ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নেপালের ভয়াবহ বন্যা: হিমালয় কেন বারবার এমন দুর্যোগের শিকার হচ্ছে?
১ কোটি কর্মসংস্থানের সরকারি মূলা ও বাস্তবতা: বিশ্বব্যাংক বলছে কর্মহীন হবেন ৬ লাখ মানুষ, বাড়বে দারিদ্র
মাদক-চাঁদাবাজির বিরোধিতা করায় প্রবাসীর জমি দখল করলেন গাজীপুর বিএনপির সদস্য সচিব
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চার ঘন্টা যানজটে আটকে অ্যাম্বুলেন্সেই রোগীর মৃত্যু
আবেগঘন বার্তায় শ্রমিকদের কাছে ক্ষমা চেয়ে কারখানা বন্ধ ঘোষণা: ‘টিকিয়ে রাখার অনেক চেষ্টা করেছি, পারলাম না’
‘শেখের বেটি আইতাছে’ স্লোগানে মিছিল, আনোয়ারায় ১৩৮ জনের নামে মামলা
থার্ড টার্মিনাল: ৯৯.৯১% কাজ শেষ হলেও ব্যয় বাড়ানো হচ্ছে ৯০২ কোটি টাকা
ইউনূসের করা দাসত্বের চুক্তি নিয়ে মুখ খুলছেন শীর্ষ ব্যবসায়ীরা, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত
একটি বেসরকারি চ্যানেলের টক শোয়ে দেশের বর্তমান অর্থনীতি ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলার সময় নোবেলজয়ী ইউনূসের প্রতি প্রচণ্ড অসন্তোষ প্রকাশ করে ক্ষোভ ঝাড়লেন আম্বার গ্রুপের চেয়ারম্যান তথা বিটিএমএ-র সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল।
বিদেশিদের স্বার্থ রক্ষার্থে চরম বৈষম্যমূলক চুক্তি সম্পাদন করে দেশের সার্বভৌমত্বকে বিকিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন এই নামজাদা ব্যবসায়ী।
আলোচনার একপর্যায়ে ক্ষোভ উগরে দিয়ে ইউনূসকে ধুয়ে দিলেন শওকত আজিজ রাসেল। বললেন, এমন একটি চরম পরাধীনতার চুক্তি স্বাক্ষর করে ইউনূস সমগ্র দেশটিকে পুরোপুরি ধ্বংসের পথে ঠেলে দিয়ে গেছেন।
ইউনূসকে প্রদত্ত কর মওকুফের সুবিধা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে এই বিশিষ্ট শিল্পপতি বলেন, জনকল্যাণ বা দাতব্য কাজের ছদ্মবেশে মূলত দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকেই
তিনি দুর্বল করে দিয়েছেন। রাসেলের স্পষ্ট বক্তব্য, রাজকোষের পাওনা কর আগে পরিশোধ করা রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব, এরপর উদ্বৃত্ত অর্থ দিয়ে দাতব্য কর্মকাণ্ড বা উপাসনালয় নির্মাণ করা যেতে পারে। অথচ ইউনূস নিজের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘অলাভজনক’ হিসেবে নথিভুক্ত করে আইনের ফাঁক গলে যাবতীয় কর পরিশোধ এড়িয়ে গেছেন। ক্ষুব্ধ হয়ে শওকত আজিজ রাসেল দাবি তোলেন, ইউনূস যে কৌশলে কর সুবিধা ভোগ করছেন, সেই একই পথ সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্যও উন্মুক্ত করে দেওয়া হোক। তা হলে অন্য ব্যবসায়ীরাও নিজেদের কারখানাগুলোকে ‘অলাভজনক’ দেখিয়ে কর মওকুফ নিতে পারতেন। কিন্তু বাস্তব প্রেক্ষাপটে সাধারণ ব্যবসায়ীদের পক্ষে এই সুবিধা আদায় করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। আম্বার গ্রুপের প্রধানের অভিযোগ, দেশের সাধারণ জনগণ ও ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে পুরোপুরি
না জানিয়ে অত্যন্ত তাড়াহুড়ো করে আমেরিকার সাথে এমন একটি অসম চুক্তি সই করা হয়েছে, যা সার্বভৌম কোনো দেশের জন্য মারাত্মক বিপজ্জনক। ক্ষমতা ছাড়ার ঠিক পূর্বে দপ্তর খুলে এই ধরনের চুক্তি সম্পাদনের ভেতরেই গূঢ় অসৎ উদ্দেশ্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে বলে মনে করেন এই শিল্পপতি। এই চুক্তির মারপ্যাঁচে পড়ে বাংলাদেশ এখন বিদেশি শক্তির সম্মতি ব্যতীত কোনো স্বাধীন পদক্ষেপ গ্রহণে অক্ষম। তার মতে, বর্তমানে সামান্য সিদ্ধান্ত নিতে গেলেও তাদের অনুমতির মুখাপেক্ষী হতে হচ্ছে; এমনকি বিদেশিরা যদি কোনো নির্দিষ্ট উৎস থেকে জ্বালানি তেল বা কেবল কিনতে নিষেধ করে, তবে তাও মানতে বাধ্য থাকবে দেশ। এটি মূলত দেশের স্বাধীনতাকে বিপন্নকারী এক পূর্ণাঙ্গ দাসত্বের দলিল। রাশিয়ার সহযোগিতায় পরিচালিত ১২
