ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বোয়িংয়ের পর এবার এয়ারবাস ডিল? ইইউ রাষ্ট্রদূতের চাপ; রপ্তানি টিকিয়ে রাখতে আর কতো ছাড় দিতে হবে বাংলাদেশকে?
ভেনিসে সজীব ওয়াজেদ জয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি নিয়ে তুমুল আলোচনা
ঢামেকে দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে আওয়ামী লীগ কর্মীসহ ৩ কারাবন্দীর মৃত্যু
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় থানার সামনেই ছাত্রলীগের মিছিল; শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন ২.০ উপলক্ষে জনসংযোগ
চাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ এখন চাল আমদানিকারক দেশ হিসাবে শীর্ষে
মক্কা জোটে যোগ দিলে বাংলাদেশের লাভ-ক্ষতি
৩ দিনে কোলকাতা দখলের হুমকি দেয়া সাবেক সেনাসদস্যরা এখন প্রতারণা ও ডাকাতি চক্রের হোতা
শেখ হাসিনার প্রথম টেলিফোন সাক্ষাৎকার, আশংকা প্রকাশ করে বললেন ‘দেশে ফিরলে বিমানবন্দরেই আমাকে হত্যা করতে পারে’
বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর প্রথমবারের মতো ভারতের কোনো সংবাদমাধ্যমকে টেলিফোনে দীর্ঘ একান্ত সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। দ্য ওয়ালের এক্সিকিউটিভ এডিটর অমল সরকারের সঙ্গে এই সাক্ষাৎকারে তিনি দেশে ফেরা, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি, তারেক রহমান, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক এবং আওয়ামি লীগের নেতৃত্ব নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন।
দেশে ফিরতে চান কি না—এই প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে নিজের দেশ বলে দাবি করে বলেন, তাঁকে কেন দেশে ফিরতে দেওয়া হবে না? তবে একই সঙ্গে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন,
“আমি ফিরলে এয়ারপোর্টেও আমাকে হত্যা করতে পারে।”
শুধু নিজের জীবনের ঝুঁকি নয়, দেশে ফেরার উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত অন্যদের
নিরাপত্তা নিয়েও তিনি উদ্বিগ্ন। তাঁর কথায়, “প্রত্যেকের জীবনের ঝুঁকি আছে। আমি দেশে ফেরার জন্য নির্দেশনা দিয়ে কাউকে বিপদে ফেলতে চাই না।” বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে শেখ হাসিনা অভিযোগ করেন, দেশে জঙ্গিবাদী শক্তির উত্থান ঘটছে। এর প্রভাব শুধু বাংলাদেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না বলে সতর্ক করে তিনি বলেন, “বাংলাদেশে জঙ্গিবাদীদের উত্থানের খেসারত ভারতকেও দিতে হবে।” প্রতিবেশী দেশের অস্থিরতা ও মৌলবাদী শক্তির বিস্তার ভারতের নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকেও প্রভাবিত করতে পারে বলে মনে করেন তিনি। ভারতের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের নির্বাচনে ভারতের সমর্থন এবং তারেক রহমানের দেশে ফেরার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ভারত সরকার কী ভেবে বাংলাদেশের নির্বাচন
সমর্থন করল, তারেককে ফিরিয়ে আনল—সেটা ভারত সরকারই ভাল বলতে পারবে।” দুই দেশের মধ্যে সামরিক জোটের পরিবর্তে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর জোর দেন তিনি। বিএনপি নেতা তথা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়েও তীব্র সমালোচনা করেন শেখ হাসিনা। তারেকের ভারত সফর ঘিরে দরকষাকষির অভিযোগের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, “তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে দর কষাকষি আসলে নিজের দেশকেই খাটো করা।” তাঁর অভিযোগ, তারেক রহমান একসময় রাজনীতি করবেন না বলে মুচলেকা দিয়ে বাংলাদেশ ছেড়েছিলেন। লন্ডন থেকে হিংসার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, “তারেক জিয়া লন্ডন থেকে নির্দেশ দেয়, লাশ ফেলো। সরকার পড়ে যাবে।” আওয়ামি লীগের নেতৃত্ব
