মুখ খুলতেই তোপের মুখে অভিনেত্রী শামীমা তুষ্টি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৭ September, ২০২৪

আরও খবর

মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্তের শিমুলিয়া ঘাট ও পদ্মা সেতু এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পর সব ধরনের নৌযানে পর্যটকদের ঘোরাফেরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। গত ২৮শে অক্টোবর, বুধবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পদ্মা সেতুর ৩, ৪ ও ৫ নম্বর পিলার এলাকা এবং শিমুলিয়া ঘাটের সার্বিক নৌ-নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু। এ সময় পর্যটক ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পদ্মা সেতু এলাকায় বিশেষ সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়। পরিদর্শনকালে শিমুলিয়া ঘাটের সার্বিক পরিস্থিতি, নদীপথে পর্যটকদের চলাচল, নৌযানের নিরাপত্তা এবং পদ্মাসেতুর সংশ্লিষ্ট পিলার এলাকার বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়। এ সময় নদীপথে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার, ঘাট এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়। বিশেষ করে পদ্মা সেতুর পিলার সংলগ্ন এলাকায় পর্যটকদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একই সঙ্গে সন্ধ্যা ৬টার পর কোনো পর্যটক যাতে নদীতে ঘোরাফেরা করতে না পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু তিনি জানান, মাওয়া ও শিমুলিয়া ঘাট পদ্মা নদী কেন্দ্রিক পর্যটন ও নৌ-যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। পর্যটক ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নদীপথে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন লৌহজং উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কর্মকর্তা শান্তনু ঘোষ সাগর, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) কর্মকর্তা নেয়াজ মোহাম্মদ খান, নৌ-পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. মালেক খসরু, টুরিস্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. দেলোয়ার হোসেন, সাংবাদিক শেখ মো. সোহেল রানা ও শিমুলিয়া ট্রলার ঘাটের ইজারাদার মো. কাওছার সহ আরও অনেকে। এছাড়া উপজেলা প্রশাসন, নৌ-পুলিশ, টুরিস্ট পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএর অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যরা পরিদর্শন কার্যক্রমে অংশ নেন।

শিউলি ফুলের খোঁজে পরীমনি, ভক্তদের চোখে তিনিই শিউলি

‘এক দুর্গার সামনে আরেক দুর্গা’, পূজা চেরীর ছবি ঘিরে মুগ্ধতা

শেষ রক্ষা হলো না শ্রফের ওপর ৩ হামলাকারীর, যেভাবে ধরা পড়লেন, কারা তারা

মুম্বাইয়ে টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলি, আহত ২

রাহুল-প্রিয়াঙ্কাকে আটক করল দিল্লি পুলিশ

‘শঙ্খ সকাল প্রকৃতি’ নাটকে মৌ

মুখ খুলতেই তোপের মুখে অভিনেত্রী শামীমা তুষ্টি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৭ September, ২০২৪ |
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্রদের বিপক্ষে দাঁড়ানো তারকাদের মধ্যে অন্যতম একজন হচ্ছেন অভিনেত্রী শামীমা তুষ্টি। হোয়াটসঅ্যাপে ‘আলো আসবেই’ নামে যে গোপন গ্রুপ খোলা হয়েছিল সেটির চারজন অ্যাডমিনের মধ্যে তিনিও ছিলেন। এছাড়া আন্দোলনের শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ফেসবুকেও সরব ছিলেন এই অভিনেত্রী। গ্রুপটি নিয়ে তীব্র সামালোচনা চললেও এতদিন চুপ ছিলেন শামীমা তুষ্টি। অবশেষে শনিবার নীরবতা ভেঙে মুখ খুলেন তিনি। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এ বিষয়ে স্ট্যাটাস দিতেই সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। অধিকাংশ নেটিজেন তার সমালোচনা করে বলেন, তুষ্টির স্ট্যাটাস হাস্যকর। কেউ কেউ এই অভিনেত্রীর উদ্দেশে লিখেছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিনিয়ত ভয়াবহ সব মৃত্যুর মিছিলের খবর বেরিয়েছে, সেটা আপনাদের কাঁদায়নি, আপনাদের ভাবায়নি। নিজেকে