বিলিয়ন ডলারের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রসঙ্গ এনে বিটিএমএ সভাপতি জানান, সেখানে মূল কেন্দ্র বাদ দিয়ে কেবল আনুসঙ্গিক পরিকাঠামো নির্মাণেই ৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় করা হয়েছে এবং ৩-৪ হাজার মানুষের আবাসন সরকার আগে থেকেই তৈরি করে রেখেছে। পরিকাঠামো আগে থেকেই প্রস্তুত থাকায় পরবর্তী সময়ে একই আকারের নতুন প্রকল্প অর্ধেকেরও কম খরচে বাস্তবায়ন করা যেত। তবে এই নতুন চুক্তির আইনি জটিলতায় আটকে গিয়ে ভবিষ্যতে অন্য কোনো দেশের সাথে অনুরূপ প্রকল্প আদৌ করা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে চরম সংশয় প্রকাশ করেন তিনি। এমনটা করতে না পারলে তা দেশের জন্য এক অপূরণীয় জাতীয় ক্ষতি হিসেবে দেখা দেবে বলে তিনি সতর্ক করেন। বক্তব্যের একদম শেষে
শওকত আজিজ রাসেল মন্তব্য করেন, ইউনূস সর্বজনশ্রদ্ধেয় ব্যক্তি হতে পারেন, তবে রাষ্ট্রীয় যাবতীয় সুবিধা শতভাগ ভোগ করার পর শেষ বিচারে তিনি জাতির সাথে চরম বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। বিদেশি প্রভুদের তুষ্ট করতে করা এই চুক্তির মধ্য দিয়েই তিনি পুরো দেশটাকে তছনছ করে দিয়ে গেছেন।
তিনি দুর্বল করে দিয়েছেন। রাসেলের স্পষ্ট বক্তব্য, রাজকোষের পাওনা কর আগে পরিশোধ করা রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব, এরপর উদ্বৃত্ত অর্থ দিয়ে দাতব্য কর্মকাণ্ড বা উপাসনালয় নির্মাণ করা যেতে পারে। অথচ ইউনূস নিজের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘অলাভজনক’ হিসেবে নথিভুক্ত করে আইনের ফাঁক গলে যাবতীয় কর পরিশোধ এড়িয়ে গেছেন। ক্ষুব্ধ হয়ে শওকত আজিজ রাসেল দাবি তোলেন, ইউনূস যে কৌশলে কর সুবিধা ভোগ করছেন, সেই একই পথ সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্যও উন্মুক্ত করে দেওয়া হোক। তা হলে অন্য ব্যবসায়ীরাও নিজেদের কারখানাগুলোকে ‘অলাভজনক’ দেখিয়ে কর মওকুফ নিতে পারতেন। কিন্তু বাস্তব প্রেক্ষাপটে সাধারণ ব্যবসায়ীদের পক্ষে এই সুবিধা আদায় করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। আম্বার গ্রুপের প্রধানের অভিযোগ, দেশের সাধারণ জনগণ ও ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে পুরোপুরি
না জানিয়ে অত্যন্ত তাড়াহুড়ো করে আমেরিকার সাথে এমন একটি অসম চুক্তি সই করা হয়েছে, যা সার্বভৌম কোনো দেশের জন্য মারাত্মক বিপজ্জনক। ক্ষমতা ছাড়ার ঠিক পূর্বে দপ্তর খুলে এই ধরনের চুক্তি সম্পাদনের ভেতরেই গূঢ় অসৎ উদ্দেশ্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে বলে মনে করেন এই শিল্পপতি। এই চুক্তির মারপ্যাঁচে পড়ে বাংলাদেশ এখন বিদেশি শক্তির সম্মতি ব্যতীত কোনো স্বাধীন পদক্ষেপ গ্রহণে অক্ষম। তার মতে, বর্তমানে সামান্য সিদ্ধান্ত নিতে গেলেও তাদের অনুমতির মুখাপেক্ষী হতে হচ্ছে; এমনকি বিদেশিরা যদি কোনো নির্দিষ্ট উৎস থেকে জ্বালানি তেল বা কেবল কিনতে নিষেধ করে, তবে তাও মানতে বাধ্য থাকবে দেশ। এটি মূলত দেশের স্বাধীনতাকে বিপন্নকারী এক পূর্ণাঙ্গ দাসত্বের দলিল। রাশিয়ার সহযোগিতায় পরিচালিত ১২
বিলিয়ন ডলারের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রসঙ্গ এনে বিটিএমএ সভাপতি জানান, সেখানে মূল কেন্দ্র বাদ দিয়ে কেবল আনুসঙ্গিক পরিকাঠামো নির্মাণেই ৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় করা হয়েছে এবং ৩-৪ হাজার মানুষের আবাসন সরকার আগে থেকেই তৈরি করে রেখেছে। পরিকাঠামো আগে থেকেই প্রস্তুত থাকায় পরবর্তী সময়ে একই আকারের নতুন প্রকল্প অর্ধেকেরও কম খরচে বাস্তবায়ন করা যেত। তবে এই নতুন চুক্তির আইনি জটিলতায় আটকে গিয়ে ভবিষ্যতে অন্য কোনো দেশের সাথে অনুরূপ প্রকল্প আদৌ করা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে চরম সংশয় প্রকাশ করেন তিনি। এমনটা করতে না পারলে তা দেশের জন্য এক অপূরণীয় জাতীয় ক্ষতি হিসেবে দেখা দেবে বলে তিনি সতর্ক করেন। বক্তব্যের একদম শেষে
শওকত আজিজ রাসেল মন্তব্য করেন, ইউনূস সর্বজনশ্রদ্ধেয় ব্যক্তি হতে পারেন, তবে রাষ্ট্রীয় যাবতীয় সুবিধা শতভাগ ভোগ করার পর শেষ বিচারে তিনি জাতির সাথে চরম বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। বিদেশি প্রভুদের তুষ্ট করতে করা এই চুক্তির মধ্য দিয়েই তিনি পুরো দেশটাকে তছনছ করে দিয়ে গেছেন।



