ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মানুষের পেটে ভাত নেই, ৭০% ছাড় দিয়েও বিক্রি হচ্ছে না জামা-কাপড়: ব্যবসা নেমেছে এক-তৃতীয়াংশে
নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মনপুরায় রাজনৈতিক প্রভাবে মা ইলিশ শিকারের মহোৎসব
পটিয়ায় ছিনতাই হওয়া ২৮৪ বস্তা চিনি চকরিয়া থেকে উদ্ধার
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে: নাহিদ ইসলাম
রিকশাচালক হাফিজুল হত্যা মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে দীপু মনি
‘আমাকে হুমকি দিয়ে দমিয়ে রাখার স্বপ্ন দেখো না’
‘কেঁদো না, বাসায় গিয়ে ফোন দেব’, স্ত্রীর সঙ্গে শাহেদের শেষ ফোনালাপ
ঢামেকে দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে আওয়ামী লীগ কর্মীসহ ৩ কারাবন্দীর মৃত্যু
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক আওয়ামী লীগ কর্মীসহ তিন কারাবন্দীর মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে মো. শাহাদত হোসেন লিটন (৫২) ছিলেন দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের একটি মামলার আসামি। অসুস্থ হয়ে গত ২৮ আগস্ট ঢাকা মেডিকেলের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি হওয়ার পর রোববার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
একই দিন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে আনা আরও দুই হাজতির মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের একজন আবুল বাশার (৫৮), অন্যজন আব্দুল কাইয়ম (৬২)। তাঁদের মৃত্যুর ব্যবধান ছিল ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট।
কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে অসুস্থ অবস্থায় গত ২৮ আগস্ট মো. শাহাদত হোসেন লিটনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের ৫০২ নম্বর
ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সকাল পৌনে নয়টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। লিটন খুলনার দৌলতপুর থানার পাবলা এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মৃত আব্দুল কাদের। তিনি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মামলা নম্বর ১১/০৭ এবং উত্তরা থানার মামলা ৯(১১)০৬-এর ৩০২, ৩৪ ও ২০১ ধারার মামলায় বন্দী ছিলেন। লিটন আওয়ামী লীগের একজন কর্মী ছিলেন বলে জানা গেছে। একই সকালে আরও দুই হাজতির মৃত্যু এদিকে রোববার সকালে অসুস্থ হয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনার পর আবুল বাশার ও আব্দুল কাইয়ম নামে আরও দুই হাজতির মৃত্যু হয়। কারারক্ষীরা সকালে আবুল বাশারকে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসেন।
পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি চাঁদপুরের কচুয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলায় বন্দী ছিলেন। তাঁর বাড়ি কচুয়া উপজেলার কুটিয়া লক্ষ্মীপুর গ্রামে। অপর হাজতি আব্দুল কাইয়মকে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কয়েকজন কারারক্ষী সকালে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সকাল ৯টা ৫ মিনিটে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গোলাই পদাবাজার গ্রামে। তিনি আটটি মামলায় বন্দী ছিলেন। হাসপাতালে আবুল বাশারের মৃত্যুর ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট পর আব্দুল কাইয়মের মৃত্যু হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান জানান, তিন কারাবন্দীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। একই দিনে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিন কারাবন্দীর মৃত্যুর ঘটনায় তাঁদের মৃত্যুর কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন গুরুত্বপূর্ণ বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। তবে লিটনসহ তিনজনের মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সকাল পৌনে নয়টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। লিটন খুলনার দৌলতপুর থানার পাবলা এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মৃত আব্দুল কাদের। তিনি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মামলা নম্বর ১১/০৭ এবং উত্তরা থানার মামলা ৯(১১)০৬-এর ৩০২, ৩৪ ও ২০১ ধারার মামলায় বন্দী ছিলেন। লিটন আওয়ামী লীগের একজন কর্মী ছিলেন বলে জানা গেছে। একই সকালে আরও দুই হাজতির মৃত্যু এদিকে রোববার সকালে অসুস্থ হয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনার পর আবুল বাশার ও আব্দুল কাইয়ম নামে আরও দুই হাজতির মৃত্যু হয়। কারারক্ষীরা সকালে আবুল বাশারকে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসেন।
পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি চাঁদপুরের কচুয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলায় বন্দী ছিলেন। তাঁর বাড়ি কচুয়া উপজেলার কুটিয়া লক্ষ্মীপুর গ্রামে। অপর হাজতি আব্দুল কাইয়মকে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কয়েকজন কারারক্ষী সকালে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সকাল ৯টা ৫ মিনিটে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গোলাই পদাবাজার গ্রামে। তিনি আটটি মামলায় বন্দী ছিলেন। হাসপাতালে আবুল বাশারের মৃত্যুর ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট পর আব্দুল কাইয়মের মৃত্যু হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান জানান, তিন কারাবন্দীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। একই দিনে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিন কারাবন্দীর মৃত্যুর ঘটনায় তাঁদের মৃত্যুর কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন গুরুত্বপূর্ণ বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। তবে লিটনসহ তিনজনের মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।





