রূপপুরের শুধু প্রথম ইউনিট থেকেই রাষ্ট্রের সাশ্রয় হবে ১০০ কোটি ডলারের বেশি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৩ আগস্ট, ২০২৬

আরও খবর

অর্থমন্ত্রী: বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেই

গ্রামের রাস্তা মেরামতে ৮০টি কম্পিউটার, ৩০ লাখের সফটওয়্যার: পরামর্শকের ১৪ কোটি, লাগবে ১৪০টি বাইক-জিপ

বিদ্যুৎহীন চমেক হাসপাতালে স্থবির চিকিৎসা, দুর্ভোগে রোগীরা

গুলিস্তানে চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট ‘দরবেশ চক্র’: দফায় দফায় টাকা দিয়ে বিপর্যস্ত ব্যবসায়ীরা

আওয়ামী লীগ আমলের কোনো সক্ষমতাই ধরে রাখতে পারছে না বিএনপি সরকার

চুয়াত্তরের দুর্ভিক্ষ: বন্যা, অধিকার বঞ্চিতকরণ, প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতা ও শীতল যুদ্ধের খাদ্য-রাজনীতির গভীরতর বিশ্লেষণ

‘ভবিষ্যতে দাম কমানোর প্রলোভন’ মার্কিন কোম্পানির সাথে সরকারের উচ্চমূল্যে এলএনজি চুক্তি

রূপপুরের শুধু প্রথম ইউনিট থেকেই রাষ্ট্রের সাশ্রয় হবে ১০০ কোটি ডলারের বেশি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৩ আগস্ট, ২০২৬ |
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রথম ইউনিট থেকে আগামী ৮ থেকে ১০ সপ্তাহের মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সঞ্চালন শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে কারিগরি কাঠামোর শেষ ধাপের সূক্ষ্ম পরীক্ষা-নিরীক্ষা পরিচালিত হচ্ছে। এসব পরীক্ষার সফল সমাপ্তি নিশ্চিত হলে পর্যায়ক্রমে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সংযোগ বাড়ানো হবে এবং আগামী বছরের সূচনালগ্নেই ইউনিটটির বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম ইউনিটটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে গেলে জীবাশ্ম জ্বালানির বিদেশি আমদানির ওপর বাংলাদেশের নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের হিসাব অনুসারে, এই এক ইউনিট চালু হলেই প্রতি মাসে গড়ে ১ হাজার কোটি টাকা এবং বছরে প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় সম্ভব। পরবর্তীতে

দুটি ইউনিটই পূর্ণমাত্রায় সচল হলে এই সাশ্রয়ের পরিধি আরও ব্যাপক আকার ধারণ করবে। অবশ্য এনপিসিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহেদুল হাছান উল্লেখ করেছেন যে, বছরে ১০০ কোটি ডলার সাশ্রয়ের সুনির্দিষ্ট হিসাবটি মূলত বিকল্প জ্বালানি হিসেবে কী আমদানি করা হচ্ছে তার ওপর নির্ভর করবে। তিনি জানান, আগামী ৬ থেকে ৮ সপ্তাহের মধ্যে গ্রিড সিনক্রোনাইজেশন শুরু করার পরিকল্পনা থাকলেও নিরাপত্তা সম্পর্কিত চূড়ান্ত অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত দিনক্ষণ নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। ইতোমধ্যে প্রথম ইউনিটের চুল্লিতে সফলভাবে ইউরেনিয়াম জ্বালানি লোড করা হয়েছে এবং দুটি ধাপে শতাধিক পরীক্ষা সম্পন্ন করার পর বর্তমানে জটিল শেষ ধাপের পরীক্ষাগুলো চলছে। পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের ধাপে ধাপে অনুমোদনের ওপর ভিত্তি করেই এই

অগ্রগতি অর্জিত হচ্ছে। পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কার্যকারিতা নিয়ে নিউক্লিয়ার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম জানান, এ ধরনের কেন্দ্র থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে ‘বেইজলোড’ বিদ্যুৎ পাওয়া সম্ভব। ফলে তেল, কয়লা ও গ্যাসের ওপর চাপ কমার সাথে সাথে বৈশ্বিক বাজারের অস্থিতিশীল মূল্য বৃদ্ধি ও সরবরাহের অনিশ্চয়তা সংক্রান্ত ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসবে। রূপপুরের বিদ্যুৎ জাতীয় সঞ্চালন লাইনে যুক্ত করতে বাঘাবাড়ী ২৩০০ কেভি, বগুড়া ৪০০ কেভি এবং গোপালগঞ্জ ৪০০ কেভি নেটওয়ার্কের কমিশনিং প্রক্রিয়া শেষ দিকে রয়েছে। তবে উভয় কেন্দ্রের সম্পূর্ণ ক্ষমতার বিদ্যুৎ নির্বিঘ্নে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের জন্য সঞ্চালন অবকাঠামোকে আরও প্রস্তুত করা জরুরি। উল্লেখ্য, ২৪০০ মেগাওয়াটের এই মেগা প্রকল্পে দুটি আলাদা ইউনিট রয়েছে। প্রথম ইউনিটটির বাণিজ্যিক যাত্রা দেশের সামগ্রিক বিদ্যুৎ খাতকে

সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। ‘কৃতিত্ব যার, নাম নেই তার’ এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বাস্তবায়নের পেছনে যে নেতৃত্ব, পরিকল্পনা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা কাজ করেছে, তা মূলত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময়ের। ২০১১ সালে রাশিয়ার সঙ্গে পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে চুক্তি করে আওয়ামী লীগ সরকার। ২০১৩ সালে শুরু হয় নির্মাণের আনুষ্ঠানিকতা। ২০১৭ সালে কেন্দ্রটির মূল নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই। রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থা রোসাটমের মাধ্যমে ৯৩ শতাংশ ঋণ সহযোগিতায় (প্রায় ১১.৩৮ বিলিয়ন ডলার) এই প্রকল্প বাস্তবায়নের পথ তৈরি হয়। বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত চুক্তি এটি। অথচ এখন বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলেও এসব ইতিহাস ধামাচাপা পড়ে যাচ্ছে। ড. ইউনূসের

নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার এবং বর্তমান বিএনপি সরকার প্রকল্পটি প্রসঙ্গে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের কথা এড়িয়ে যাচ্ছে। বিজ্ঞান মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ-জ্বালানি মন্ত্রাণলয়, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বিভাগসহ কোনো দপ্তরের কোনো বিবৃতিতে নেই—প্রকল্পটি কবে, কার সময় শুরু হয়েছিল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই প্রকল্পের একজন জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলী বলেন, “বিশ্বমানের একটি প্রকল্পের ইতিহাসকে ছেঁটে ফেলা উচিত নয়। এটা কারও দলীয় অর্জন নয়, রাষ্ট্রীয় সম্পদ—তবে ইতিহাস তো মুছে ফেলা চলে না।” বিশ্লেষকদের মতে, বড় প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন যেমন প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক সক্ষমতার বিষয়, তেমনি রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও কূটনৈতিক সম্পর্কের ফলও। রূপপুর কেন্দ্র তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ সরকারের এ ধরনের সাহসী ও দূরদর্শী সিদ্ধান্তসমূহ

আগামী দিনের বাংলাদেশকে এনার্জি নিরাপত্তা, দক্ষতা ও শিল্পায়নে অনেক দূর এগিয়ে নেবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
চরম বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে হিমাগারে পচছে বিপুল পরিমাণ আলু, গাড়ি ভরে ফেলে দিতে হচ্ছে প্রতিদিনই মধ্যপ্রাচ্য থেকে ২০ হাজার পাকিস্তানিকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বহিষ্কার অর্থমন্ত্রী: বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেই গ্রামের রাস্তা মেরামতে ৮০টি কম্পিউটার, ৩০ লাখের সফটওয়্যার: পরামর্শকের ১৪ কোটি, লাগবে ১৪০টি বাইক-জিপ বিদ্যুৎহীন চমেক হাসপাতালে স্থবির চিকিৎসা, দুর্ভোগে রোগীরা গুলিস্তানে চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট ‘দরবেশ চক্র’: দফায় দফায় টাকা দিয়ে বিপর্যস্ত ব্যবসায়ীরা রূপপুরের শুধু প্রথম ইউনিট থেকেই রাষ্ট্রের সাশ্রয় হবে ১০০ কোটি ডলারের বেশি আওয়ামী লীগ আমলের কোনো সক্ষমতাই ধরে রাখতে পারছে না বিএনপি সরকার চুয়াত্তরের দুর্ভিক্ষ: বন্যা, অধিকার বঞ্চিতকরণ, প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতা ও শীতল যুদ্ধের খাদ্য-রাজনীতির গভীরতর বিশ্লেষণ ক্রমাগত ধর্ষণের পর হত্যার হুমকি শিক্ষকের, ১৫ বছর বয়সী মাদ্রাসা ছাত্রের আত্মহত্যার চেষ্টা ‘ভবিষ্যতে দাম কমানোর প্রলোভন’ মার্কিন কোম্পানির সাথে সরকারের উচ্চমূল্যে এলএনজি চুক্তি ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি না করায় বিএনপির সিদ্ধান্তে সন্তোষ প্রকাশ শেখ হাসিনার ভুয়া মামলায় গ্রেপ্তার করানোয় বিএনপি নেতাকে আওয়ামী কর্মীদের ‘দাঁত ভাঙা জবাব’ ভারতের সাথে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আগের চেয়েও জোরদারে দুটি টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব রাশিয়া-মিয়ানমার সম্পর্ক: নিরাপত্তা থেকে অর্থনৈতিক জোটের দিকে দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর ভারত সফরে তারেক রহমান: তবুও গোপন রাখার চেষ্টায় প্রেস উইং! এবার মাত্র ৬৪ রানেই অলআউট বাংলাদেশ নিখোঁজের দুদিন পর ডোবায় গুম করা আওয়ামী লীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার ঝিনাইদহে গরু চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনিতে একজন নিহত শরিফুলের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে ম্যাকাই টেস্টে আশা জিইয়ে রাখল বাংলাদেশ