ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গভীর রাতে পরস্ত্রীর বিছানা থেকে হাতেনাতে আটক মসজিদের ইমাম, অতঃপর…
ত্রাণের টাকা লোপাট করলেন জামায়াত এমপির এপিএস-স্বজন ও দলের নেতাকর্মীরা মিলে
উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় কলেজছাত্রের ওপর হামলা
পাটক্ষেতে মিলল নিখোঁজ জামায়াত কর্মীর হাত-পা বাঁধা অগ্নিদগ্ধ মরদেহ
টেকনাফে মাটির নিচে ‘বারুদের স্তূপ’: টেকনাফে মাটির তলদেশ থেকে ১০টি তাজা গ্রেনেড ও বিপুল গোলাবারুদ উদ্ধার
বেড়িবাঁধ কাটা নিয়ে দুই গ্রামের সংঘর্ষে আহত ৩০
কাপড় বদলানোর সময় শিশুকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার
চিকিৎসক ধীপ্রার মৃত্যুর ঘটনায় স্বামী-শ্বশুরসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা
রাজধানীর ধানমন্ডিতে ডা. নাফিসা তাবাসসুম ধীপ্রা নামের এক নারী চিকিৎসকের অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগে নিহতের স্বামী, শ্বশুরসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ ১৬ই জুন, মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে মামলা দায়েরের আবেদন করেন নিহতের স্বজন বাদী মো. মশিউর রহমান শাহ।
ওই সময়ে আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আদেশের জন্য অপেক্ষমান রাখেন। পরে বিকালে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।বাদী পক্ষের আইনজীবী ফরহাদ হোসাইন এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মামলার আসামিরা হলেন- নিহতের শাশুড়ি সিদ্দিকা সুলতানা, স্বামী ডা. রহমত রশীদ, শ্বশুর ডা. মোহাম্মদ আব্দুর রশীদ
(বিভাগীয় প্রধান, কার্ডিয়াক বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল) এবং প্রথম আলোর সহযোগী প্রকল্প ইয়ার্কি’র এডিটর সিমু নাসের। ধীপ্রার মৃত্যুর জন্য দায়ী ও হত্যা ধামাচাপা দেওয়া কুশীলবদের দেশ ছাড়ার চেষ্টা মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, পড়াশোনা করার সময় ডা. নাফিসা তাবাসসুম ধীপ্রার সাথে সহপাঠী ডা. রহমত রশীদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং পরবর্তীতে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের সংসারে বর্তমানে ২ বছর বয়সী একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। ডা. ধীপ্রা অপেক্ষাকৃত কম স্বচ্ছল পরিবার থেকে আসায় বিয়ের পর থেকেই আসামিরা তার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতে থাকে। ক্রমাগত মানসিক নির্যাতনের কারণে তিনি তীব্র ডিপ্রেশনে আক্রান্ত হন এবং সন্তান প্রসবের পর পোস্ট-পার্টাম ডিপ্রেশনসহ উচ্চ রক্তচাপ ও
ডায়াবেটিসে ভুগতে থাকেন। অভিযোগে আর বলা হয়, আসামিরা নিজেরা চিকিৎসক হওয়া সত্ত্বেও ডা.ধীপ্রার চিকিৎসার খরচ না দিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে অবহেলা করেন। এমনকি তার এফসিপিএস (FCPS) পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রহণেও আসামিরা অন্যায়ভাবে বাধা প্রদান করেন। মৃত্যুর কিছুদিন পূর্বে ডা. ধীপ্রা ‘Female Doctors in Bangladesh’ নামক একটি ফেসবুক গ্রুপেও তার ওপর হওয়া পারিবারিক নির্যাতনের কথা পোস্ট করেছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগে বাদী আরও বলেন, গত ২রা জুন থেকে একাধারে তিন দিন আসামিরা ডা. ধীপ্রাকে রুমে তালাবদ্ধ করে রাখে। এই তিন দিন তাকে কোনো খাবার দেওয়া হয়নি এবং তার ২ বছরের সন্তানকেও দেখতে দেওয়া হয়নি। গত ৪ঠা জুন খবর পেয়ে ডা. ধীপ্রার মা ধানমন্ডির ‘বসতী গ্রীন’
আবাসন এলাকার ৪/এ রোডের ৪৩ নম্বর ফ্ল্যাটে যান। সেখানে মেয়েকে তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখে তালা খুলে দেওয়ার অনুরোধ করলে স্বামী তালা খুলে দেন। ঘর থেকে মুক্ত হয়েই ডা. ধীপ্রা তার মাকে জড়িয়ে ধরে বলেন, “মা, আমি ভাত খাব।” এই কথা বলার সাথে সাথেই তিনি ঘরের মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন। অভিযোগে আর বলা হয়, আলামত ধ্বংস ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ অভিযোগে আরও বলা হয়, ডা. ধীপ্রা মাটিতে লুটিয়ে পড়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে তাকে নিকটস্থ কোনো হাসপাতালে না নিয়ে আসামিরা ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্ব করতে থাকেন। পরবর্তীতে শ্বশুর ডা. মোহাম্মদ আব্দুর রশীদের প্রভাব বলয় ব্যবহার করে চিকিৎসার নামে দূরবর্তী বারডেম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই ডা. ধীপ্রার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর
অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আসামিরা তাদের ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে কোনো প্রকার ময়নাতদন্ত (পোস্টমর্টেম) ছাড়াই তড়িঘড়ি করে একটি মিথ্যা ডেথ সার্টিফিকেট ইস্যু করান এবং তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করেন। এটি ডা. ধীপ্রার স্বাভাবিক মৃত্যু নয়, বরং সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড এবং আলামত ধ্বংসের একটি চেষ্টা বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
(বিভাগীয় প্রধান, কার্ডিয়াক বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল) এবং প্রথম আলোর সহযোগী প্রকল্প ইয়ার্কি’র এডিটর সিমু নাসের। ধীপ্রার মৃত্যুর জন্য দায়ী ও হত্যা ধামাচাপা দেওয়া কুশীলবদের দেশ ছাড়ার চেষ্টা মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, পড়াশোনা করার সময় ডা. নাফিসা তাবাসসুম ধীপ্রার সাথে সহপাঠী ডা. রহমত রশীদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং পরবর্তীতে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের সংসারে বর্তমানে ২ বছর বয়সী একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। ডা. ধীপ্রা অপেক্ষাকৃত কম স্বচ্ছল পরিবার থেকে আসায় বিয়ের পর থেকেই আসামিরা তার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতে থাকে। ক্রমাগত মানসিক নির্যাতনের কারণে তিনি তীব্র ডিপ্রেশনে আক্রান্ত হন এবং সন্তান প্রসবের পর পোস্ট-পার্টাম ডিপ্রেশনসহ উচ্চ রক্তচাপ ও
ডায়াবেটিসে ভুগতে থাকেন। অভিযোগে আর বলা হয়, আসামিরা নিজেরা চিকিৎসক হওয়া সত্ত্বেও ডা.ধীপ্রার চিকিৎসার খরচ না দিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে অবহেলা করেন। এমনকি তার এফসিপিএস (FCPS) পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রহণেও আসামিরা অন্যায়ভাবে বাধা প্রদান করেন। মৃত্যুর কিছুদিন পূর্বে ডা. ধীপ্রা ‘Female Doctors in Bangladesh’ নামক একটি ফেসবুক গ্রুপেও তার ওপর হওয়া পারিবারিক নির্যাতনের কথা পোস্ট করেছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগে বাদী আরও বলেন, গত ২রা জুন থেকে একাধারে তিন দিন আসামিরা ডা. ধীপ্রাকে রুমে তালাবদ্ধ করে রাখে। এই তিন দিন তাকে কোনো খাবার দেওয়া হয়নি এবং তার ২ বছরের সন্তানকেও দেখতে দেওয়া হয়নি। গত ৪ঠা জুন খবর পেয়ে ডা. ধীপ্রার মা ধানমন্ডির ‘বসতী গ্রীন’
আবাসন এলাকার ৪/এ রোডের ৪৩ নম্বর ফ্ল্যাটে যান। সেখানে মেয়েকে তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখে তালা খুলে দেওয়ার অনুরোধ করলে স্বামী তালা খুলে দেন। ঘর থেকে মুক্ত হয়েই ডা. ধীপ্রা তার মাকে জড়িয়ে ধরে বলেন, “মা, আমি ভাত খাব।” এই কথা বলার সাথে সাথেই তিনি ঘরের মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন। অভিযোগে আর বলা হয়, আলামত ধ্বংস ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ অভিযোগে আরও বলা হয়, ডা. ধীপ্রা মাটিতে লুটিয়ে পড়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে তাকে নিকটস্থ কোনো হাসপাতালে না নিয়ে আসামিরা ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্ব করতে থাকেন। পরবর্তীতে শ্বশুর ডা. মোহাম্মদ আব্দুর রশীদের প্রভাব বলয় ব্যবহার করে চিকিৎসার নামে দূরবর্তী বারডেম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই ডা. ধীপ্রার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর
অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আসামিরা তাদের ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে কোনো প্রকার ময়নাতদন্ত (পোস্টমর্টেম) ছাড়াই তড়িঘড়ি করে একটি মিথ্যা ডেথ সার্টিফিকেট ইস্যু করান এবং তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করেন। এটি ডা. ধীপ্রার স্বাভাবিক মৃত্যু নয়, বরং সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড এবং আলামত ধ্বংসের একটি চেষ্টা বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।