আয়নার সামনে দাঁড় করান, আর ভাবুন- আপনারা মানুষ হিসেবে কোন শ্রেণিতে পড়েন। ফারজানা বুবলী নামের এক নারী বলেন, লজ্জা লাগল না এই স্ট্যাটাস দিতে। তারেক মিয়াজি বলেন, একটা কথা সব সময় ক্লিয়ার হওয়া উচিত সবার। মুক্তিযোদ্ধা মানেই আওয়ামী লীগ না! আমার বাবা মুক্তিযোদ্ধা কিন্তু আমি বিএনপির একজন কর্মী!তাতে কোনো সমস্যা নয়। বাংলাদেশ মানেই সবার দেশ! বিগত সরকার বার বার এটাই প্রমাণ করার চেষ্টা করেছে যে এটা উনার বাবার দেশ!উনিই স্বাধীন করেছে! আর এটাই উনার ভুল ছিল।এজন্যই উনার শোকের মাসে উনাকেই চূড়ান্ত শোক দিয়ে দিয়েছে এ দেশের ছাত্র-জনতা। ফারজিন খান লিখেছেন, আপনি যে কোনো রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করতে পারেন কিন্তু দায়িত্বশীল নাগরিক

হিসেবে মানুষের প্রতি কোনো অবিচারকে আপনার সহ্য করা উচিৎ নয়। ফজলে আজিম জুয়েল লিখেছেন, রোম যখন পুড়ছিল তখন আপনারা বাঁশি বাজাচ্ছিলেন। সব পুড়ে ছাই হয়ে গেল, তখনো আপনারা চুপ ছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিনিয়ত ভয়াবহ সব মৃত্যুর মিছিলের খবর বেরিয়েছে, সেটা আপনাদের কাঁদায়নি, আপনাদের ভাবায়নি। এই দলকানা রাজনীতি আপনাদের শুধু প্রতিহিংসাপরায়ন আর বিবেকহীন করেছে। লিখলে, লেখা থামবে না। নিজেকে আয়নার সামনে দাঁড় করান আর ভাবুন- আপনারা মানুষ হিসেবে কোন শ্রেণিতে পড়েন। দ্বীন মোহাম্মদ লিখেছেন, আপনি একজন শিল্পী ও শিক্ষক হয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিরুদ্ধে যেভাবে পোস্ট করতেন তা অবাক করার মতো ঘৃণা ছড়িয়েছে। আমরা যে কোনো দল সমর্থন করতে পারি কিন্তু ন্যায় অন্যায়

না বুঝলে আমরা দেশ ও সমাজের আবর্জনা। ৯৩ বিলিয়ন পাচার, গুম, খুন, বছরের পর বছর ধরে গায়েবি মামলার নির্যাতন, নগ্ন ভোট ডাকাতি, সীমাহীন দুর্নীতি, সহস্রাধিক শিক্ষার্থী হত্যাকাণ্ড, ক্ষমতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অপব্যবহার, দুঃসাশন আপনাদের অন্ধ বিবেককে নাড়া নিতে পারেনি। অথচ আপনারা নাকি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। আপনারা কখনো কি দেশকে ভালোবেসেছেন? জেসমিন জামান লিখেছেন, আপনি যে গ্রুপের অ্যাডমিন ছিলেন, সেখানে যে গরম পানি ছাত্রদের ওপর ঢেলে দেওয়ার প্ল্যান হলো সেই অরুণা বিশ্বাসও একই কথা বলেছেন। বাচ্চাদের ওপর যে অত্যাচার হচ্ছে এটা আপনারা জানতেন না। খুব ভালো স্ট্র্যাটেজি বানিয়েছেন। এ স্ট্যাটাসটা দিয়ে নিজের পরিচয়টা কমপ্লিট করলেন। দলের সব ঠিক ছিল না, মিডিয়ার সব

ঠিক ছিল না, কিন্তু আপনি ঠিক। তুষ্টির সমালোচনা করে মনির সিরাজুম বলেছেন, আপু, আপনি একটা ফটো দিয়েছিলেন। বলেছিলাম- এখন বিউটি শো অফ করার টাইম না। তখন অলরেডি ৪/৫ গুলিতে মৃত্যুবরণ করেছিল। আপনি বললেন- আপনারা তো আছেন দেখার জন্য। শাওন শরিফ লিখেছেন, অন্যায়গুলোর প্রতিবাদ করা উচিত ছিল আরও আগে। এতগুলো মানুষ মারা গেলো, হাজার হাজার মানুষ আহত হলো- নিশ্চয়ই সবই আপনারা জানতেন। হয় তো আপনারা ভাবছিলেন যত আন্দোলনই হোক, যত লাশই পড়ুক- আওয়ামী সরকারই টিকে যাবে! রুমানা রশিদ খান বলেছেন, অন্য সবার কথা ৫ শতাংশ বিলিভ করলেও আপনার এই পোস্টের একটি শব্দ ও আপনার সঙ্গে যাচ্ছে না। ছাত্রদের যে পরিমাণ অপমান করে আপনি

