ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্রের তেল কিনতে পারে চীন, দাবি হোয়াইট হাউসের
গর্ভপাতের ওষুধ ডাকযোগে সরবরাহ আপাতত চালু থাকবে যুক্তরাষ্ট্রে
ফাতাহ-৪ ক্রুজ মিসাইলের সফল পরীক্ষা চালাল পাকিস্তান
পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামীর দুই শীর্ষ নেতা ঢাকায়
জাতিসংঘের মিশন হারিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে চাকরির জন্য পাকিস্তানের দ্বারস্থ বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী
‘হরমুজ’ উন্মুক্ত রাখতে ঐকমত্য জিনপিং-ট্রাম্প
চীন সফরে আসছেন পুতিন, শি জিনপিং যাচ্ছেন হোয়াইট হাউসে?
ইরান যুদ্ধ: ‘অহমিকা’ ও ‘অবিশ্বাস’-এর মাঝেও কূটনীতি চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি আনতে ঘাম ছুটে যাচ্ছে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর। এই মধ্যস্থতার অন্যতম মূল দেশ পাকিস্তানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই দুই পক্ষের মধ্যে, বিশেষ করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দূরত্ব দূর করার বিষয়টি অনেকটা স্কুলপড়ুয়া বালকদের মারামারি থামানোর মতো, যাদের উভয়েরই অহংবোধ প্রবল।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার সাংবাদিক ওসামা বিন জাভাইড পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি জানিয়েছে, পাকিস্তানের কর্মকর্তারা আমাকে জানিয়েছেন, ইসলামাবাদ বর্তমানে এই দুই দেশের ভাষায় ‘হতাশাগ্রস্ত তৎপর কূটনীতি’ চালাচ্ছে। তাঁরা বলছেন, সংবাদপত্র বা শিরোনামের মাধ্যমে তারা কূটনীতি করতে চান না। বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর।
এক কর্মকর্তা বলেছেন, তারা মূলত এমন এক পরিস্থিতির মুখোমুখি, যা অনেকটা স্কুলপড়ুয়া বালকদের মারামারির মতো।
এখানে সামলাতে হচ্ছে ‘অহংকার’, আর একই সঙ্গে রয়েছে ‘গভীর অবিশ্বাসের এক বিশাল সাগর’, যার ওপর তাদের সেতু গড়ে তুলতে হচ্ছে। এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাঈল বাঘাই উল্লেখ করেছেন, তারা একাধিকবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার শিকার হয়েছে। তো, এই অবস্থায় এখন প্রশ্ন হচ্ছে—যদি কোনো ধরনের সমঝোতা হয়, যদি কোনো চুক্তি হয়, তাহলে কী নিশ্চয়তা আছে যে তাদের নেতাদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না? আলোচনার টেবিলে বসতে গেলে তাদের নিরাপত্তা কে নিশ্চিত করবে? পাকিস্তানিরা ইরানের ক্ষমতার কাঠামোর বিভিন্ন স্তরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। এক পাকিস্তানি সূত্র জানিয়েছে, তারা ইরানের ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলছে, কূটনীতিকদের সঙ্গে কথা বলছে এবং সামরিক কমান্ডারদের সঙ্গেও যোগাযোগ করছে—যার মধ্যে
ইঙ্গিত রয়েছে আইআরজিসিও রয়েছে।
এখানে সামলাতে হচ্ছে ‘অহংকার’, আর একই সঙ্গে রয়েছে ‘গভীর অবিশ্বাসের এক বিশাল সাগর’, যার ওপর তাদের সেতু গড়ে তুলতে হচ্ছে। এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাঈল বাঘাই উল্লেখ করেছেন, তারা একাধিকবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার শিকার হয়েছে। তো, এই অবস্থায় এখন প্রশ্ন হচ্ছে—যদি কোনো ধরনের সমঝোতা হয়, যদি কোনো চুক্তি হয়, তাহলে কী নিশ্চয়তা আছে যে তাদের নেতাদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না? আলোচনার টেবিলে বসতে গেলে তাদের নিরাপত্তা কে নিশ্চিত করবে? পাকিস্তানিরা ইরানের ক্ষমতার কাঠামোর বিভিন্ন স্তরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। এক পাকিস্তানি সূত্র জানিয়েছে, তারা ইরানের ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলছে, কূটনীতিকদের সঙ্গে কথা বলছে এবং সামরিক কমান্ডারদের সঙ্গেও যোগাযোগ করছে—যার মধ্যে
ইঙ্গিত রয়েছে আইআরজিসিও রয়েছে।



