ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জঙ্গল সলিমপুরে নাশকতা: যৌথ বাহিনীর পানির পাইপ কেটে ঢালা হয় বিষ, ঝুঁকিতে স্কুলশিশুরাও
ঢাকায় বিদ্যুৎ বিলের ভয়াবহ বৃদ্ধি: একই ব্যবহারে আগের মাসের চেয়ে আসছে দ্বিগুণ-তিনগুণ বিল!
মুক্তিযুদ্ধের সরাসরি বিরোধিতা করা যুক্তরাষ্ট্র এবার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ডাটাবেজ তৈরিতে আগ্রহী!
যেসব কারণে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ
২০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন ভবনে হামলা, ককটেল নিক্ষেপ
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২২টি কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক চুরি
গুরু পাপে লঘু দণ্ড পুঁজিবাজারে, উৎসাহিত হচ্ছে কারসাজি চক্র
আমেরিকা ফার্স্ট নীতি? যুক্তরাষ্ট্রকে খুশি করতেই ২৩৭ কোটি টাকা গচ্চায় গম কিনছে বিএনপি সরকার
সবার আগে বাংলাদেশ- নীতির কথা বলা হলেও আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের বাজারদরকে তোয়াক্কা না করে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি ও বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর কৌশলগত অজুহাতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ টন গম আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারেক রহমানের বিএনপি সরকার।
খোলা বাজারের স্বাভাবিক আন্তর্জাতিক দরপত্রের তুলনায় টনপ্রতি প্রায় ২৪ মার্কিন ডলার বেশি দামে কেনা এই গমের কারণে বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে অতিরিক্ত খরচ হতে যাচ্ছে সর্বমোট প্রায় ২৩৬ কোটি ৯০ লাখ (২৩৬.৯১ কোটি) টাকা।
বর্তমান আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবিনিময় হার (১ ডলার = ১২৩.৩৯ টাকা) অনুযায়ী, প্রতি টনে অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে ২,৯৬১ টাকা, যার ফলে সাধারণ হিসাব অনুযায়ী প্রতি কেজি গমে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে
প্রায় ২.৯৬ টাকা। উন্মুক্ত বাজারের তুলনায় বিপুল পরিমাণ অর্থ বেশি দিয়ে খাদ্যশস্য কেনার এই সরকারি সিদ্ধান্তটি সাধারণ মানুষের দৃষ্টিতে চরম অর্থনৈতিক অপচয়। সরকারপক্ষের দাবি, ইউএস গম অ্যাসোসিয়েটস থেকে সংগৃহীত এই মার্কিন গমের প্রোটিনের পরিমাণ বেশি, আন্তর্জাতিক সাধারণ বাজারের চেয়ে উন্নত। তবে অর্থনীতিবিদরা হিসেব কষে দেখিয়েছেন, গম আমদানিতে অতিরিক্ত ব্যয় হওয়া এই ২৩৬ কোটি ৯০ লাখ টাকা যদি অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যবহার করা যেত, তবে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের পূর্ণাঙ্গ সংযোগ সড়ক নির্মাণ, প্রায় ৫০ হাজার টন মিউরিয়েট অব পটাশ সার আমদানি কিংবা ৫০টি প্রত্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ডিজিটাল সংস্কার সম্ভব হতো। আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে গিয়ে আমেরিকাকে খুশি করা জাতীয় বাজেটের ওপর এই অতিরিক্ত
চাপের বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর থেকে তুমুল সমালোচনা শুরু হয়েছে।
প্রায় ২.৯৬ টাকা। উন্মুক্ত বাজারের তুলনায় বিপুল পরিমাণ অর্থ বেশি দিয়ে খাদ্যশস্য কেনার এই সরকারি সিদ্ধান্তটি সাধারণ মানুষের দৃষ্টিতে চরম অর্থনৈতিক অপচয়। সরকারপক্ষের দাবি, ইউএস গম অ্যাসোসিয়েটস থেকে সংগৃহীত এই মার্কিন গমের প্রোটিনের পরিমাণ বেশি, আন্তর্জাতিক সাধারণ বাজারের চেয়ে উন্নত। তবে অর্থনীতিবিদরা হিসেব কষে দেখিয়েছেন, গম আমদানিতে অতিরিক্ত ব্যয় হওয়া এই ২৩৬ কোটি ৯০ লাখ টাকা যদি অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যবহার করা যেত, তবে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের পূর্ণাঙ্গ সংযোগ সড়ক নির্মাণ, প্রায় ৫০ হাজার টন মিউরিয়েট অব পটাশ সার আমদানি কিংবা ৫০টি প্রত্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ডিজিটাল সংস্কার সম্ভব হতো। আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে গিয়ে আমেরিকাকে খুশি করা জাতীয় বাজেটের ওপর এই অতিরিক্ত
চাপের বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর থেকে তুমুল সমালোচনা শুরু হয়েছে।