লিখেছেন, সেখানেই থাকতেন। আজকের এই স্ট্যাটাসটা খুবই হাস্যকর। সোহাগ লিখেছেন, এই কোটা আন্দোলনের বিপক্ষে, ছাত্রদের বিপক্ষে আপনার সেই পোস্টগুলো কই? প্রতিটা পোস্ট আপনি এই আন্দোলনের বিপক্ষে যেভাবে কাউন্টার দিয়েছেন, যারা সেগুলো দেখছে তারাই বলতে পারে। আর এতদিন পর গা বাঁচানোর জন্য এখন আপনি নাটক করতে আসছেন। রানা মাসুদ লিখেছেন, দলের চেয়ে মানুষ বড়। সবকিছুর ঊর্ধ্বে মানুষের জীবন। আর শিল্পী হিসেবে আমাদের দায়িত্ব আরও বেশি। দুঃখ সারা পৃথিবী দেখলো আর আপনারা দেখতে এবং বুঝতে দেরি করে ফেললেন। শিল্পীদের কাছ থেকে মানুষ আরও দায়িত্বশীল আচরণ আশা করে। আপনার বাবা মুক্তিযোদ্ধা এটা খুবই গর্বের বিষয় কিন্তু আপনি যা করেছেন আপনি আপনার বাবাকেও লজ্জিত করেছেন।

নির্বিচারে মানুষ ছাত্র-জনতা হত্যাকে আপনি বাজেভাবে সাপোর্ট করেছেন এবং খুবই নোংরাভাবে লিখেছেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বড়দিনে তিন কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী সাফের ‘প্লে অন পিরিয়ড’ প্রকল্পের পার্টনার সেনোরা চলতি বছর শেষে ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা বন্ধ করবেন ট্রাম্প মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার রায় ১৯ নভেম্বর মোগল জাহাজে ডাকাতিতে জড়িত টমাস জোন্সের নামে নিউইয়র্কের সৈকত ঘুষের এক লাখ টাকাসহ গ্রেপ্তার ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আসাদুল কারাগারে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত প্রসিকিউটরের দেশত্যাগ, নিষেধাজ্ঞার তথ্য জানালেন চিফ প্রসিকিউটর সংবিধান সংশোধনে তাড়াহুড়া নয়, ঐকমত্য ও অন্তর্ভুক্তির তাগিদ তরঙ্গের দাম সাশ্রয়ী হলে টেলিযোগাযোগে বিনিয়োগ বাড়বে, বললেন ভিওনের সিইও কান তেরজিওগ্লো বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের অসন্তোষ পর্যবেক্ষণ করছে ভারত: জয়সোয়াল শ্রমিকদের উপর হামলার ভিডিও করায় পিটিয়ে শ্রমিকহত্যা; এই মৃত্যুর দায়ও আওয়ামীলীগের উপর চাপালো সরকার শ্রমিক আন্দোলনে ফ্যাসিস্টদের অনুপ্রবেশের দায় সরকারের: নাহিদ ইসলাম পিএসজি-রিয়ালের চেয়ে পিছিয়ে নেই বার্সেলোনা, দাবি গর্ডনের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিটের চাহিদা বিশ্বকাপ ফাইনালকেও ছাড়াল উয়েফার চাপে বিশ্বকাপ বিক্রি সংক্রান্ত নথি প্রকাশে রাজি ফিফা ইউরোপের বিভিন্ন সুপারমার্কেটের ফ্রিজে সাইবার হামলা নিউজিল্যান্ডের শিক্ষার্থী ভিসায় আনল চারটি পরিবর্তন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানের কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা ২ নভেম্বর (সোমবার) বিকেল ৫টায় ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা তেঘরিয়া ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর এলাকায় কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুকের তত্ত্বাবধানে অবৈধ স্ট্যান্ড, ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করার অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ড সরিয়ে সড়ক ও ফুটপাতকে পরিষ্কার করা হয়। বিজ্ঞাপন ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ড উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ পদক্ষেপের মাধ্যমে যানবাহনের চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং পথচারীদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় পথচারীরা জানান যে, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানপাটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে চলাচলে বাধা ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি ছিল। ফুটপাত দখল থাকায় তারা বাধ্য হয়ে সড়ক দিয়ে চলতে হতো, যা যানজট বাড়িয়ে দিত। সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত হওয়ায় তারা উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং এই সুফল বজায় রাখতে নিয়মিত তদারকি ও অভিযান চালিয়ে যাওয়ার দাবি জানিয়েছেন। কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুক বলেন, যানজট কমানো এবং পথচারীদের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা জরুরি এবং কোনো ধরনের জনদুর্ভোগ মেনে নেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের চলাচলের পথে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে, সে যেই হোক, তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে ৩০ আহত, ৬০ কারখানায় ছুটি ঘোষণা