ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জভেরেভকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন সিনার
‘লাল কার্ডের কোনো যৌক্তিকতা ছিল না’, ম্যাচ হেরে বললেন সুইজারল্যান্ডের কোচ
১০ জনের সুইজারল্যান্ডকে অতিরিক্ত সময়ের গোলে হারিয়ে সেমিতে আর্জেন্টিনা
বেলিংহ্যামের জোড়া গোলে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড
স্বস্তির জয় বাংলাদেশের
কন্ডিশনের সুবিধা পাবে আর্জেন্টিনা, তবু ‘অজুহাত না দিয়ে’ সেরা খেলার প্রত্যয় সুইজারল্যান্ডের
“আমাদের জেতাটা কেউ কেউ চায় না”—রেফারির পক্ষপাতিত্ব বিতর্কে মুখ খুললেন স্কালোনি
‘চোরের দল’ লিখে সার্চ করলেই গুগলে আসছে আর্জেন্টিনার নাম!
বিখ্যাত সার্চ ইঞ্জিন গুগলে ‘চোরের দলের ফুটবল খেলা কবে’ লিখে সার্চ করে অবাক হচ্ছেন অনেকেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন স্ক্রিনশটে দেখা যাচ্ছে, এই প্রশ্নের উত্তরে গুগল আগামী বুধবারের আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের তথ্য দেখাচ্ছে।
কিন্তু গুগল কেন ‘চোরের দলের ম্যাচ কবে’ এরকম অদ্ভুত সার্চের ফলাফলে আর্জেন্টিনার ম্যাচ দেখাচ্ছে?
সহজ উত্তর হলো, গুগল কোনো দলকে ‘চোরের দল’ মনে করেনি, সেটি করার ক্ষমতাও তার নেই। গুগলের স্বয়ংক্রিয় সার্চ ব্যবস্থা ইন্টারনেটের খবর, ভিডিও, পোস্ট ও মিমের সঙ্গে মানুষের সার্চের ধরন মিলিয়ে প্রাসঙ্গিক ফল দেখানোর চেষ্টা করে।
সাম্প্রতিক সময়ে ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে আর্জেন্টিনাকে নিয়ে তৈরি ট্রল ও মিমে ‘চোরের দল’ কথাটি অনেকবার ব্যবহার
করা হয়েছে। একই পোস্টে আবার আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনালের কথাও লেখা হয়েছে। ফলে গুগলের স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা শব্দটির সঙ্গে আর্জেন্টিনার ম্যাচের একটি সম্পর্ক খুঁজে পেয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এরপর অনেক মানুষ একই বাক্য লিখে সার্চ করা এবং আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচের তথ্য দেখা বা তাতে ক্লিক করায় সম্পর্কটি আরও শক্তিশালী হয়েছে। তাই গুগলের এআই ওভারভিউ এই ফলাফল দেখাচ্ছে। ট্রলটির পেছনে রয়েছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের পুরোনো ফুটবল-দ্বৈরথও। ১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল আর্জেন্টিনা। সেই ম্যাচে দিয়েগো ম্যারাডোনা হাত দিয়ে একটি গোল করেছিলেন। রেফারি সেটি দেখতে না পাওয়ায় গোলটি বাতিল হয়নি। পরে সেটিই ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল নামে পরিচিত হয়। একই ম্যাচে ম্যারাডোনা মাঝমাঠ থেকে
বল নিয়ে কয়েকজন ইংলিশ ফুটবলারকে কাটিয়ে আরেকটি অসাধারণ গোল করেন। সেটি পরে ‘শতাব্দীর সেরা গোল’ হিসেবে পরিচিতি পায়। চল্লিশ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আবার মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। তাই পুরোনো সেই বিতর্ক সামনে এনে প্রতিপক্ষ সমর্থকেরা নতুন করে মিম ও ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট তৈরি করছেন। সেখান থেকেই ‘চোরের দলের খেলা কবে’ বাক্যটি ছড়িয়ে পড়েছে। তবে একই সার্চ ফলাফল সবার মোবাইল বা কম্পিউটারে নাও আসতে পারে। গুগল জানিয়েছে, ব্যবহারকারীর অবস্থান, ভাষা, সেটিংস এবং সাম্প্রতিক ঘটনার ওপর ভিত্তি করে ফলাফল বদলাতে পারে।
করা হয়েছে। একই পোস্টে আবার আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনালের কথাও লেখা হয়েছে। ফলে গুগলের স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা শব্দটির সঙ্গে আর্জেন্টিনার ম্যাচের একটি সম্পর্ক খুঁজে পেয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এরপর অনেক মানুষ একই বাক্য লিখে সার্চ করা এবং আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচের তথ্য দেখা বা তাতে ক্লিক করায় সম্পর্কটি আরও শক্তিশালী হয়েছে। তাই গুগলের এআই ওভারভিউ এই ফলাফল দেখাচ্ছে। ট্রলটির পেছনে রয়েছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের পুরোনো ফুটবল-দ্বৈরথও। ১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল আর্জেন্টিনা। সেই ম্যাচে দিয়েগো ম্যারাডোনা হাত দিয়ে একটি গোল করেছিলেন। রেফারি সেটি দেখতে না পাওয়ায় গোলটি বাতিল হয়নি। পরে সেটিই ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল নামে পরিচিত হয়। একই ম্যাচে ম্যারাডোনা মাঝমাঠ থেকে
বল নিয়ে কয়েকজন ইংলিশ ফুটবলারকে কাটিয়ে আরেকটি অসাধারণ গোল করেন। সেটি পরে ‘শতাব্দীর সেরা গোল’ হিসেবে পরিচিতি পায়। চল্লিশ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আবার মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। তাই পুরোনো সেই বিতর্ক সামনে এনে প্রতিপক্ষ সমর্থকেরা নতুন করে মিম ও ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট তৈরি করছেন। সেখান থেকেই ‘চোরের দলের খেলা কবে’ বাক্যটি ছড়িয়ে পড়েছে। তবে একই সার্চ ফলাফল সবার মোবাইল বা কম্পিউটারে নাও আসতে পারে। গুগল জানিয়েছে, ব্যবহারকারীর অবস্থান, ভাষা, সেটিংস এবং সাম্প্রতিক ঘটনার ওপর ভিত্তি করে ফলাফল বদলাতে পারে।



