ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আলিবাবার বিনিয়োগ বন্ধ, ব্যবসা গোটানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে দারাজ বাংলাদেশ
বেনজীরের ‘ক্যাশিয়ার’ থেকে বিএনপির এমপি — জসিম উদ্দিনের বিস্ময়কর রাজনৈতিক পুনর্জন্ম
বাবা মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হওয়ার ১০ বছর পর জন্ম জামায়াত এমপির! সংসদে চাঞ্চল্যকর দাবি
জুলাই সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার এবং তাদের ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের ঘোষণা ফেনীর পুলিশ সুপারের
তিলে তিলে তিলোত্তমা নগরী চট্টগ্রামের অবক্ষয়: প্রকাশ্যেই মাদক-ছিনতাই আর অনৈতিক কার্যক্রমের আখড়া
এসএএম ইঞ্জিন: ড. ইউনূসের সামাজিক ব্যবসার নতুন পণ্য, যার নেই কোন বৈজ্ঞানিক স্বীকৃতি
হত্যা মামলায় ড. আবুল বারকাতের জামিন
প্রবাসীদের বিক্ষোভের অতীত স্মৃতি স্মরণ করে লন্ডন সফর বাতিল করেন শফিকুল
জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশ নিয়ে অক্সফোর্ড ইউনিয়ন ডিবেটিং সেন্টারে হল ভাড়া করে আয়োজিত আলোচনা সভায় যোগদানের কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তা বাতিল করেন ড. ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
কয়েক সপ্তাহ আগে অক্সফোর্ডের বাংলা সোসাইটি ঐতিহ্যবাহী অক্সফোর্ড ইউনিয়ন ডিবেট সেন্টারে জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে একটি ডিবেট-কাম-আলোচনার আয়োজন করে। উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য ছিল জুলাইয়ের বিভিন্ন পক্ষের প্রতিনিধিদের প্ল্যাটফর্ম দেওয়া। এজন্য বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।
বিএনপির অনেক প্রথম সারির নেতা উৎসাহী না থাকায় বা সাড়া না দেওয়ায় দলের পক্ষ থেকে অধ্যাপক নাহরীনকে প্রস্তাব করা হয়। তিনি রাজি হন। একই সঙ্গে শফিকুল আলমও অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার সম্মতি দেন। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাসনাত,
সাদিক কায়েম, নাবিলা, শফিকুল আলম ও অধ্যাপক নাহরীনের ছবি সম্বলিত পোস্টার প্রকাশিত হয়। কিন্তু যুক্তরাজ্যে বসবাসরত মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বাংলাদেশি প্রবাসী ও আওয়ামী লীগ সমর্থকরা এই অনুষ্ঠান ঘিরে প্রতিবাদ-বিক্ষোভের ডাক দেন। এতে ভড়কে যান শফিকুল আলম, মনে পড়ে যায় লন্ডন সফরের অতীত স্মৃতি। ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের সময় লন্ডন সফরে গিয়ে তিনি স্থানীয় বাংলাদেশিদের হাতে হেনস্তার শিকার হন। প্রতিবাদের মুখে পড়েন। সেই অভিজ্ঞতার স্মৃতি স্মরণ করে শেষ মুহূর্তে তিনি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকেন। অনুষ্ঠান শুরুর মাত্র ৩০ ঘণ্টা আগে বিএনপির অফিসিয়াল প্রতিনিধি অধ্যাপক নাহরীনও অংশগ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করেন। আয়োজক সূত্র জানিয়েছে, এ ঘটনায় তারা বিএনপির ওপর বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করেন, দলটি
যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে প্রতিনিধি পাঠাতে ব্যর্থ হয়েছে। এ বিষয়ে শফিকুল আলমেরও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে প্রবাসী রাজনৈতিক অঙ্গনে এ ঘটনা নিয়ে আলোচনা চলছে। অনেকে মনে করছেন, প্রবাসে প্রতিবাদ ও বিরোধিতার মুখে জুলাই আন্দোলনকারী ও অন্তর্বর্তী সরকারের কর্তাব্যাক্তিদের পৃথিবী দিন কে দিন ছোট হয়ে আসছে।
সাদিক কায়েম, নাবিলা, শফিকুল আলম ও অধ্যাপক নাহরীনের ছবি সম্বলিত পোস্টার প্রকাশিত হয়। কিন্তু যুক্তরাজ্যে বসবাসরত মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বাংলাদেশি প্রবাসী ও আওয়ামী লীগ সমর্থকরা এই অনুষ্ঠান ঘিরে প্রতিবাদ-বিক্ষোভের ডাক দেন। এতে ভড়কে যান শফিকুল আলম, মনে পড়ে যায় লন্ডন সফরের অতীত স্মৃতি। ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের সময় লন্ডন সফরে গিয়ে তিনি স্থানীয় বাংলাদেশিদের হাতে হেনস্তার শিকার হন। প্রতিবাদের মুখে পড়েন। সেই অভিজ্ঞতার স্মৃতি স্মরণ করে শেষ মুহূর্তে তিনি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকেন। অনুষ্ঠান শুরুর মাত্র ৩০ ঘণ্টা আগে বিএনপির অফিসিয়াল প্রতিনিধি অধ্যাপক নাহরীনও অংশগ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করেন। আয়োজক সূত্র জানিয়েছে, এ ঘটনায় তারা বিএনপির ওপর বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করেন, দলটি
যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে প্রতিনিধি পাঠাতে ব্যর্থ হয়েছে। এ বিষয়ে শফিকুল আলমেরও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে প্রবাসী রাজনৈতিক অঙ্গনে এ ঘটনা নিয়ে আলোচনা চলছে। অনেকে মনে করছেন, প্রবাসে প্রতিবাদ ও বিরোধিতার মুখে জুলাই আন্দোলনকারী ও অন্তর্বর্তী সরকারের কর্তাব্যাক্তিদের পৃথিবী দিন কে দিন ছোট হয়ে আসছে।



