জামিল হাসান
আরও খবর
একটি বৈঠক, একটি অনুরোধ—আর বাংলাদেশের ভবিষ্যতের ১৫ বছরের জ্বালানি নিরাপত্তার নতুন দরজা
বেতন দ্বিগুণ সেবা অনিশ্চিত
২০২৪-এর আগস্ট পরবর্তী বাংলাদেশের মানবিক বিপর্যয়সমূহ
উগ্রবাদের সতর্কবার্তা যাচাই ছাড়া প্রত্যাখ্যান করার সামর্থ্য কি রাখে বাংলাদেশ?
মানবিক ও বিবেকবান বাঙালিদের উচিত একে অপরের পাশে দাঁড়ানো ও ঐক্যবদ্ধভাবে অন্যায়ের প্রতিবাদ করা
শেখ মুজিব ঠিক যতোটা “ফ্যাসিস্ট”: ভেদ না জেনে গোল বাধানো
জহির রায়হানের অন্তর্ধান রহস্য
শেখ হাসিনার দূরদর্শিতা: শুধু টোলনির্ভর নয়, ভেবে রেখেছিলেন সাধারণের টোলমুক্ত যাতায়াতের কথাও
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চালু হওয়ার আজ ৩ বছর পূর্ণ হল। ২০২৩ সালে ৩রা সেপ্টেম্বর থেকে টোল আদায় শুরু হয় যানবাহন চলাচল খুলে দেওয়ার পর। প্রথম দিনই ২২ হাজার ৮০৫টি যানবাহন থেকে টোল আদায় হয়েছিল ১৮ লক্ষ ৫৩ হাজার টাকা।
চালু হওয়ার পর গতকাল এই এক্সপ্রেসওয়েতে সর্বোচ্চ যানবাহল চলাচল করেছে। ৮৫ হাজার ৫৫টি যানবাহন থেকে টোল আদায় হয়েছে ৭২ লক্ষ ৫৯ হাজার টাকা। এর আগে সর্বোচ্চ সংখ্যা ছিল ২১শে মে তারিখে ৮৫ হাজার ১৩টি যানবাহন। সেদিন আদায় হয় ৭২ লক্ষ ৪৯ হাজার টাকা।
দেশের প্রথম এই পিপিপি নিয়ে শেখ হাসিনা ও তৎকালীন সরকারের সমালোচকদের ভবিষ্যদ্বাণী ছিল- এই এক্সপ্রেসওয়ে কোনো কাজে আসবে না, এটা
একটা শ্বেতহস্তী প্রকল্প হতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকারের… ইত্যাদি। তাদের সেই বাগাড়ম্বর অসাড় প্রমাণিত হয়েছে কালক্রমে। এক্সপ্রেসওয়েটি সম্পূর্ণ খুলে দিলে দিনে দেড় লক্ষ যানবাহন চলাচল করতে পারবে বলে এখন থেকেই অনুমান করা হচ্ছে। গতকাল ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের যে দুটো সার্ভিস লেন খুলে দেওয়া হয়েছে, সেটি প্রথম নকশাতেই ছিলো না। সেই নকশা দেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জিজ্ঞেস করেছিলেন, যারা টোল দিয়ে চলাচল করতে পারবে না তাদের কী হবে? কারণ নকশায় ছিলো ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে যেভাবে আছে- সেভাবে। ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের আশপাশে অনেক বিকল্প সড়ক আছে। কিন্তু আবদুল্লাহপুর থেকে আশুলিয়া বাইপাইল যাওয়ার একটাই সড়ক, সেটি দুই হাওড়ের মাঝখান দিয়ে। তাই পরবর্তীতে প্রায় ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ
দুটি সার্ভিস লেন করতে হয়েছে টোলবিহীন চলাচলের জন্য। এই দুটি সার্ভিস লেনের মাঝ দিয়ে গেছে মূল এক্সপ্রেসওয়ে। এটি নির্মাণ হয়ে গেলে নিচের সড়ক তুলে দিয়ে দুই পাশের হাওড়ের সংযোগ করে দেওয়া হবে, এমনই ছিল পরিকল্পনা। নৌকা আকৃতির পুরো কাঠামোটি তখন পানির উপর ভেসে থাকবে। এর সাথে সদরঘাট থেকে আসা সড়কের সংযোগ রাখা হয়েছে। সাধারণ মানুষের টোলমুক্ত চলাচলের জন্য নিচে চার লেনের আলাদা সড়কও একই উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে। সড়কে চলাচলকারী সাধারণ মানুষের জন্য। শেখ হাসিনার চিন্তা-ভাবনার নাগাল পাওয়া আসলেই দূরহ। অনেক আগেই সব চিন্তা করে রেখেছিলেন তিনি। লেখক পরিচিতি: রাজনীতি ও অর্থনীতি বিশ্লেষক
একটা শ্বেতহস্তী প্রকল্প হতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকারের… ইত্যাদি। তাদের সেই বাগাড়ম্বর অসাড় প্রমাণিত হয়েছে কালক্রমে। এক্সপ্রেসওয়েটি সম্পূর্ণ খুলে দিলে দিনে দেড় লক্ষ যানবাহন চলাচল করতে পারবে বলে এখন থেকেই অনুমান করা হচ্ছে। গতকাল ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের যে দুটো সার্ভিস লেন খুলে দেওয়া হয়েছে, সেটি প্রথম নকশাতেই ছিলো না। সেই নকশা দেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জিজ্ঞেস করেছিলেন, যারা টোল দিয়ে চলাচল করতে পারবে না তাদের কী হবে? কারণ নকশায় ছিলো ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে যেভাবে আছে- সেভাবে। ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের আশপাশে অনেক বিকল্প সড়ক আছে। কিন্তু আবদুল্লাহপুর থেকে আশুলিয়া বাইপাইল যাওয়ার একটাই সড়ক, সেটি দুই হাওড়ের মাঝখান দিয়ে। তাই পরবর্তীতে প্রায় ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ
দুটি সার্ভিস লেন করতে হয়েছে টোলবিহীন চলাচলের জন্য। এই দুটি সার্ভিস লেনের মাঝ দিয়ে গেছে মূল এক্সপ্রেসওয়ে। এটি নির্মাণ হয়ে গেলে নিচের সড়ক তুলে দিয়ে দুই পাশের হাওড়ের সংযোগ করে দেওয়া হবে, এমনই ছিল পরিকল্পনা। নৌকা আকৃতির পুরো কাঠামোটি তখন পানির উপর ভেসে থাকবে। এর সাথে সদরঘাট থেকে আসা সড়কের সংযোগ রাখা হয়েছে। সাধারণ মানুষের টোলমুক্ত চলাচলের জন্য নিচে চার লেনের আলাদা সড়কও একই উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে। সড়কে চলাচলকারী সাধারণ মানুষের জন্য। শেখ হাসিনার চিন্তা-ভাবনার নাগাল পাওয়া আসলেই দূরহ। অনেক আগেই সব চিন্তা করে রেখেছিলেন তিনি। লেখক পরিচিতি: রাজনীতি ও অর্থনীতি বিশ্লেষক