প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বোন শেখ রেহানার সক্রিয় রাজনীতিতে আসার সম্ভাবনা কার্যত খারিজ করে দিয়ে বলেন, “রেহানা সরাসরি রাজনীতিতে যুক্ত নয়।” তাঁর অনুপস্থিতিতে দলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন শেখ ফজলুল করিম সেলিম। তিনি জানান, “এখন শেখ সেলিম সিনিয়র মোস্ট প্রেসিডিয়াম সদস্য। আমার অনুপস্থিতিতে তিনি সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।” বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলার সময় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “আমার তো হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়, যখন দেখছি আমার দেশ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।” দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং অন্য কারও জীবন যাতে বিপন্ন না হয়, সেই আশঙ্কা বারবার তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে। দ্য ওয়ালকে দেওয়া এই এক্সক্লুসিভ টেলিফোনিক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পালাবদল, ভারতের
ভূমিকা, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন, আওয়ামি লীগের নেতৃত্ব এবং নিজের নিরাপত্তা—সব মিলিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও বিতর্কিত বিষয় উঠে এসেছে। মূল সাক্ষাৎকার
নিরাপত্তা নিয়েও তিনি উদ্বিগ্ন। তাঁর কথায়, “প্রত্যেকের জীবনের ঝুঁকি আছে। আমি দেশে ফেরার জন্য নির্দেশনা দিয়ে কাউকে বিপদে ফেলতে চাই না।” বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে শেখ হাসিনা অভিযোগ করেন, দেশে জঙ্গিবাদী শক্তির উত্থান ঘটছে। এর প্রভাব শুধু বাংলাদেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না বলে সতর্ক করে তিনি বলেন, “বাংলাদেশে জঙ্গিবাদীদের উত্থানের খেসারত ভারতকেও দিতে হবে।” প্রতিবেশী দেশের অস্থিরতা ও মৌলবাদী শক্তির বিস্তার ভারতের নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকেও প্রভাবিত করতে পারে বলে মনে করেন তিনি। ভারতের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের নির্বাচনে ভারতের সমর্থন এবং তারেক রহমানের দেশে ফেরার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ভারত সরকার কী ভেবে বাংলাদেশের নির্বাচন
সমর্থন করল, তারেককে ফিরিয়ে আনল—সেটা ভারত সরকারই ভাল বলতে পারবে।” দুই দেশের মধ্যে সামরিক জোটের পরিবর্তে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর জোর দেন তিনি। বিএনপি নেতা তথা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়েও তীব্র সমালোচনা করেন শেখ হাসিনা। তারেকের ভারত সফর ঘিরে দরকষাকষির অভিযোগের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, “তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে দর কষাকষি আসলে নিজের দেশকেই খাটো করা।” তাঁর অভিযোগ, তারেক রহমান একসময় রাজনীতি করবেন না বলে মুচলেকা দিয়ে বাংলাদেশ ছেড়েছিলেন। লন্ডন থেকে হিংসার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, “তারেক জিয়া লন্ডন থেকে নির্দেশ দেয়, লাশ ফেলো। সরকার পড়ে যাবে।” আওয়ামি লীগের নেতৃত্ব
প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বোন শেখ রেহানার সক্রিয় রাজনীতিতে আসার সম্ভাবনা কার্যত খারিজ করে দিয়ে বলেন, “রেহানা সরাসরি রাজনীতিতে যুক্ত নয়।” তাঁর অনুপস্থিতিতে দলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন শেখ ফজলুল করিম সেলিম। তিনি জানান, “এখন শেখ সেলিম সিনিয়র মোস্ট প্রেসিডিয়াম সদস্য। আমার অনুপস্থিতিতে তিনি সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।” বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলার সময় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “আমার তো হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়, যখন দেখছি আমার দেশ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।” দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং অন্য কারও জীবন যাতে বিপন্ন না হয়, সেই আশঙ্কা বারবার তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে। দ্য ওয়ালকে দেওয়া এই এক্সক্লুসিভ টেলিফোনিক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পালাবদল, ভারতের
ভূমিকা, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন, আওয়ামি লীগের নেতৃত্ব এবং নিজের নিরাপত্তা—সব মিলিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও বিতর্কিত বিষয় উঠে এসেছে। মূল সাক্ষাৎকার



