ও তার পরিবারের সদস্যদের একটি ঘরে আটকে ফেলা হয়। দরজার ফাঁক দিয়ে নুরুল আমিন দেখতে পান, ডাকাতদের আরও ২-৩ জন সহযোগী বাইরে পাহারা দিচ্ছিল। এরপর ডাকাতরা তাদের নিজেদের হেফাজতে রাখা টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে দ্রুত সটকে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কাজ শেষে ডাকাত দল একটি সাদা
রঙের মাইক্রোবাসে করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে আজ ২৯ আগস্ট (শনিবার) বিকেলে চকরিয়া থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে। চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, “ডাকাতির অভিযোগ পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সদস্য দাবি করে জানায়, ‘বসতঘরে অবৈধ অস্ত্র ও মালামাল আছে, আমরা তল্লাশি করব। এর আগে মূল্যবান জিনিসপত্র নিজেদের হেফাজতে নিয়ে নিন।’ পুলিশের কথা বিশ্বাস করে নুরুল আমিন আলমারি খুলে নগদ ১ লাখ ৭ হাজার টাকা ও দেড় ভরি স্বর্ণালংকার বের করে আনেন। টাকা ও গহনা বের করার পরপরই ডাকাত দল নিজেদের রূপ ধারণ করে। অস্ত্রের মুখে নুরুল আমিন ও তার পরিবারের সদস্যদের একটি ঘরে আটকে ফেলা হয়। দরজার ফাঁক দিয়ে নুরুল আমিন দেখতে পান, ডাকাতদের আরও ২-৩ জন সহযোগী বাইরে পাহারা দিচ্ছিল। এরপর ডাকাতরা তাদের নিজেদের হেফাজতে রাখা টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে দ্রুত সটকে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কাজ শেষে ডাকাত দল একটি সাদা
রঙের মাইক্রোবাসে করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে আজ ২৯ আগস্ট (শনিবার) বিকেলে চকরিয়া থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে। চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, “ডাকাতির অভিযোগ পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”



